হাসপাতালে ভর্তি সেই নারীর খোঁজ নিলেন ড. ইউনূস

AI-classifiedconfidence 65%

Why this classification

A 35-year-old woman alleges that on Friday night she was raped and beaten by a Jubo Dal leader and a BNP leader at a settlement project in Hatia, and she was hospitalised with injuries. The accused deny the allegations and police say they have no information about rape, but the article reports a specific, concrete attack with injured people, so it counts as a violent incident.

Reported by:SamakalSingle source
14/02/26•ধানসিঁড়ি আশ্রয়ণ প্রকল্প, চানন্দী ইউনিয়ন, হাতিয়া

Killed

0

Injured

1

Summary

নোয়াখালীর হাতিয়ার ধানসিঁড়ি আশ্রয়ণ প্রকল্পে ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (শুক্রবার) রাতে এক ৩৫ বছর বয়সী নারীকে ধর্ষণ ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে, যা তিনি নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হয়ে জানিয়েছেন। অভিযুক্ত হিসেবে যুবদল ও বিএনপি নেতাদের নাম উঠেছে, তবে তারা অভিযোগ অস্বীকার করেছে এবং পুলিশ ধর্ষণের কোনো তথ্য জানা নেই বলে জানিয়েছে।

AI analysis

Category

Gender-Based Violence

Confidence

65% · severity 6

Perpetrator side

BNP

Victim side

Locals

Other actors

রহমান হোসেন (চানন্দী ইউনিয়ন যুবদল নেতা, ৩০)ইমরান হোসেন ওরফে কালা ইমরান (বিএনপি নেতা, ৪০)৩৫ বছর বয়সী ভুক্তভোগী নারীহাতিয়া থানার ওসি মো. সাইফুল আলম

Tags

RapeElection Violence

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: BNP

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 14/02/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Samakal · 16/02/26open original ↗

