ফরিদগঞ্জে সিজারে প্রসূতির মৃত্যুতে হাসপাতালে সংঘর্ষ

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

Relatives of a woman who died after a caesarean section protested at the hospital demanding justice, and a verbal dispute turned into a physical clash in which both sides attacked each other. This is a concrete, recent physical altercation, so it counts as violence, though the injury count is not reported.

Reported by:JugantorSingle source
23/03/26•ফরিদগঞ্জ ডায়াবেটিক সেন্টার অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতাল

Killed

0

Injured

0

Summary

২৩ মার্চ বিকালে ফরিদগঞ্জের ডায়াবেটিক সেন্টার অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতালে সিজারের পর প্রসূতি তানজিনা আক্তারের মৃত্যুর বিচার চেয়ে অবস্থানরত স্বজন ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের লোকজনের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা থেকে সংঘর্ষ বাধে। উভয় পক্ষ পালটাপালটি হামলা চালায়।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

85% · severity 4

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

নিহত প্রসূতির স্বজনহাসপাতাল কর্তৃপক্ষের লোকজনতানজিনার মা

Tags

Clash

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 23/03/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 25/03/26open original ↗

ফরিদগঞ্জে সিজারে প্রসূতির মৃত্যুতে হাসপাতালে সংঘর্ষ

ফরিদগঞ্জে সিজারে প্রসূতির মৃত্যুতে হাসপাতালে সংঘর্ষ Advertisement ফরিদগঞ্জ (চাঁদপুর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৫ মার্চ ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ ফরিদগঞ্জের ডায়াবেটিক সেন্টার অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশনের পর এক প্রসূতির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় নিহতের স্বজন ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পালটাপালটি হামলার অভিযোগ ওঠে। নিহত প্রসূতির নাম তানজিনা আক্তার (১৮)। তিনি উপজেলার রূপসা দক্ষিণ ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামের বাসিন্দা। জানা যায়, ২২ মার্চ রাতে তানজিনার প্রসব ব্যথা উঠলে তাকে দ্রুত ফরিদগঞ্জের ডায়াবেটিক সেন্টার অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতাল নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে দ্রুত অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে সিজারিয়ান অপারেশন সম্পন্ন করেন। অভিযোগ রয়েছে, অপারেশন শেষে বেডে আনার মাত্র ৫ মিনিট পর তানজিনা হঠাৎ বুকে ব্যথার কথা বলে চিৎকার শুরু করেন এবং অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। পরে তার অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। তবে সেখানে পৌঁছানোর পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের পরিবারের দাবি, ভুল চিকিৎসা ও চিকিৎসকের অবহেলার কারণেই তানজিনার মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে ২৩ মার্চ বিকালে নিহতের স্বজনরা হাসপাতালের সামনে বিচারের দাবিতে অবস্থান নেন। এ সময় তাদের সঙ্গে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের লোকজনের বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়, যা একপর্যায়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়। উভয় পক্ষের মধ্যে পালটাপালটি হামলার ঘটনা ঘটে। মৃত তানজিনার মা বলেন, আমার মেয়েকে তারা সঠিক চিকিৎসা না দিয়ে মেরে ফেলেছে। আমি তাদের বিচার চাই।