প্রেমিক-প্রেমিকাকে বেধড়ক পিটুনি
Why this classification
This is a single, specific incident dated 30 May 2026, within the recent window. Police severely beat a young couple while rescuing the girl from the young man's home, then local residents damaged a police CNG auto-rickshaw and chased officers. Two police officers and four people in total were injured.
Killed
0
Injured
4
Summary
৩০ মে বিকাল ৫টার দিকে কক্সবাজারের চকরিয়ায় যুবকের বাড়ি থেকে প্রেমিকাকে উদ্ধারের সময় পুলিশ যুবক ও তরুণীকে বেধড়ক পেটায়। প্রেমিকের মৃত্যুর গুজবে স্থানীয়রা পুলিশের সিএনজি অটোরিকশা ভাঙচুর করে ও পুলিশকে ধাওয়া দেয়, এতে দুই পুলিশসহ ৪ জন আহত হন এবং ঘটনার পর এসআই আরকানুল ইসলামকে প্রত্যাহার করা হয়।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
85% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 4
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Law Enforcement, Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals, Law Enforcement
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 30/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
প্রেমিকের বাড়ি থেকে উদ্ধারের সময় তরুণীকে এসআইয়ের মারধর
কক্সবাজারে প্রেমিকের বাসা থেকে এক তরুণীকে উদ্ধারের সময় তাকে বেদড়ক পিটিয়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন চকরিয়া থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ আরকানুল ইসলাম। লাঠি দিয়ে পেটানোর সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এসআই আরকানুলকে কর্মস্থল থেকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে। গতকাল শনিবার (৩০ মে) সন্ধ্যায় চকরিয়া উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ছাইরাখালী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ১৯ সেকেন্ডের ভাইরাল ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে, একটি বসতঘরে এসআই আরকান এক তরুণীকে অনবরত পিটিয়ে যাচ্ছেন এবং সেসময় ঘটনাস্থলে অন্য পুলিশ সদস্যরাও ছিলেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঈদগাঁও উপজেলার এক তরুণীর সঙ্গে ছাইরাখালী এলাকার বাসিন্দা নুরুল আমিনের দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সম্প্রতি ওই তরুণী পরিবারের অমতে নিজ বাড়ি থেকে বের হয়ে নুরুল আমিনের বাড়িতে গিয়ে অবস্থান নেন। সেই তরুণীর পরিবার বিষয়টি জানিয়ে চকরিয়া থানায় অভিযোগ করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে শনিবার বিকেলে তরুণীকে উদ্ধারে ওসি মনির হোসেনের নির্দেশে এসআই আরকানুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ছাইরাখালী এলাকায় যায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অভিযানের সময় তরুণীকে পুলিশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যেতে চাইলে তার প্রেমিক নুরুল আমিন বাধা দেন। একপর্যায়ে এসআই আরকানুল ইসলাম চড়াও হয়ে লাঠি নিয়ে তাদের দু'জনকে মারধর করেন। পুলিশের লাঠিচার্জে নুরুল আমিন ঘটনাস্থলে গুরুতর অসুস্থ হয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে প্রথমে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে চট্টগ্রাম পাঠানো হলে তিনি বর্তমানে চমেকে চিকিৎসাধীন বলে জানা গেছে। মারধরের বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা পুলিশের ব্যবহৃত একটি সিএনজি চালিত অটোরিকশা ভাংচুর করে এবং পরে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। ছাইরাখালীর বাসিন্দা আব্দুল মুমিন বলেন, এটি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এলাকা, পুলিশের এমন আচরণ কাম্য নয়। অপরাধী কে শাস্তি দেওয়ার আইন আছে কিন্তু এভাবে মারধর করা তো উল্টো অপরাধ করার সমান। আমরা ওসি-এসআইয়ের শাস্তি চাই। কক্সবাজার জেলা জজ আদালতের এডভোকেট মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ বলেন, অভিযানে গিয়ে পুলিশের এভাবে মারধরের কোন বিধান নেই। আর নারীকে আটক বা গ্রেপ্তারে অবশ্যই নারী পুলিশের উপস্থিতি থাকতে হয়ে। ঘটনা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে অভিযুক্ত এসআই আরকানুল ইসলাম 'আমি ওসি স্যারের নির্দেশনায় অভিযানে গিয়েছি' বলে মুঠোফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনির হোসেনের মুঠোফোনে বারবার কল করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। ঘটনার পর এসআই আরকানুল ইসলামকে প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করে চকরিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অভিজিৎ দাস বলেন, ভিকটিম উদ্ধারে গেলে এক পুলিশ সদস্য কতৃক মারধরের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এছাড়াও একি ঘটনায় পুলিশের ওপর হামলা এবং গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তিনি আরও বলেন, ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত করে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইফতিয়াজ নুর নিশান/এমটিআই
প্রেমিক-প্রেমিকাকে বেধড়ক পিটুনি
প্রেমিক-প্রেমিকাকে বেধড়ক পিটুনি চকরিয়ায় এসআই প্রত্যাহার Advertisement চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০১ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ চকরিয়ায় যুবকের বাড়ি থেকে প্রেমিকাকে উদ্ধার করতে গিয়ে দুজনকেই বেধড়ক পিটিয়েছে পুলিশ। প্রচণ্ড পিটুনিতে অজ্ঞান হয়ে পড়া প্রেমিকের মৃত্যুর গুজবে এলাকাবাসী পুলিশ বহনকারী একটি সিএনজি অটোরিকশা ভাঙচুর ও পুলিশকে ধাওয়া দেয়। এ সময় দুই পুলিশসহ ৪ জন আহত হয়। ঘটনার পর রাতেই থানার এসআই আরকানুল ইসলামকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। ৩০ মে বিকাল ৫টার দিকে চকরিয়া উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ছাইরাখালীতে এ ঘটনা ঘটে। এদিকে থানা পুলিশের বাড়াবাড়িতে নিরপেক্ষ তদন্তে কমিশন গঠনের দাবি উঠেছে। জানা গেছে, ঈদগাও উপজেলার এক তরুণী চকরিয়ার ফাঁসিয়াখালীর ছাইরাখালীর নুরুল আমিনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের জেরে বাড়ি থেকে পালিয়ে আসেন। নুরুল আমিনের মা সেলিনা বেগম বলেন, ‘মেয়ের মা ও বাবা শুক্রবার আমার বাড়িতে এসেছিলেন। উভয় পরিবারের সম্মতিতে দেনমোহর নির্ধারণ করে তাদের বিয়ের সিদ্ধান্ত হয়। তবে এই সিদ্ধান্ত মেয়ে পক্ষের কয়েকজনের পছন্দ না হওয়ায় তারা চকরিয়া থানায় একটি অভিযোগ করেন।’ এ বিষয়ে চকরিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার অভিজিৎ দাশ জানান, একজন অপ্রাপ্ত বয়স্ক মেয়েকে উদ্ধার করতে গেলে স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে পুলিশ বহনকারী গাড়ি ভাঙচুর হয়েছে এবং দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। তিনি জানান, এ ঘটনার পর চকরিয়া থানার এসআই আরকানুল ইসলামকে কক্সবাজার পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।
