ব্রহ্মপুত্রে বস্তাবন্দী লাশ: মুঠোফোনের সূত্র ধরে যুবক গ্রেপ্তার, বেরিয়ে এল হত্যার রহস্য
Why this classification
This incident was classified as criminal violence in Mymensingh. Reported casualties: 1 killed and 0 injured. Reported by 3 sources.
Killed
1
Injured
0
Summary
ময়মনসিংহের ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে বস্তাবন্দী অবস্থায় মিরান নামের এক তরুণের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরকীয়া সম্পর্কের জেরে তাঁকে হত্যা করে মরদেহ নদে ফেলে দেওয়ার অভিযোগে হাবিজুর ফকির নামের একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
93% · severity 7
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 28/07/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (4 sources)
ময়মনসিংহে রাব্বি হত্যা / ‘ওরা ১৫ জন মিইল্যা আমার বাপেরে কুপাইছে, আমরা ২ ভাই ওরে কুপাইছি’
সারাদেশ ময়মনসিংহে রাব্বি হত্যা ‘ওরা ১৫ জন মিইল্যা আমার বাপেরে কুপাইছে, আমরা ২ ভাই ওরে কুপাইছি’ × গ্রেপ্তার আবদুল খালেক (২৭) নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ প্রকাশ: ১৪ আগস্ট ২০২৬ | ২০:১৯ - অ + ময়মনসিংহ নগরের মাসকান্দা এলাকায় কম্পিউটার দোকানের কর্মী মো. রাব্বি (২৫) হত্যার দায় স্বীকার করেছেন মামলার প্রধান আসামি আবদুল খালেক (২৭)। র্যাবের হাতে গ্রেপ্তারের পর গণমাধ্যমকর্মীদের সামনে তিনি ক্ষোভ ও দম্ভ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমি নিজে ভালা মানুষ। আমার কি আজকে কথা আছিন এইনে আওয়ার (আসার)। আপনেগর কাজ যদি আপনেরা করতেন, তাহলে কি আমার আজকে এই জায়গায় আওয়া লাগে। আঙ্গর কি কইলজা নাই। আমার বাপেরে ওরা ১৫ জন মিইল্যা কুপাইছে, আর আমরা ২ ভাই মিইল্যা ওরে কুপাইছি। আমি সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ মারছি, ভালা মানুষ মারি নাই।’ বৃহস্পতিবার রাতে নগরের রঘুরামপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে খালেককে গ্রেপ্তার করে র্যাব-১৪। শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে ময়মনসিংহে র্যাবের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে তাকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলন শেষে ছবি তোলার সময় উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের সামনে এমন মন্তব্য করেন খালেক। খালেক বলেন, ‘ঘটনার পরে আমার বাড়িঘরে আগুন দিলো ক্যান। লুটপাট করলো ক্যান। কোনো আইনের লোক তো আমাদের বাড়িঘর সেইভ করতে পারলো না। কয়দিন আগেও আমি নিজে তাদের নামে চাঁদাবাজির অভিযোগ দিয়েছি দুদকে।’ খালেকের দাবি, ২০১৮ সালে তার বাবাকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা এবং তার এক হাত বিচ্ছিন্ন করার ঘটনার প্রতিশোধ নিতেই তিনি ও তার ভাই মিলে রাব্বিকে হত্যা করেছেন। র্যাব-১৪-এর কোম্পানি কমান্ডার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সামসুজ্জামান সংবাদ সম্মেলনে বলেন, বৃহস্পতিবার দুপুরে নগরের মাসকান্দা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সামনে রাব্বির ওপর দেশীয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হয়। আত্মরক্ষার জন্য রাব্বি পাশের একটি দোকানে আশ্রয় নেন। হামলাকারীরা সেখানে ঢুকে তাকে উপর্যুপরি কুপিয়ে হত্যা করে। এ সময় রাব্বিকে বাঁচাতে গিয়ে তার ছোট ভাই মুহাম্মদ রিয়াদও গুরুতর আহত হন। র্যাব কর্মকর্তা বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে খালেক হামলায় ব্যবহৃত দেশীয় অস্ত্রের বিষয়ে তথ্য দিয়েছেন। তদন্তে হত্যাকাণ্ডের পেছনে ২০১৮ সালের পুরোনো শত্রুতা এবং এলাকাকেন্দ্রিক চাঁদাবাজির বিরোধের বিষয়টি উঠে এসেছে। