রাজশাহীতে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ, জামায়াতকর্মী নিহত

AI-classifiedconfidence 90%

Why this classification

This is a single, concrete incident in Rajshahi's Mohanpur area on the night of 7 March 2026, in which BNP and Jamaat supporters fought and a Jamaat worker died. The aftermath included a highway blockade, a burned motorcycle, and a chase of BNP leaders, so it qualifies as political violence.

Reported by:SamakalJugantorCorroborated · 2 sources
07/03/26•সাঁকোয়া ঈদগাহ মাঠ, মোহনপুর

Killed

1

Injured

3

Summary

২০২৬ সালের ৭ মার্চ (শনিবার) রাতে রাজশাহীর মোহনপুরে সাঁকোয়া ঈদগাহ মাঠে ইমাম নিয়োগ নিয়ে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে সংঘর্ষে জামায়াতকর্মী মো. আলাউদ্দিন নিহত হন এবং বেশ কয়েকজন আহত হন। এরপর জামায়াত নেতাকর্মীরা রাজশাহী-নওগাঁ মহাসড়ক অবরোধ করে, একটি মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দেন এবং বিএনপি নেতাদের ধাওয়া দেন।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

90% · severity 8

Perpetrator side

BNPJamaat

Victim side

Jamaat

Other actors

মো. আলাউদ্দিন (নিহত জামায়াতকর্মী)আব্দুল আওয়াল (মোহনপুর উপজেলা জামায়াত আমির)আলাউদ্দীন আলো (মোহনপুর পৌর বিএনপির আহ্বায়ক)মো. মহিউদ্দিন (মোহনপুর থানার ওসি)

Affected infrastructure

রাজশাহী-নওগাঁ মহাসড়কমোটরসাইকেল

Tags

Party ClashRally Violence

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 3

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: BNP, Jamaat

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Jamaat

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 07/03/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Samakal · 08/03/26open original ↗

রাজশাহীতে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ, জামায়াতকর্মী নিহত

রাজশাহীতে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ, জামায়াতকর্মী নিহত প্রতীকী ছবি রাজশাহী ব্যুরো প্রকাশ: ০৮ মার্চ ২০২৬ | ০০:০০ রাজশাহীর মোহনপুরে সাঁকোয়া গ্রামের ঈদগাহ মাঠে ঈদের নামাজ পড়ানোর ইমাম নিয়োগকে কেন্দ্র করে স্থানীয় জামায়াত-বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় মো. আলাউদ্দিন নামে জামায়াতের এক কর্মী নিহত হয়েছেন। শনিবার রাত ৮টার দিকে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এর জেরে জামায়াতের নেতাকর্মীরা রাজশাহী-নওগাঁ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। এ সময় তারা ধাওয়া দিলে বিএনপি নেতাকর্মীরা পালিয়ে যান। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আজ রাত ৮টায় সাঁকোয়া ঈদগাহ বড় মসজিদের তারাবির নামাজের আগে ঈদের নামাজ পড়ানোর ইমাম নিয়োগ নিয়ে আলোচনা সভা ছিল। এতে স্থানীয় জামায়াত এবং বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। উভয়পক্ষই নিজেদের পছন্দের লোক নিয়োগ করতে চাওয়ায় তর্কবিতর্ক ও উত্তেজনা তৈরি হয়। একপর্যায়ে দুপক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। বেশ কয়েকজন আহত হন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হয়। তাদের মধ্যে আহত আলাউদ্দিনকে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। তিনি জামায়াতের কর্মী বলে নিশ্চিত করেছেন দলের উপজেলা আমির আব্দুল আওয়াল। এ ঘটনার পর থেকে বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা সড়কে আগুন জ্বালিয়ে রাজশাহী-নওগাঁ অবরোধ করে রাখেন। এ ছাড়া একটি মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। মোহনপুর পৌর বিএনপির আহ্বায়ক আলাউদ্দীন আলো ঘটনাস্থলে গিয়ে সবাইকে শান্ত করার চেষ্টা করলে জামায়াতের নেতাকর্মীদের ধাওয়া খেয়ে তিনি পালিয়ে যান। মোহনপুর জামায়াতের উপজেলা আমির আব্দুল আওয়াল বলেন, বিএনপির নেতাকর্মীরা হামলা করে আমাদের এক কর্মীকে হত্যা করেছে। আমরা এর বিচার চাই। মোহনপুর পৌর বিএনপির নেতা আলাউদ্দীন আলো বলেন, গ্রামের দুপক্ষের হাতাহাতির সময় একজন মারা গেছেন। বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চলছে। কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা ও রাজশাহী-৩ আসনের এমপি শফিকুল হক মিলনকে ফোন করা হলে তিনি ধরেননি। মোহনপুর থানার ওসি মো. মহিউদ্দিন বলেন, পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে আছে। লাশ ময়নাতদন্ত করা হবে। সুরতহাল প্রতিবেদন করা হচ্ছে। দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। - বিষয় : - রাজশাহী - বিএনপি - জামায়াতে ইসলামী - সংঘর্ষে নিহত

