সিলেটে ওসমানীর ওটি রুমে মারামারি বিচার দাবি
Why this classification
যেহেতু ঘটনাটি বাংলাদেশের সিলেটে সম্প্রতি ঘটেছে এবং এতে হাসপাতালের ওয়ার্ডবয়ের সঙ্গে নার্সিং শিক্ষার্থীদের মারামারি, ভাঙচুর ও তিনজন আহত হয়েছে, তাই এটি সহিংস ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
Killed
0
Injured
3
Summary
সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইন্টার্ন নার্সিং শিক্ষার্থীদের যৌন হয়রানির জেরে বুধবার ওয়ার্ডবয়ের সঙ্গে মারামারি ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এতে তিনজন নার্সিং শিক্ষার্থী আহত হন।
AI analysis
Category
Gender-Based Violence
Confidence
95% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 3
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Hospital Staff (Wardboys)
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Nursing Students
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 01/07/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
ওসমানী হাসপাতাল ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার
ওসমানী হাসপাতাল ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে কর্মবিরতি প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন চিকিৎসকরা। ছবি: সমকাল সিলেট ব্যুরো প্রকাশ: ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ | ১৫:১৪ | আপডেট: ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ | ১৫:১৬ সিলেটের ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিক্ষানবিশ চিকিৎসকের ওপর হামলার ঘটনার প্রতিবাদে অনির্দিষ্টকালের ডাকা কর্মবিরতি প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। আজ রোববার বেলা ২টার দিকে মেডিকেল কলেজের সামনে কর্মবিরতি প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন চিকিৎসকরা। এর আগে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠকের পর দাবি পূরণের আশ্বাস পান তারা। গত শুক্রবার রাতে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলার ঘটনার পর তারা কর্মবিরতি শুরুর ঘোষণা দেন। আগামীকাল সোমবার সকাল থেকে কাজে যোগ দেবেন বলে জানিয়েছেন শিক্ষানবিশ চিকিৎসক ডা. মোহাম্মদ সাদিক। বৈঠকে চিকিৎসকরা আট দফা দাবি পেশ করেন। দাবিগুলো হলো- হাসপাতালে প্রতিটি অ্যাডমিশন ইউনিটে ২ জন (একজন পুরুষ ওয়ার্ড ও একজন মহিলা ওয়ার্ড) করে প্রশিক্ষিত আনসার নিয়োজিত রাখা এবং সকালের এক ঘণ্টা পর পর টহল টিম থাকা, যারা প্রতিটি ওয়ার্ডে গিয়ে তদারকি করবে। রাতে অন কল ইন ইমার্জেন্সি হিসেবে ফোর্স প্রস্তুত থাকা। রোগীর সঙ্গে সর্বোচ্চ ২ জন এটেন্ডেন্ট থাকতে পারবে। শীতকালীন ও গ্রীষ্মকালীন আলাদা সময়ে ভিসিটিং টাইম চালু করতে হবে। সেক্ষেত্রে কোনো অবস্থায় একজন রোগীর সঙ্গে ২ জনের বেশি এটেন্ডেন্ট থাকতে পারবে না। পরিচালকের সঙ্গে প্রতি মাসে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের একটা মাসিক সভার ব্যবস্থা করতে হবে। হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের সাথে সর্বদা মিডলেভেল ডাক্তার থাকতে হবে, বিশেষ করে এডমিশনের দিন। অধিকাংশ সহকারী রেজিস্ট্রার ইন্টার্ন চিকিৎসকদের শিক্ষানবিশ সময়ে তাদের প্রয়োজনীয় শিখানোর ব্যাপারে উদাসীন থাকেন, এ বিষয়ে তাদেরকে আরও দায়িত্বশীল হতে হবে। হাসপাতালে যে পুলিশ বিভাগ নিয়োজিত আছে তাদেরকে হাসপাতালের নিরাপত্তার পরিবেশ সুন্দর রাখতে আরও দায়িত্বশীল ও কার্যকর করতে হবে। নিয়মিত ভিত্তিতে হাসপাতালে নিয়োজিত আনসার ও আউটসোর্সিং কর্মকর্তাদের বিভিন্ন ওয়ার্ডে রোটেশন করতে হবে এবং হাসপাতালে ঔষধ কোম্পানির স্বাধীন প্রবেশাধিকার বন্ধ করতে হবে, প্রয়োজনে নির্ধারিত ভিসিটিং আওয়ার-এর ব্যবস্থা করতে হবে। এদিকে হাসপাতালে অপ্রীতির ঘটনার পর বিভিন্ন ওয়ার্ডে শিক্ষানবিশ চিকিৎসকরা অনুপস্থিত থাকায় অন্য চিকিৎসক ও স্টাফ সেবা দিচ্ছেন। কিন্তু তা পর্যাপ্ত নয় বলে জানিয়েছেন রোগীর স্বজনরা। তারা