কাফরুলে যুবদল কর্মীকে গুলি করে হত্যা, সদস্য সচিবও গুলিবিদ্ধ

AI-classifiedconfidence 94%

Why this classification

The article reports a shooting of a Jubo League worker and a stabbing of a BNP leader, both occurring within the last 24 hours in Dhaka. The presence of party-affiliated victims and alleged perpetrators makes this a clear case of political violence.

Reported by:SamakalSingle source
24/07/26•Kafrul (Mirpur 13) & Kadamtoli (Matuail Medical Road)

Killed

1

Injured

2

Summary

২৪ জুলাই কাফরুলে যুবদল কর্মী ইউসুফ বেপারী গুলি হেরে মারা যান, সদস্য সচিব হাফিজুর রহমান গুলিবিদ্ধ হন; একই দিনে কদমতলীতে বিএনপি নেতা শামসুদ্দিন খান ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হন।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

94% · severity 8

Perpetrator side

Awami LeagueLocals

Victim side

Awami LeagueBNP

Other actors

ইউসুফ বেপারীহাফিজুর রহমানশামসুদ্দিন খানআজিমউদ্দিন খানমো. সুজনমনির হোসেনএসআই সাইফুল ইসলামমো. ফারুক

Affected infrastructure

Shere Bangla Government Primary School gate

Tags

Political AssassinationParty Clash

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 2

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Awami League, Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Awami League, BNP

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 24/07/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Samakal · 25/07/26open original ↗

কাফরুলে যুবদল কর্মীকে গুলি করে হত্যা, সদস্য সচিবও গুলিবিদ্ধ

কাফরুলে যুবদল কর্মীকে গুলি করে হত্যা, সদস্য সচিবও গুলিবিদ্ধ কদমতলীতে বিএনপি নেতাকে ছুরিকাঘাত প্রতীকী ছবি সমকাল প্রতিবেদক প্রকাশ: ২৫ জুলাই ২০২৬ | ০১:৪০ রাজধানীর কাফরুল এলাকায় দুর্বৃত্তদের এলোপাতাড়ি গুলিতে স্থানীয় যুবদলের কর্মী ইউসুফ বেপারী (৩২) নিহত হয়েছেন। গতকাল শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাতে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় কাফরুল থানা যুবদলের সদস্য সচিব হাফিজুর রহমানও গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। এ ঘটনায় অস্ত্রধারী এক হামলাকারীকে স্থানীয় জনতা আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে। অন্যদিকে রাজধানীর কদমতলীতে শামসুদ্দিন খান নামে স্থানীয় এক বিএনপি নেতাকে প্রকাশ্যে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। কাফরুল থানার ডিউটি অফিসার এসআই সাইফুল ইসলাম জানান, গুলিতে দুজন আহত হওয়ার খবর পেয়ে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে যান। ঘটনার পেছনে মূল কারণ কী এবং কারা এর সঙ্গে জড়িত, তা বিস্তারিত জানার চেষ্টা চলছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল রাত সাড়ে ১১টার দিকে কাফরুলের মিরপুর ১৩ নম্বর এলাকায় শেরে বাংলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গেটের সামনে এই গুলির ঘটনা ঘটে। স্থানীয় বাসিন্দা ও বিএনপি কর্মী মো. সুজন জানান, রাতে হাফিজুর ও ইউসুফসহ কয়েকজন স্কুলের গেটের সামনে দাঁড়িয়ে আড্ডা দিচ্ছিলেন। এ সময় হঠাৎ তিনজন অস্ত্রধারী দুর্বৃত্ত এসে তাঁদের লক্ষ্য করে পরপর কয়েক রাউন্ড গুলি চালায়। এতে দুজনের শরীরে গুলি লাগে। তাঁদের মধ্যে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ইউসুফকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। তাঁর বুকের মাঝামাঝি গুলি লেগেছিল। গুলিবিদ্ধ অপরজন হাফিজুর অন্য একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। স্বজনরা জানান, নিহত ইউসুফের বাবার নাম শাহজাহান বেপারী। তাঁদের গ্রামের বাড়ি বরিশালের উজিরপুর উপজেলায়। তিনি পরিবারসহ রাজধানীর মিরপুর এলাকায় থাকতেন। এদিকে ঘটনাস্থলে দুজন নেতাকর্মী গুলিবিদ্ধ হওয়ার পাশাপাশি মনির হোসেন নামে এক পথচারীও আহত হয়েছেন। ঢামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মনির জানান, একটি গুলি প্রথমে অন্য বস্তুতে লাগার পর ছিটকে এসে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, গুলিবিদ্ধ মো. ইউসুফকে হাসপাতালে আনা হলে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে রাত ১২টার দিকে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে। কদমতলীতে বিএনপি নেতা ছুরিকাঘাতের শিকার রাজধানীর কদমতলীতে শামসুদ্দিন খান নামে বিএনপির এক স্থানীয় নেতা দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হয়েছেন। গতকাল শুক্রবার দুপুরে মাতুয়াইল মেডিকেল রোডে এ ঘটনা ঘটে। আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহত শামসুদ্দিনের ভাই আজিমউদ্দিন খান জানান, তাঁর ভাই মাতুয়াইল মাতৃসদন ইউনিট বিএনপির সভাপতি এবং শামীমবাগ পঞ্চায়েত কমিটির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন। গতকাল দুপুরে জুমার নামাজের উদ্দেশ্যে তিনি বাসা থেকে বের হয়েছিলেন। মাতুয়াইল মেডিকেল রোডে পৌঁছালে হঠাৎ পেছন থেকে স্থানীয় এক যুবক তাঁকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে সজোরে ছুরিকাঘাত করেন। তিনি অভিযোগ করে আরও বলেন, স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা শামীম ওরফে ‘পেটকাটা শামীম’-এর সঙ্গে তাঁর ভাইয়ের দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক বিরোধ ও দ্বন্দ্ব চলছিল। সেই বিরোধের জেরে কয়েকজন পরিকল্পিতভাবে তাঁর ভাইকে হত্যার উদ্দেশ্যে এই ছুরিকাঘাত করেছে। - বিষয় : - রাজধানী - যুবদল নেতা