কেরানীগঞ্জে কুরিয়ার সার্ভিসের গাড়ি চুরিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা, পুলিশের ওপর হামলা
Why this classification
This incident was classified as criminal violence in Dhaka. Parties reported: Steadfast Courier Staff, Police, Covered Van Drivers. Reported casualties: 0 killed and 5 injured. Reported by 2 sources.
Killed
0
Injured
5
Summary
কেরানীগঞ্জের ঘাটারচরে কাভার্ড ভ্যান চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে চালককে নির্যাতন এবং পরবর্তীতে পুলিশ ও স্টেডফাস্ট কুরিয়ার কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে ওসিসহ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। ঘটনাটি ঘটে ২৯ জুন ২০২৬ তারিখ রাতে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
89% · severity 5
Parties involved
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 5
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 29/06/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (4 sources)
জাবির শৌচাগারে গোপনে নারীদের ভিডিও ধারণ, বহিরাগত যুবক আটক
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) নারী শিক্ষার্থীদের শৌচাগারে গোপনে ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে আটক হয়েছেন এক বহিরাগত যুবক।গতকাল সোমবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি থেকে ওই বহিরাগত যুবককে আটক করা হয়। আটক যুবক কেরানীগঞ্জের বাসিন্দা রিয়াজ আহমেদ (রাজ)। তিনি দেশের একটি বৃহৎ করপোরেট প্রতিষ্ঠানের ইলেকট্রনিকস শাখার শাখা ব্যবস্থাপক (ব্রাঞ্চ ম্যানেজার) বলে জানা গেছে।লিখিত অভিযোগ ও ভুক্তভোগীর সহপাঠীদের সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত রিয়াজ বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে নারী শিক্ষার্থীদের শৌচাগারে প্রবেশ করেন। এক নারী শিক্ষার্থী তাঁকে ভেতরে দেখে পরিচয় ও সেখানে প্রবেশের কারণ জানতে চান। অভিযুক্ত এ বিষয়ে সন্তোষজনক কোনো ব্যাখ্যা দিতে না পারায় ওই শিক্ষার্থী বাইরে অবস্থানরত অন্য শিক্ষার্থীদের বিষয়টি জানান। পরে শিক্ষার্থীরা রিয়াজকে আটক করে তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ফোন তল্লাশি করলে গোপনে ধারণ করা একাধিক ভিডিও পাওয়া যায়। এ ছাড়া ফোনে বিভিন্ন টেলিগ্রাম চ্যানেলে তাঁর সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়, যেগুলোর সঙ্গে এ ধরনের ভিডিও আদান-প্রদানের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। একই সঙ্গে তাঁর মোবাইল ফোনে আগে ধারণ করা নারীদের আরও ভিডিও পাওয়া যায়। এ সময় শিক্ষার্থীরা তাঁকে মারধর দিতে থাকেন। এর মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা শাখা ও প্রক্টোরিয়াল টিম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। বিষয়টি তাঁরা আশুলিয়া থানা-পুলিশকে জানান। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর অভিযুক্তকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক রাশিদুল আলম বলেন, ‘এ ধরনের ঘটনা অত্যন্ত ন্যক্কারজনক। জানার পর প্রক্টোরিয়াল টিম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাদী হয়ে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আজগর আলী বলেন, ‘অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় মামলা হবে। মামলার পর তদন্ত করে তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
জাবিতে ছাত্রীদের ওয়াশরুমে ঢুকে গোপনে ভিডিও ধারণ, বহিরাগত যুবক আটক
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) টিএসসির নারী শিক্ষার্থীদের ওয়াশরুমে প্রবেশ করে গোপনে ভিডিও ধারণের অভিযোগে এক বহিরাগত যুবককে আটক করেছেন শিক্ষার্থীরা। পরে তাকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের মাধ্যমে আশুলিয়া থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। সোমবার (২৯ জুন) রাত আড়াইটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। আটক যুবকের নাম রিয়াজ আহমেদ (রাজ)। তিনি কেরানীগঞ্জের বাসিন্দা এবং একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ব্রাঞ্চ ম্যানেজার পদে আছেন বলে জানিয়েছেন। ভুক্তভোগীর সহপাঠী ও অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত রিয়াজ টিএসসির নারী ওয়াশরুমে প্রবেশ করলে এক নারী শিক্ষার্থী তাকে দেখে ফেলেন। সেখানে প্রবেশের কারণ জানতে চাইলে তিনি কোনো সন্তোষজনক জবাব দিতে পারেননি। পরে ওই শিক্ষার্থী বাইরে থাকা অন্য সহপাঠীদের বিষয়টি জানালে তারা এসে রিয়াজকে আটক করেন। এ সময় তার মোবাইল ফোন পরীক্ষা করে নারী শিক্ষার্থীদের গোপনে ধারণ করা একাধিক ভিডিও এবং এ ধরনের ভিডিও আদান-প্রদানকারী বেশ কয়েকটি টেলিগ্রাম চ্যানেলের সন্ধান পাওয়া যায়। ঘটনার খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা শাখা ও প্রক্টোরিয়াল টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আশুলিয়া থানা পুলিশকে খবর দেয়। