ভান্ডারিয়ায় যুবককে হত্যা করে ফাঁসিতে ঝুলানোর অভিযোগ

AI-classifiedconfidence 94%

Why this classification

প্রবন্ধে স্পষ্টভাবে এক যুবকের হত্যার ঘটনা বর্ণিত হয়েছে, যা শারীরিক হিংসা ও মৃত্যুর ফলাফল ঘটিয়েছে; তাই এটি হিংসাত্মক ঘটনা হিসেবে স্বীকৃত এবং ১৪ দিনের সময়সীমার মধ্যে রয়েছে।

Reported by:JugantorSingle source
16/06/26•Kanuya area

Killed

1

Injured

0

Summary

২০২৬-০৬-১৫ তারিখে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ার কানুয়া এলাকায় শ্বশুরবাড়ি থেকে শহীদ হাওলাদারের ছেলে শাহাদাৎ হোসেন বাপ্পি নিহত হন। পারিবারিক বিবাদে তাকে হত্যা করে আত্মহত্যা বলে চালানোর অভিযোগ উঠেছে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

94% · severity 8

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

Shahadat Hossain BappiMimRubi BegumOC Ratneshwar Kumar

Tags

Murder

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 16/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 17/06/26open original ↗

ভান্ডারিয়ায় যুবককে হত্যা করে ফাঁসিতে ঝুলানোর অভিযোগ

ভান্ডারিয়ায় যুবককে হত্যা করে ফাঁসিতে ঝুলানোর অভিযোগ শ্বশুরবাড়ি থেকে লাশ উদ্ধার Advertisement ভান্ডারিয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ ভান্ডারিয়ায় শাহাদাৎ হোসেন বাপ্পি নামে এক যুবককে হত্যা করে আত্মহত্যা বলে চালানোর অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার সকালে পৌরসভার কানুয়া এলাকায় বাপ্পির শ্বশুরবাড়ি থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত বাপ্পি উপজেলার ভিটাবাড়িয়া ইউনিয়নের শহিদ হাওলাদারের ছেলে। জানা যায়, নিহত বাপ্পির স্ত্রী মীম কাজের জন্য জর্ডানে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। কিন্তু স্বামী বাপ্পি ও তার পরিবার এতে রাজি ছিলেন না। ওই পারিবারিক দ্বন্দ্বের জেরে মীম কিছু দিন আগে তার বাবার বাড়িতে চলে যান। অভিযোগ রয়েছে, বিদেশ যাওয়ার কাগজপত্র তৈরির অজুহাতে মীম প্রায়ই ঢাকায় যাতায়াত করতেন এবং বিভিন্ন হোটেলে অবস্থান করতেন। ১১ জুন মীম বাপ্পিকে না জানিয়ে পুনরায় ঢাকায় গিয়ে একটি হোটেলে অবস্থান নেন। এ সময় বাপ্পি ভিডিও কল দিলে মীমের সঙ্গে এক পুরুষকে দেখতে পান। পরে ১৪ জুন মীম তার বাবার বাড়িতে বাপ্পিকে ডেকে নেন। মীম জানান, সোমবার রাতে তাদের মধ্যে বরাবরের মতোই কথা কাটাকাটি হয়। রাত ২টায় মীমের ঘুম ভাঙলে তিনি বাপ্পিকে ঘরের আড়ার সঙ্গে ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় ঝুলতে দেখেন। তিনি একাই ওড়না কেটে বাপ্পির লাশ নিচে নামিয়ে খাটে রাখেন। বাপ্পির মা রুবী বেগম বলেন, আমার ছেলেকে হত্যা করে এখন গলায় ফাঁসের নাটক সাজানো হচ্ছে। ওসি রত্নেশ্বর কুমার জানান, এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।