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি পরিকল্পিত বলে ধারণা করা হচ্ছে। ময়মনসিংহ পুলিশ সুপার মো. কামরুল হাসান বলেন, এ ঘটনায় নিহত রাব্বির বাবা মোবারক হোসেন বাদী হয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করেছেন। মামলায় ১১ জনের নাম উল্লেখ করে আরও অজ্ঞাতনামা ৩ থেকে ৪ জনকে আসামি করা হয়েছে। পুলিশ ও র্যাব সূত্রে জানা গেছে, মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। গ্রেপ্তার খালেককে থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়াও চলছে। বিষয় : ময়মনসিংহ হত্যা মামলা র্যাব আরও পড়ুন সিএনজি চালককে অপহরণের পর মুক্তিপণ দাবি, গ্রেপ্তার ৩ অপরিকল্পিত ঋণের কারণে দেশ ধ্বংসস্তূপের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে: বিদ্যুৎমন্ত্রী চার পরিবারকে সমাজচ্যুত করার অভিযোগে বিএনপি নেতাকে অব্যাহতি চিকিৎসককে ‘ম্যাডাম-স্যার’ না বললেই রোগীদের ভোগান্তি সর্বশেষ সামরিক-রাজনৈতিক সংকটের চক্রে আটকে পড়ছেন ট্রাম্প সিএনজি চালককে অপহরণের পর মুক্তিপণ দাবি, গ্রেপ্তার ৩ অপরিকল্পিত ঋণের কারণে দেশ ধ্বংসস্তূপের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে: বিদ্যুৎমন্ত্রী ভারতের বদলি হিসেবে ‘আসিয়ান কাপে’ খেলার সম্ভাবনা বাংলাদেশের দিল্লিতে প্রথমবার প্রকাশ্যে ‘ভিক্টরি ডে’ পালন করবে তালেবান চার পরিবারকে সমাজচ্যুত করার অভিযোগে বিএনপি নেতাকে অব্যাহতি প্রধানমন্ত্রীর খালাতো ভাইয়ের পেট্রল পাম্পের টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় গ্রেপ্তার ৫ চিকিৎসককে ‘ম্যাডাম-স্যার’ না বললেই রোগীদের ভোগান্তি আরও পড়ুন ×
বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে পিটিয়ে যুবককে হত্যা, গ্রেপ্তার ৩
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে রিকশাচালক যুবককে ধরে নিয়ে বাড়িতে আটকে রেখে বেধড়ক পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে এই হত্যার ঘটনা ঘটে।নিহত ব্যক্তির নাম আলম মিয়া (৩০)। তিনি উপজেলার পড়শীপাড়া গ্রামের সহরুদ্দিনের ছেলে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন আব্দুল কাদের (৫৫), মোহাম্মদ মাজাহারুল (৩০) ও মোহাম্মদ ইমরান ইসলাম (২৫)। পুলিশ জানায়, উপজেলার গফরগাঁও ইউনিয়নের পড়শীপাড়া গ্রামের বাসিন্দা আলম মিয়ার পরিবারের সঙ্গে প্রতিবেশী আমান মিয়া ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের দীর্ঘদিনের সীমানা-সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই বিরোধকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। ঘটনার একপর্যায়ে আলম মিয়া প্রতিপক্ষ আমান মিয়ার মা আসিয়া বেগমকে মাথায় আঘাত করেন। এই ঘটনার জেরে আমান মিয়া ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা আলম মিয়াকে জোরপূর্বক তাঁদের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে একটি কক্ষে আটকে রেখে বেধড়ক মারধন করেন। এর ফলে ঘটনাস্থলেই আলম মিয়ার মৃত্যু ঘটে। আলমের মৃত্যুর পর তাঁর মরদেহ বাড়ির উঠানে ফেলে রেখে বাড়িতে তালা দিয়ে পালিয়ে যায় সবাই। পরে এলাকায় অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গতকাল রাতেই গ্রেপ্তার করা হয়। এদিকে যুবককে ঘরে আটকে পেটানোর ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। ওই ভিডিওতে দেখা গেছে, এক তরুণের ডান হাতে একটি লাঠি। আরেক হাতে মোবাইলে