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষে অভিযুক্তকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক রাশিদুল আলম ঘটনাটিকে অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক আখ্যা দিয়ে জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বাদী হয়ে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এদিকে ঘটনার পর জাকসু সমাজসেবা সম্পাদক ভুক্তভোগীসহ থানায় গিয়ে মামলা রুজু করেন। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই টিএসসির ওয়াশরুমগুলো সংস্কারের দাবি জানিয়ে আসছি। কিন্তু প্রশাসন ফান্ড সংকটের অজুহাতে তা করেনি, যার ফলে মেয়েদের নিরাপত্তা আজ হুমকিতে। আশা করি নতুন প্রো-ভিসি (প্রশাসন) স্যার দ্রুত এগুলো সংস্কার করবেন। এছাড়া ক্যাম্পাসে ইদানীং বহিরাগতদের আনাগোনা আবার বেড়েছে, তাই নিরাপত্তা শাখার আরও তৎপর হওয়া জরুরি। আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই তদন্ত) মো. আজগর আলী বলেন, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। মামলা পরবর্তী তদন্ত সাপেক্ষে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আরকে
সাভারের আলোচিত দুই মামলার আসামি ‘পিস্তল মানিক’ গ্রেফতার
সাভারের আলোচিত দুই মামলার আসামি ‘পিস্তল মানিক’ গ্রেফতার Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন, ঢাকা উত্তর প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬, ০৯:৫৩ পিএম সাভারে কিশোর রিপন ঋষিকে অপহরণ করে নির্যাতন এবং শামীম রেজার গ্যারেজ থেকে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও মালামাল লুটের ঘটনায় দায়ের হওয়া দুই আলোচিত মামলার অন্যতম আসামি মানিক ওরফে পিস্তল মানিক ওরফে কিলার মানিককে (৩৫) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার সাভার পৌরসভার রাজাশন এলাকায় অভিযান চালিয়ে মানিককে গ্রেফতার করা হয়। পরে পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে তাকে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ। মানিক সাভারে চাঁদাবাজি, অটোরিকশা লুট, হামলা, নারী লাঞ্ছনা এবং কিশোর অপহরণ ও নির্যাতনের পৃথক দুই মামলায় বহিষ্কৃত সাভার থানা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব হোসেন সামির ওরফে ফেন্সি সামিরের প্রধান সহযোগী। রোববার দায়ের করা দুটি মামলায় মোট ৪১ জনকে আসামি করা হয়। সোমবার দুপুরে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাভার মডেল থানার এসআই মো. আব্দুল ওয়াহাব। পুলিশ জানায়, গ্রেফতার হওয়া মানিক কিশোর রিপন ঋষিকে অপহরণ ও নির্মম নির্যাতনের ঘটনায় দায়ের করা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। মামলায় তার বিরুদ্ধে অপহরণ, গুরুতর জখম এবং হত্যাচেষ্টাসহ বিভিন্ন অভিযোগ আনা হয়েছে। সাভার মডেল থানার ওসির চলতি দায়িত্বে থাকা পরিদর্শক (তদন্ত) নূর মোহাম্মদ বলেন, গ্রেফতার আসামিকে পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদনসহ আদালতে পাঠানো হয়েছে। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের অবস্থান সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে। এছাড়া পর্যায়ক্রমে অটোরিকশা ও ব্যাটারি লুটের মামলাতেও তাকে গ্রেফতার দেখানো হবে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গ্রেফতার হওয়া মানিক রাজবাড়ী জেলার সদর উপজেলার মজলিশপুর গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে। তার বিরুদ্ধে পূর্বেও একাধিক অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সাভারে ভাড়া বাসায় বসবাস করে আসছিলেন। এর আগে একটি হত্যা মামলায় দীর্ঘদিন কারাবন্দি ছিলেন এবং জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর পুনরায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েছেন বলে পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে। আলোচিত এসব ঘটনা গণমাধ্যমে প্রকাশের পর ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হলে পরবর্তীতে দুটি মামলাই সাভার মডেল থানায় রেকর্ড হয়।
কেরানীগঞ্জে কুরিয়ার সার্ভিসের গাড়ি চুরিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা, পুলিশের ওপর হামলা
