টাঙ্গাইলে শিশু মারিয়াকে ধর্ষণ ও হত্যা, ৩ কিশোর আটক
Why this classification
This incident was classified as gender-based violence in Tangail. Parties reported: Victim: Maria Mim, Perpetrators: Sajid, Perpetrators: Mridul, Perpetrators: Raihan Kabir. Reported casualties: 1 killed and 0 injured. Reported by 1 source.
Killed
1
Injured
0
Summary
টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে নিখোঁজের ৫ দিন পর ১ ফেব্রুয়ারি শিশু মারিয়ার বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে ৩ কিশোর সাজিদ, মৃদুল ও রায়হানকে আটক করা হয়েছে এবং তারা আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছে।
AI analysis
Category
Gender-Based Violence
Confidence
74% · severity 9
Parties involved
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 01/02/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
মালার পুঁতিতে উদঘাটন হয় নৃশংস হত্যাকাণ্ডের রহস্য
নিখোঁজ থাকার পাঁচ দিন পর টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলায় তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ুয়া শিশু মারিয়া মিমের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পাশের একটি পরিত্যক্ত ঘর থেকে উদ্ধার হওয়া মালার ছেঁড়া পুঁতি ও ব্যবহৃত কনডমই এই নৃশংস ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হিসেবে কাজ করে। পুলিশ জানায়, উদ্ধার হওয়া পুঁতিগুলো মারিয়ার গলার মালার অংশ— যা তার মা নিশ্চিত করেন। এ সূত্র ধরেই তদন্তে নতুন মোড় নেয়। পরে মারিয়া হত্যার প্রতিবাদে আয়োজিত মানববন্ধন থেকে সাজিদ (১৪) নামের এক কিশোরকে কৌশলে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে সে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে এবং আরও দুই কিশোরের নাম প্রকাশ করে। সাজিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ রাতভর অভিযান চালিয়ে বাড়ইপাড়া গ্রামের মজনু মিয়ার ছেলে মৃদুল (১৬) ও আব্দুর রহমানের ছেলে রায়হান কবীরকে (১৬) আটক করে। মঙ্গলবার বিকেলে তাদের আদালতে হাজির করলে সন্ধ্যায় টাঙ্গাইল সংশ্লিষ্ট আদালতের বিজ্ঞ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সাগর তালুকদার, জান্নাতুন নাঈম মিতু ও সুরাইয়া পৃথকভাবে তিনজনের জবান বন্দি রেকর্ড করেছেন। কোর্ট ইন্সপেক্টর সাজ্জাদ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। পুলিশ ও আদালত সূত্র জানায়, ঘটনার দিন মারিয়াকে মুখ চেপে নির্যাতনের একপর্যায়ে সে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মারা যায়। পরে মরদেহ গুম করার জন্য পাশের একটি পরিত্যক্ত ঘরের স্টিলের ট্রাঙ্কে লাশ লুকিয়ে রাখা হয়। উল্লেখ্য, গত ২৬ জানুয়ারি বিকেল ৩টার দিকে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় মারিয়া। খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে প্রথমে সাধারণ ডায়েরি এবং পরে ১ ফেব্রুয়ারি ধনবাড়ী থানায় মামলা করেন তার বাবা উজ্জ্বল। রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) ভোরে যদুনাথপুর ইউনিয়নের বাড়ইপাড়া গ্রামে মৃত শাহাদত হোসেনের পরিত্যক্ত ঘর থেকে দুর্গন্ধ পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পরে ওই ঘরের ভেতরে থাকা স্টিলের ট্রাঙ্ক থেকে মারিয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত মারিয়া বাড়ইপাড়া গ্রামের হতদরিদ্র উজ্জ্বলের সন্তান। সে বাবা-মায়ের সঙ্গে নানাবাড়ির একটি ছোট ঘরে বসবাস করত। এ ঘটনায় শুরুতে সন্দেহভাজন হিসেবে সুমন (২৬) ও রাফিউল (২২) নামের দুজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তবে তদন্তে প্রকৃত ঘটনার সঙ্গে জড়িত কিশোরদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়। ধনবাড়ী থানার ওসি নুরুস সালাম সিদ্দিক জানান, ‘অভিযোগ পাওয়ার পর ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই অপরাধীদের আটক করা হয়েছে। তারা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।’ সহকারী পুলিশ সুপার (মধুপুর সার্কেল) আরিফুল ইসলাম বলেন, ‘অপরাধীরা সবাই কিশোর। তাই সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী আদালতের নির্দেশনা মেনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’ নিহত শিশুর মা জবেদা, নানা ময়নাল হোসেন, স্থানীয় ইউপি সদস্য মিজানুর রহমানসহ এলাকাবাসী দ্রুত বিচার ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
