ফটোকপির দাম চাওয়ায় রাবিতে দোকানিকে পেটাল ছাত্রদল নেতা
Why this classification
A Chhatra Dal leader, Abdullah Al Kafi, assaulted a shop owner at Rajshahi University over a printing bill and threatened to shut the shop, and two people were injured. The university proctor confirmed that chairs were thrown at the shopkeeper, although the accused denied it. The incident took place on 5 April 2026, which is within the 14-day window.
Killed
0
Injured
2
Summary
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন চত্বরে ৫ এপ্রিল ২০২৬ (রোববার) রাত ৮টার দিকে প্রিন্টের বিল নিয়ে বিরোধের জেরে ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল কাফী ও তার সহযোগীরা হিমেল কম্পিউটার দোকানের মালিককে মারধর করেন এবং চেয়ার ছোড়েন, যাতে দোকানিসহ ২ জন আহত হন। প্রক্টর চেয়ার নিক্ষেপের ঘটনা সত্য বলে জানিয়েছেন, যদিও অভিযুক্ত নেতা তা অস্বীকার করেছেন এবং উভয়পক্ষের মধ্যে সমঝোতার কথা বলা হয়েছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
85% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 2
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 05/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
ফটোকপির দাম চাওয়ায় রাবিতে দোকানিকে পেটাল ছাত্রদল নেতা
ক্যাম্পাস রাজশাহী ফটোকপির দাম চাওয়ায় রাবিতে দোকানিকে পেটাল ছাত্রদল নেতা জেলা প্রতিনিধি রাবি ৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৫১ অ+ অ- ফটোকপির দাম চাওয়াতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক দোকানিকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে শাখা ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে। রোববার (৫ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন চত্বরে এ ঘটনা ঘটে। এতে দোকানিসহ ২ জন আহত হয়েছেন। বর্তমানে দোকানটি বন্ধ রয়েছে। বিজ্ঞাপন অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতা আব্দুল্লাহ আল কাফী বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৯-২০ সেশনের শিক্ষার্থী। তিনি শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং শহীদ হবিবুর রহমান হলের আবাসিক শিক্ষার্থী। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতা কাফী পরিবহন চত্বরের হিমেল কম্পিউটার দোকানে কিছু প্রিন্ট করতে যান। প্রিন্টের বিল কম দিতে চাইলে দোকানি তা গ্রহণে অস্বীকৃতি জানান। এ নিয়ে বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে কাফীসহ কয়েকজন দোকানির ওপর চেয়ার নিক্ষেপ করেন এবং তাকে মারধর করেন। পরে দোকানটির শাটার বন্ধ করে দেওয়া হয়। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী দোকানিরা জানান, কাফী একটি জিডি ও প্রবেশপত্রের দুটি আবেদন করেন, যার বিল আসে ২৮০ টাকা। তবে তিনি কম দিতে চাইলে দোকানি তা নিতে অস্বীকৃতি জানালে কাফী বলেন, ‘তুমি আমাকে চিনো? দোকান বন্ধ করে দেব।’ এরপর দোকানের মালিক হিমেলের ওপর চেয়ার-টেবিল ছুঁড়ে ৪-৫ জন মিলে এলোপাথাড়ি মারধর শুরু করেন। পরে দোকানের শাটার বন্ধ করে দেয়। বিজ্ঞাপন অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতা আব্দুল্লাহ আল কাফী বলেন, সন্ধ্যার দিকে কম্পিউটারের কিছু কাজ করতে আমি হিমেলের কম্পিউটার দোকানে যাই। পরে বিল দেওয়াকে কেন্দ্র করে একপর্যায়ে বাগবিতণ্ডা হয়। তখন তারাও কিছুটা উগ্র আচরণ করে, আমিও একজন শিক্ষার্থী হিসেবে বিষয়টি খারাপ লাগে। একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে প্রক্টর, দোকান মালিক এবং আমাদের সিনিয়রদের উপস্থিতিতে বিষয়টি সমঝোতা করা হয়েছে। মারধর ও চেয়ার ছোঁড়াছুঁড়ির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এমন কিছুই হয়নি। হাতাহাতির সময় চেয়ার-টেবিল থাকলে সেগুলো পড়ে গিয়ে ভেঙে যেতে পারে। তবে চেয়ার ছোঁড়াছুঁড়ির কোনো ঘটনা ঘটেনি। সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবর রহমান বলেন, আমরা ঘটনাটি জানার সঙ্গে সঙ্গেই প্রক্টরিয়াল টিম সেখানে উপস্থিত হয়। পরে জানতে পারি, উভয়পক্ষের মধ্যে সমঝোতা হয়েছে। তবে দোকানির ওপর চেয়ার নিক্ষেপের বিষয়টি সত্য। তারা ভবিষ্যতে আর কোনো ধরনের ঝামেলায় জড়াবে না মর্মে আমাদের আশ্বস্ত করেছে। এরপরও যদি এমন কোনো ঘটনা ঘটে, তবে আমরা কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করব। বিজ্ঞাপন জুবায়ের জিসান/এসএইচএ
