শ্যামনগরে কৃত্রিম প্রজনন কর্মীকে জিম্মি করে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

A man was forcibly seized and held in an unknown place, and the kidnappers demanded 2 million taka ransom, which is a serious violent crime against a person. The incident happened on 2 May 2026, within the recent window. The article reports no political, mob, gender, terrorist, or communal motive.

Reported by:SamakalDhaka PostCorroborated · 2 sources
02/05/26•Sundarban Bazar area, Shyamnagar

Killed

0

Injured

0

Summary

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে শনিবার (২ মে ২০২৬) সকালে রোগী দেখতে বের হওয়ার পর কৃত্রিম প্রজনন কর্মী অনিমেষ পরমান্য নিখোঁজ হন। পরে তাকে জিম্মি করে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়, এবং পুলিশ অভিযান চালিয়ে একটি পরিত্যক্ত বাড়ির সন্ধান পেলেও তাকে উদ্ধার করতে পারেনি।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

85% · severity 5

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Locals

Other actors

Animesh Paramanya (artificial insemination worker, victim)Priyanath Paramanya (victim's brother, filed GD)Subrata Paramanya (victim's nephew)Khalil Hossain (co-buyer in land deal)Amanat Gazi (broker/representative)Subrata Kumar Biswas (Upazila Livestock Officer)Md. Khaledur Rahman (OC, Shyamnagar Thana)Unidentified kidnappers

Tags

ExtortionLand Dispute

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 02/05/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Samakal · 03/05/26open original ↗

শ্যামনগরে কৃত্রিম প্রজনন কর্মীকে জিম্মি করে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি

শ্যামনগরে কৃত্রিম প্রজনন কর্মীকে জিম্মি করে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি অনিমেষ পরমান্য শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৩ মে ২০২৬ | ১৩:৩৪ | আপডেট: ০৩ মে ২০২৬ | ১৩:৩৪ সাতক্ষীরার শ্যামনগরে অনিমেষ পরমান্য (৫০) নামের এক এআই (কৃত্রিম প্রজনন কর্মী) কর্মীকে জিম্মি করে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেছে দুষ্কৃতিকারীরা। গতকাল শনিবার বেলা ১০টার দিকে রোগী দেখার জন্য বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর থেকে তিনি নিখোঁজ হন। পরবর্তীতে সন্ধ্যায় ৭টায় তার স্ত্রীর মোবাইলে কল দিয়ে মুক্তিপণ বাবদ ২০ লাখ টাকা দাবি করা হয়। এ ঘটনায় অনিমেষ পরমান্যের ভাই প্রিয়নাথ পরমান্য শ্যামনগর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। অনিমেষ উপজেলার কৈখালী ইউনিয়নের বৈশখালী গ্রামের মৃত নিতাই পরমান্যের ছেলে। প্রিয়নাথ পরমান্যের ভাষ্য, গতকাল শনিবার সকাল ১০টার দিকে তার দাদা রোগী দেখতে বাড়ি থেকে বের হয়েছিল। দীর্ঘক্ষণ পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ না করায় তারা অনিশেশের মোবাইলে কল দিয়ে তা বন্ধ পান। একপর্যায়ে স্বজনরা উদ্বিগ্ন হয়ে খোঁজ-খবর নিতে শুরু করেন। সন্ধ্যা ৭টার দিকে অনিমেষের ফোন দিয়ে অপরিচিত এক ব্যক্তি তাকে জিম্মি করার বিষয়টি নিশ্চিত করে। এসময় তারা মুক্তিপণ বাবদ ২০ লাখ টাকা দাবি করে বিষয়টি গোপন রাখার ব্যাপারে তাদের সতর্ক করেন। রাত ১০টার দিকে শ্যামনগর থানায় গিয়ে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার পর পুলিশ রাতেই উপজেলার সুন্দরবন বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়েও অনিমেষকে উদ্ধার করতে পারেনি। এদিকে অনিমেষের ভাইপো সুব্রত পরমান্য জানান, আজ রোববার তার কাকা অনিমেষ ও প্রতিবেশী ফজলুল হকের ছেলে খলিলের যৌথভাবে একটি জমি ক্রয়ের দিনক্ষণ নির্ধারিত ছিল আজ রোববার। ২২ লাখ টাকা মূল্যমানের দলিলের খসড়া চূড়ান্ত করার জন্য গতকাল শনিবার খলিলের নিযুক্ত প্রতিনিধি আমানত গাজীর সঙ্গে তার (অনিমেষের) শ্যামনগর সদরে যাওয়ার কথা ছিল। জমি ক্রয়ের জন্য গচ্ছিত টাকা হাতিয়ে নেওয়ার জন্য তার কাকাকে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে রাখা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা সুব্রত কুমার বিশ্বাস জানান, অনিমেষ পরমান্য কৈখালী ইউনিয়নের কৃত্রিম প্রজনন কর্মী হিসেবে দায়িত্বরত। তার নিখোঁজ হওয়াসহ পরবর্তী নানা ঘটনায় সহকর্মীদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। গতকাল শনিবার রাতেই থানায় গিয়ে পুলিশের সহায়তা চাওয়া হয়েছে। এদিকে খলিল হোসেনের ভাষ্য, তারা তিনজন মিলে সাড়ে ২২ লাখ টাকায় একটি জমি কিনতে চেয়েছিলেন। স্থানীয় দালাল আমানত গাজীকে সঙ্গে নিয়ে অনিমেষের শনিবার দুপুরের আগে শ্যামনগর যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ডাকাতরা তাকে অপহরণ করার কারনে আজ রোববার জমি রেজিস্ট্রি হচ্ছে না। তবে অনিমেষ অপহরণের সঙ্গে নিজের কোনো সম্পৃক্ততার কথা তিনি অস্বীকার করেন। শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. খালেদুর রহমান জানান, অনিমেষের পরিবারের কাছে আসা ফোনকলের লোকেশনসহ নির্ধারণের পর আশপাশের এলাকায় শনিবার দিবাগত রাত তিনটা পর্যন্ত অভিযান চালানো হয়েছে। সেখানে একটি পরিত্যক্ত বাড়ির সন্ধান মিলেছে। তিনি আরও জানান, পুলিশ গুরুত্বের সঙ্গে বিষয়টি তদন্ত করছে। সবগুলো সম্ভাবনাকে মাথায় রেখে অনিমেষের নিখোঁজ ঘটনা উদঘাটনের চেষ্টা চলছে। - বিষয় : - সাতক্ষীরা