ভিডিও কলে রয়েছেন এক ব্যক্তি। ঘরের মেঝেতে নেতিয়ে পড়ে থাকা আলম মিয়াকে আঘাত করা হচ্ছে। ‘মাথায় বাড়ি দিছিলে’ বলেই আঘাত করতে থাকে। নিহত ব্যক্তির খালাতো ভাই মেহেদী হাসান বলেন, ‘আমার খালাতো ভাইদের সঙ্গে প্রতিবেশীদের জমি নিয়ে বিরোধ এবং আলমের একটি রিকশা ভেঙে দেয়। গতকাল ১১টার দিকে আলম প্রতিপক্ষ ওই ব্যক্তির মাকে আঘাত করে। এর জেরে বেলা ২টার দিকে বাড়ি থেকে তাঁকে ধরে নিয়ে যায়, যা কেউ দেখেনি। বিকেল ৪টার দিকে আমার খালা নাসিমা আক্তার ছেলের খোঁজ শুরু করলে প্রতিবেশীর বাড়িতে আটকে মারধর করার খবর জানতে পারে। পরে সন্ধ্যায় জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে সহযোগিতা চাইলে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে।’ তিনি বলেন, ‘আমার খালাতো ভাইয়ের পুরো শরীরে আঘাত রয়েছে। পিটিয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে।’ ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, পূর্ববিরোধের জেরে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে যুবককে ঘরে আটকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
ঝিনুকের খোসা দিয়ে গলা কেটে হত্যা করা হয় দুলাল মিয়াকে
ঝিনুকের খোসা দিয়ে গলা কেটে হত্যা করা হয় দুলাল মিয়াকে Advertisement ধোবাউড়া (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৮ মে ২০২৬, ১০:৪৪ পিএম ধোবাউড়া থানা ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় চাঞ্চল্যকর ধান ব্যবসায়ী দুলাল মিয়া হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। উপজেলার দিঘীরপাড় গ্রামের মোকলেছ উদ্দিনের ছেলে স্বাধীন (১৮) এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। ঝিনুকের খোসা দিয়ে গলা কেটে হত্যা করা হয় দুলাল মিয়াকে। হত্যার পর পরিস্থিতিটা খুবই শান্তভাবে সামাল দিয়েছে স্বাধীন। পুলিশ, ডিবি, পিবিআই ঘটনা তদন্ত করেছে কিন্তু কোনো প্রকার ক্লু ছিল না। তবে সন্দেহভাজন হিসেবে স্বাধীনকে ঘটনার দিনই আটক করা হয়। থানায় জিজ্ঞাসাবাদেও স্বাধীন মিথ্যা তথ্য দিয়ে পুলিশকে বিভ্রান্ত সৃষ্টি করে ঠাণ্ডা মাথায় ঘটনা অন্যদিকে ঘুরানোর চেষ্টা করেছে। অবশেষে বৃহস্পতিবার আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে স্বাধীন। পুলিশ জানায়, দুলাল মিয়ার পাওনা ২০ হাজার টাকার চাপে ক্ষিপ্ত ছিল স্বাধীন। ঘটনার দিন স্বাধীনকে বারবার ফোন দিচ্ছিলেন দুলাল মিয়া। তাকে না পেয়ে তার মায়ের ফোনে ৬৪ বার কথা বলে দুলাল মিয়া। রাত আনুমানিক ৮ থেকে সাড়ে ৮টায় স্বাধীনের বাড়িতে যায় দুলাল মিয়া। সেখান থেকে বের হয়ে স্বাধীন এবং দুলাল মিয়া বাড়ির সামনে মোড়ে চায়ের দোকানে বসে। পরে দুলাল মিয়ার বাড়ির পাশে একটি নির্জন পুকুরের পাড়ে যায় তারা। সেখানে রাত ১০টা থেকে সাড়ে ১০টার মধ্যে তাকে হত্যা করা হয়। হত্যার পর স্বাধীন বাড়িতে এসে দেখে সঙ্গে মানিব্যাগটা রয়ে গেছে পরে পুনরায় স্বাধীন ঘটনাস্থলে গিয়ে মানিব্যাগ নিয়ে আসে। আসার সময় ভুলক্রমে নিজের শার্টের সঙ্গে দুলাল মিয়ার শার্ট নিয়ে আসে যা স্বাধীনের বাড়ির কাছে একটি গাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। এই শার্টটি রহস্য উদঘাটনে সবচেয়ে ধোঁয়াশা সৃষ্টি করে। এ হত্যার রহস্য উদঘাটনে দিনরাত কাজ করেছেন সহকারী পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান, এএসপি আশিষ বিশ্বাস, ধোবাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ শফিকুল ইসলাম। এ ব্যাপারে ধোবাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ শফিকুল ইসলাম বলেন, হত্যার ঘটনার রহস্য উদঘাটন হয়েছে। আসামি আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে এখন পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলছে। এ হত্যার ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। একজন ছেলে কিভাবে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে তা নিয়ে রয়েছে ধোঁয়াশা।