Source 2: Jugantor · 08/03/26open original ↗

ঈদের নামাজের ইমামতি নিয়ে বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষে মুয়াজ্জিনের মৃত্যু

ঈদের নামাজের ইমামতি নিয়ে বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষে মুয়াজ্জিনের মৃত্যু Advertisement রাজশাহী ব্যুরো প্রকাশ: ০৮ মার্চ ২০২৬, ১০:৫৯ এএম রাজশাহীর মোহনপুরে ঈদের নামাজের ইমামতি করা নিয়ে বিএনপির সঙ্গে জামায়াতের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে মো. আলাউদ্দিন (৬৫) নামে একজনের মৃত্যু হয়েছে। তিনি স্থানীয় আলাউদ্দিন মডেল মসজিদের মুয়াজ্জিন ছিলেন। শনিবার (৭ মার্চ) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার সাঁকোয়া এলাকায় উপজেলা মডেল মসজিদের সামনে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মুয়াজ্জিনকে নিজেদের কর্মী দাবি করছে জামায়াত। এ ঘটনার পর স্থানীয় জামায়াতের নেতাকর্মীরা কিছুক্ষণের জন্য রাজশাহী-নওগাঁ মহাসড়ক অবরোধ করেন। এ সময় এক বিএনপি কর্মীর মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দেওয়া হয়। স্থানীয় বিএনপি কার্যালয়ও ভাঙচুর করেছে জামায়াতকর্মীরা। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। স্থানীয়রা জানান, ঈদের নামাজে ইমামতি কে করবেন; তা নিয়ে সন্ধ্যার পর মডেল মসজিদে মুসল্লিদের বৈঠক ছিল। সেখানে আলাউদ্দিনের ছেলেদের সঙ্গে বিএনপিকর্মী ওমর ফারুক, মো. রাসেল, আব্দুল করিম, আব্দুল কুদ্দুসসহ কয়েকজনের কথা কাটাকাটি হয়। এ সময় আলাউদ্দিন সেখানে এসে ছেলেদের নিয়ে যেতে চান। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে বিএনপির কর্মীরা আলাউদ্দিনকে ফেলে দিয়ে তার বুকের ওপর উঠে বসেন। ঘটনাস্থলেই আলাউদ্দিনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় তারা মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। উপজেলা জামায়াত আমির আব্দুল আউয়াল বলেন, আলাউদ্দিনের পুরো পরিবার জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। আলাউদ্দিন নিজেও তাদের দলের কর্মী। তবে পুলিশ বলছে, আলাউদ্দিনের ছেলেরা জামায়াতে ইসলামী করলেও তিনি নিজে বিএনপির সমর্থক ছিলেন। আর আলাউদ্দিন স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে মারা যেতে পারেন বলেও ধারণা করছে পুলিশ। জেলা পুলিশের মুখপাত্র ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, আমরা প্রাথমিকভাবে যেটা তথ্য পাচ্ছি তা হলো আলাউদ্দিন বিএনপির সমর্থক ছিলেন। তবে তার ছেলেরা জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতি করেন। দুপক্ষের কথা কাটাকাটি বন্ধ করতে গিয়ে আলাউদ্দিন স্ট্রোক করে মারা গেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ঘটনার পর রাতে মহাসড়ক অবরোধ করা হয়েছে। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আলাউদ্দিনের মৃত্যু নিয়ে কারো কোনো অভিযোগ থাকলে ময়নাতদন্ত হবে। ঘটনার পর তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে পরিবারের সদস্যরা লাশ বাড়ি নিয়ে গেছেন। অভিযোগ থাকলে লাশ বাড়ি থেকেই পুলিশ হেফাজতে নিয়ে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হবে। ঘটনার পর ঘটনাস্থলে যান মোহনপুরের কেশরহাট পৌর বিএনপির সভাপতি আলাউদ্দিন আলো। সেখানে তিনি জামায়াতকর্মীদের তোপের মুখে পড়েন। বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে তার মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে নম্বরটি বন্ধ পাওয়া গেছে।