হাসপাতালে ভর্তি সেই নারীর খোঁজ নিলেন ড. ইউনূস

নোয়াখালীর হাতিয়া হাসপাতালে ভর্তি সেই নারীর খোঁজ নিলেন ড. ইউনূস ছবি: ফাইল নোয়াখালী প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ০৮:৪৭ নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে গত শনিবার বিকেলে এক নারী এসে বলেছিলেন, তাঁকে ধর্ষণ করা হয়েছে। গতকাল সকালেও একই কথা বলেন। তবে দুপুরে বলেন, তাঁকে ধর্ষণচেষ্টা করা হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ওই নারীর সঙ্গে ভিডিও কলে গতকাল দুপুর সোয়া ১২টার দিকে কথা বলে খোঁজখবর নেন। নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে কর্মরত পুলিশের এসআই এম এ ওয়াদুদ রোববার সন্ধ্যায় সমকালকে বলেন, শনি ও রোববার সকালে ওই নারী বলেছিলেন, তাঁকে ধর্ষণ করা হয়েছে। রোববার দুপুরে বলেন, তাঁকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছিল। তাঁর স্বামী নিখোঁজ রয়েছেন। তাঁকে পাওয়া গেলে থানায় অভিযোগ দেবেন। ওসিসির আইনজীবী মহসিনা আক্তার সিমু বলেন, রোববার সকালে আমি ওই নারীর শয্যাপাশে গিয়ে ঘটনা সম্পর্কে জানতে চাই। তিনি বলেছিলেন, তাঁকে ধর্ষণ করা হয়েছে। এরপর দুপুর দেড়টার দিকে গিয়ে তাঁকে ফের জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, আমাকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে। আইনজীবী আরও বলেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নারীর নমুনা সংগ্রহ করেছে। পুলিশের তলবনামা পেলে তারা স্বাস্থ্য পরীক্ষা করবে। তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় চাইলে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করতে পারে। সে ক্ষেত্রে হাতিয়া থানার পুলিশ বাদী হবে। এ বিষয়ে হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল আলম জানান, রোববার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। স্থানীয় ধানসিঁড়ি আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জেনেছেন, ওই নারীকে মারধর করা হয়েছে। ধর্ষণের কোনো ঘটনা ঘটেছে– এমন তথ্য তাদের জানা নেই। এর পরও পুলিশ ঘটনাটি অধিকতর তদন্ত করছে। গতকাল সকালে হাসপাতালে গিয়ে খোঁজখবর নিয়েছেন পুলিশ সুপার টি এম মোশাররফ হোসেন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর আলো ও জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. হারুনুর রশিদ আজাদ। শনিবার রাতে নোয়াখালী-৬ আসনের সদ্য নির্বাচিত সংসদ সদস্য আব্দুল হান্নান মাসউদ হাসপাতালে গিয়ে ওই নারীর খোঁজ নেন। শনিবার ওই নারী অভিযোগ করেন, হাতিয়া উপজেলার একটি আশ্রয়ণ প্রকল্পে শুক্রবার রাত ১১টার দিকে তাঁকে ধর্ষণ করা হয়। অসুস্থ অবস্থায় শনিবার বিকেলে নোয়াখালী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। ৩৫ বছরের ওই নারী অভিযোগ করে বলেন, নির্বাচনে তিনি শাপলা কলিকে ভোট দেওয়ায় তাকে ধর্ষণ ও মারধর করা হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, চানন্দী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবদল নেতা রহমান হোসেন (৩০), বিএনপি নেতা ইমরান হোসেন ওরফে কালা ইমরান (৪০) তাঁকে নির্যাতন করে। এদের মধ্যে কালা ইমরানসহ দুজন দরজায় দাঁড়িয়ে থেকে পাহারা দেয় এবং রহমান তাঁকে ধর্ষণ করে। ফের শনিবার সকাল ৬টার দিকে তাঁকে মারধর এবং ধর্ষণের চেষ্টা করে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত চানন্দী ইউনিয়ন যুবদল নেতা রহমান হোসেন (৩০) বলেন, আমি ওই নারীকে চিনি না। আমি শুক্রবার রাত ৮টার দিকে প্রকল্প বাজারে যাচ্ছিলাম। পথে সন্ত্রাসী আকবর মাঝি, হেলাল, নিজামসহ আরও চার-পাঁচজন আমাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করেছে। তারা এনসিপির সমর্থক। নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ভর্তি রেজিস্টারে দেখা যায়, রহমান হোসেন শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে মাথায় ও শরীরে আঘাত নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। রেজিস্টারে উল্লেখ রয়েছে, তিনি শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে শারীরিকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছেন। এ বিষয়ে চানন্দী ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি মাহবুবুর রহমান বলেন, চানন্দী ইউনিয়নে ভাঙচুর কিংবা ধর্ষণের ঘটনা ঘটেনি। আব্দুর রহমান যুবদল কর্মী ও ইমরান হোসেন ওরফে কালা ইমরান চানন্দীর ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি। দলকে কলুষিত করার জন্য এনসিপির লোকজন মিথ্যাচার করছে। এনসিপি জেলা সমন্বয়ক তুহিন ইমরান ও সদস্য সচিব কাজী মাঈন উদ্দিন তানভীর বলেন, এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, বিধি অনুযায়ী থানা পুলিশ কিংবা আদালত থেকে নারীর ধর্ষণ পরীক্ষা করে প্রতিবেদনের জন্য চিঠি দেওয়া। আমরা মেডিকেল বোর্ড গঠন করে রেখেছি। কিন্তু থানা পুলিশ কিংবা আদালত থেকে কোনো চিঠি পাইনি। তিনি আরও বলেন, ওই নারী শনিবার দুপুর ১টা ৫০ মিনিটে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে এসে শারীরিকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হওয়ার কথা বলে চিকিৎসা নিয়ে চলে গেছেন। একই দিন বিকেল ৫টা ৫ মিনিটে এসে জরুরি বিভাগে চিকিৎসা কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমানের কাছে বলেন, তিনি ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। অন্যদিকে রহমান হোসেন নামে এক ব্যক্তি শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে জরুরি বিভাগে এসে জানান, সন্ধ্যা ৭টার দিকে তিনি মারধরে আহত হয়েছেন। নোয়াখালী জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. হারুনুর রশিদ আজাদ বলেন, ‘ঘটনাটি দুঃখজনক। নারীর ওপর আক্রমণ ও নির্যাতন কোনোভাবে কাম্য নয়। অপরাধী যেই হোক, তাকে শাস্তি পেতে হবে।’ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন-অর্থ) আবু তৈয়ব বলেন, হাসপাতালে ওই নারীর নিরাপত্তায় তিন নারী পুলিশ ও একজন কর্মকর্তা নিয়োজিত রয়েছেন। - বিষয় : - নোয়াখালী