ব্রহ্মপুত্রে বস্তাবন্দী লাশ: মুঠোফোনের সূত্র ধরে যুবক গ্রেপ্তার, বেরিয়ে এল হত্যার রহস্য
পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হাবিজুর ফকিরছবি: সংগৃহীত ময়মনসিংহে ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে বস্তাবন্দী অবস্থায় তরুণের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় করা মামলায় হাবিজুর ফকির (৩১) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ বুধবার সকালে জেলা পুলিশের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। পুলিশ জানিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদে হাবিজুর হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছেন এবং গত সোমবার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। পরকীয়া সম্পর্কের জেরে স্ত্রীর সঙ্গে ‘আপত্তিকর’ অবস্থায় দেখে ওই তরুণকে হাবিজুর হত্যা করেন। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে ময়মনসিংহ সদর উপজেলার কুষ্টিয়া ইউনিয়নের বিদ্যাগঞ্জ খেয়াঘাটের প্রায় ২০০ গজ পূর্বে ব্রহ্মপুত্র নদের তীর থেকে বস্তাবন্দী অবস্থায় ওই তরুণের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে পরনের প্যান্টের পকেটে পাওয়া জাতীয় পরিচয়পত্র ও একটি কাগজে লেখা মুঠোফোন নম্বরের সূত্র ধরে তাঁর পরিচয় শনাক্ত করা হয়। নিহত তরুণের নাম মিরান (২০)। তিনি জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার বাহাদুরাবাদ ইউনিয়নের কুতুবের চর এলাকার বাসিন্দা। এ ঘটনায় মিরানের ভাই বাদী হয়ে গত শুক্রবার রাতে ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন। পুলিশ জানায়, নিহত মিরানের মুঠোফোনে কথোপকথনের সূত্র ধরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তদন্ত করে হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় ও অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে গত রোববার রাতে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার বাহাদুরাবাদ ইউনিয়নের কুতুবের চর এলাকায় অভিযান চালিয়ে হাবিজুর ফকিরকে গ্রেপ্তার করা হয়। হাবিজুরকে জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, গত ২৮ জুলাই রাত সাড়ে ১০টা থেকে ১১টার দিকে হাবিজুর তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে মিরানকে ‘আপত্তিকর’ অবস্থায় তাঁদের বসতঘরে দেখতে পান। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মিরানকে হত্যা করার পর রাত একটার দিকে মিরানের দুই পা দড়ি দিয়ে বেঁধে দুটি সাদা প্লাস্টিকের বস্তায় ভরে ব্রহ্মপুত্র নদে ফেলে দেওয়া হয়। ঘটনার পর হাবিজুরের স্ত্রীকে গ্রেপ্তারের জন্য জামালপুরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো হয়েছে। কিন্তু তাঁকে এখনো গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শিবিরুল ইসলাম বলেন, মুঠোফোনে কথোপকথনের সূত্র ধরে হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত সোমবার সন্ধ্যায় তিনি হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কের জেরে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন ময়মনসিংহময়মনসিংহ সদর