জানান, চিকিৎসা সেবায় ভোগান্তি পেতে হচ্ছে। তবে ওসমানী মেডিকেল কলেজের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল উমর রাশেদ মুনির জানিয়েছেন, সেবা যাতে বিঘ্নিত না হয় তারা সে চেষ্টাও করছেন। তিনি জানান, ইন্টার্ন চিকিৎসকরা তাদের দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাস দেওয়ার পর কর্মবিরতি প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। তাদের নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। ইতোমধ্যে হাসপাতালের বিভিন্ন স্পর্শকাতর এলাকায় সার্বক্ষণিক আনসার মোতায়েনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। গত শুক্রবার রাতে হাসপাতালের চতুর্থ তলার চার নম্বর সার্জারি ওয়ার্ডে ছাতক থেকে এক নারী ব্যথার কারণে ভর্তি হন। ওই সময় শিক্ষানবিশ চিকিৎসক অন্য ওয়ার্ডে অন্য রোগী দেখছিলেন। দেরি হওয়া নিয়ে ওই নারী রোগীর স্বজনদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হয়। একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, রোগীর স্বজনরা মারমুখী হয়ে চিকিৎসকের ওপর হামলা ও আরেক নারী শিক্ষানবিশ চিকিৎসককে হেনস্তা করছেন। আরেক রোগীর এক স্বজন তাদের সামলানোর চেষ্টা করছেন। হাতে একটি ক্রাস নিয়ে রোগীর ওই স্বজন মারধর ও ভাঙচুরের চেষ্টা করেন। ঘটনার পর পুলিশ সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলার কৈতক গ্রামের শিমুল আহমদ, তার স্ত্রী নাজিরা সিদ্দিকা ও দৌলতপুর গ্রামের জাবেদ মিয়াকে আটক করে। ওই সময় তাদেরকে মারধরও করেন চিকিৎসক ও স্টাফরা। গতকাল শনিবার বিকেলে তাদেরকে ৫৪ ধারায় আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাইনুল জাকির। তিনি জানান, কেউ মামলা না করায় সন্দেহভাজন হিসেবে তাদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। - বিষয় : - সিলেট - ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
সিলেটে ওসমানীর ওটি রুমে মারামারি বিচার দাবি
ইন্টার্ন ছাত্রীদের উত্ত্যক্তের জের সিলেটে ওসমানীর ওটি রুমে মারামারি বিচার দাবি Advertisement সিলেট ব্যুরো প্রকাশ: ০৩ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইন্টার্ন ডিউটিরত ছাত্রীদের যৌন হয়রানিকে কেন্দ্র করে হাসপাতালের ওয়ার্ডবয় এবং ইন্টার্ন নার্সিং শিক্ষার্থীদের মধ্যে মারামারি ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে এবং দোষীদের বিচার দাবিতে বৃহস্পতিবার ইন্টার্ন নার্সিং শিক্ষার্থীরা হাসপাতালের সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন। বিক্ষোভ শেষে তারা হাসপাতালের পরিচালকের কাছে একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন। এর আগে বুধবার দুপুরে হাসপাতালের আউটডোর বিল্ডিংয়ের নিচতলায় সার্জিক্যাল মাইনর ওটির (অপারেশন থিয়েটার) ড্রেসিং রুমে এ হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় আহত ইন্টার্ন নার্সিং শিক্ষার্থীরা হলেন-সুরমা নার্সিং কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র তাহমিদ, আল-আমিন নার্সিং কলেজের ছাত্র রবিউল আউয়াল শুভ ও ওয়েসিস নার্সিং ইনস্টিটিউটের ডিপ্লোমা ইন নার্সিংয়ের ছাত্র প্রীতম রঞ্জন দাস। আহত তিনজনই বর্তমানে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ক্যাজুয়ালিটি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, হাসপাতালে ইন্টার্ন ডিউটিরত বেসরকারি নার্সিং কলেজের দুই ছাত্রীকে হাসপাতালের আউটসোর্সিং স্টাফ ও ওয়ার্ডবয় জামাল এবং অঞ্জন সরকার প্রায়ই উত্ত্যক্ত ও অশোভনীয় আচরণ করতেন। ভুক্তভোগী ছাত্রীরা বিষয়টি তাদের ইন্টার্ন অ্যাসোসিয়েশনের নেতাদের জানালে তাহমিদ ও প্রীতম রঞ্জন দাশের নেতৃত্বে কয়েক ছাত্র মাইনর ওটির ড্রেসিং রুমে গিয়ে নার্সিং স্টাফ মো. জাহাঙ্গীরের কাছে কথা বলতে যান। কথাবার্তার একপর্যায়ে ওয়ার্ডবয় জামাল উত্তেজিত হয়ে উঠলে উভয় পক্ষের মধ্যে হট্টগোল ও মারামারি শুরু হয়। মারামারির সময় ওটি রুমের কাচ ও বিভিন্ন চিকিৎসাসামগ্রী ভাঙচুর হয় এবং তিন ইন্টার্ন শিক্ষার্থী আহত হন।