Source 2: Dhaka Post · 04/05/26open original ↗

দুই দিন জিম্মির পর সুন্দরবন থেকে এআই কর্মী উদ্ধার, আটক ৩

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে মুক্তিপণের দাবিতে অপহৃত কৃত্রিম প্রজনন (এআই) কর্মী অনিমেষ পরমান্যকে (৫০) দুইদিন পর উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। সোমবার (৪ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের সুন্দরবন বাজার এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া এআই কর্মী অনিমেষ পরমান্য শ্যামনগর উপজেলার কৈখালী ইউনিয়নের বৈশখালী গ্রামের মৃত নিতাই পরমান্যের ছেলে। তার বয়স প্রায় ৫০ বছর। তিনি স্থানীয়ভাবে কৃত্রিম প্রজনন (এআই) কর্মী বা টেকনিশিয়ান হিসেবে গবাদিপশুর প্রজনন সেবা প্রদান করে আসছিলেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার (২ মে) দুপুরে গরুর চিকিৎসার কথা বলে অনিমেষ পরমান্যকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় একটি সংঘবদ্ধ চক্র। পরে তাকে সুন্দরবনের ভেতরে নিয়ে গিয়ে একটি নৌকায় জিম্মি করা হয়। এ সময় তার মোবাইল ফোন ব্যবহার করে পরিবারের কাছে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। এ বিষয়ে শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ অভিযান শুরু করে। রোববার রাতে অভিযান চলাকালে অপহরণকারীরা সোমবার সকালে ভুক্তভোগীকে সুন্দরবন বাজার এলাকায় ছেড়ে দেয়। পরে শাহিনুর রহমান নামের একজনকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে স্থানীয়দের সহযোগিতায় জব্বার গাজী ও মাহমুদুল হাসান ডনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। বর্তমানে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে এবং ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্তে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। উদ্ধার হওয়া অনিমেষ পরমান্য জানান, তাকে দুইদিন নৌকায় বেঁধে রাখা হয় এবং মুক্তিপণের টাকা না দেওয়ায় মারধরও করা হয়। পুলিশ বলছে, ঘটনাটি তদন্ত করে পুরো চক্রকে আইনের আওতায় আনা হবে। ইব্রাহিম খলিল/এসএইচএ