কেরানীগঞ্জের ঘাটারচর এলাকায় স্টেডফাস্ট কুরিয়ারের গাড়ি চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছে পুলিশ। মঙ্গলবার ঘাটারচরে প্রতিষ্ঠানটির কার্যালয়ের সামনেছবি: প্রথম আলো ঢাকার কেরানীগঞ্জে স্টেডফাস্ট কুরিয়ার সার্ভিসের একটি কাভার্ড ভ্যান চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে যাওয়া পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল সোমবার রাতে উপজেলার তারানগর ইউনিয়নের ঘাটারচর মিলিনিয়াম সিটির সামনে প্রতিষ্ঠানটির কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। স্টেডফাস্ট কুরিয়ারের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পুলিশের ওপর হামলা করেন বলে অভিযোগ। এ ঘটনায় কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল কুদ্দুসসহ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত রোববার সকালে ঘাটারচর এলাকা থেকে স্টেডফাস্ট কুরিয়ারের একটি কাভার্ড ভ্যান কে বা কারা চুরি করে নিয়ে যায়। কাভার্ড ভ্যানটি মোহাম্মদপুর বেড়িবাঁধ এলাকায় ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে গতকাল সোমবার সকালে কাভার্ড ভ্যানের চালক শাহ আলম মৃধাকে (৩৫) ডেকে এনে মারধর করেন প্রতিষ্ঠানটির কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী। খবরটি ছড়িয়ে পড়লে বিকেলে কয়েক শ গাড়িচালক মারধরের প্রতিবাদ জানিয়ে বিক্ষোভ করেন। এ সময় স্টেডফাস্টের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ঘটনাস্থলে জড়ো হতে থাকলে উত্তেজনা বাড়তে থাকে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে পুলিশ। এ সময় পুলিশ সদস্য ও কুরিয়ারের কর্মচারীদের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে হাতাহাতি ও সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ সময় হামলার শিকার হন ওসি রুহুল কুদ্দুসসহ কয়েকজন সদস্য। পরে তাঁদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়। বিক্ষোভকারী কাভার্ড ভ্যানের চালক সোহেল রানা বলেন, ‘কাজ শেষে আমার সহকর্মী শাহ আলম তাঁর গাড়িটি ঘাটারচর সড়কের সামনে রেখে চা খেতে যান। কিছুক্ষণ পর এসে দেখেন, গাড়িটি নেই। অনেক খোঁজাখুঁজি করে গাড়ি না পেয়ে মালিকপক্ষকে জানানো হয়। কিন্তু মালিকপক্ষ শাহ আলমকে ডেকে এনে চুরির অপবাদ দিয়ে ব্যাপক মারধর করেন। তাই আমরা প্রতিবাদ করেছি। শাহ আলমকে নির্যাতনের ঘটনায় যারা যারা জড়িত, প্রত্যেককেই আইনের আওতায় আনতে হবে। নয়তো আমরা আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করব।’ আরেক গাড়িচালক নোমান মিয়া বলেন, ‘আমাদের একটা করে চাবি দেওয়া হয়। অপরটি মালিকপক্ষের কাছে থাকে। আমাদের ধারণা, এ ঘটনায় মালিকপক্ষের লোকজন জড়িত থাকতে পারে। অথচ আমাদের সহকর্মীকে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে করুণভাবে নির্যাতন করা হয়েছে। আমরা এর বিচার চাই।’ আহত শাহ আলমের স্ত্রী ময়না আক্তার বলেন, ‘চুরির অপবাদ দিয়ে স্টেডফাস্টের লোকজন আমার স্বামীর পায়ের বুড়ো আঙুলের নখ প্লায়ার্স দিয়ে তুলে ফেলেছে। স্বামীর বুকে ও গলায় পাড়া দিয়েছে। এরপরও ক্ষান্ত হয়নি। আইপিএস ব্যাটারির অ্যাসিড পানি খাওয়ানোর চেষ্টা করেছে। আমরা তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করি।’ তিনি তাঁর স্বামীকে নির্যাতনকারী প্রত্যেকের বিচার চান। জানতে চাইলে স্টেডফাস্ট কুরিয়ার সার্ভিসের উপমহাব্যবস্থাপক (এডমিন) কাজল সুপিয়র বলেন, বেশ কয়েক দিন ধরে কিছু লোক তাঁদের কাছে চাঁদা দাবি করে আসছেন। তাঁদের ধারণা, গাড়িচালক শাহ আলম তাঁদের সঙ্গে জড়িত। এ নিয়ে শাহ আলমকে জিজ্ঞাসা করলে উল্টো গাড়িচালকেরা একজোট হয়ে গতকাল সন্ধ্যার পর তাঁদের ওপর হামলা করতে আসে। এ সময় তাঁদের অর্ধশত গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। তাঁকে মারধরের অভিযোগ সঠিক নয়। তিনি বলেন, চাঁদা দাবির বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়েছে। যোগাযোগ করলে ওসি রুহুল কুদ্দুস প্রথম আলোকে বলেন, কাভার্ড ভ্যান চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে মালিকপক্ষ ও গাড়িচালকদের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল। এলাকাবাসীর মাধ্যমে খবর পেয়ে তাঁরা ঘটনাস্থলে যান। এ সময় পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করলে কুরিয়ারের লোকজন পুলিশের ওপর অতর্কিতে সংঘবদ্ধ হামলা চালায়। এতে তিনিসহ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। পুলিশ আত্মরক্ষার্থে কয়েকটি ফাঁকা গুলি ছোড়ে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। তিনি বলেন, এ পর্যন্ত কোনো পক্ষ থেকে অভিযোগ আসেনি। তবে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করবে। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন পুলিশহামলাকেরানীগঞ্জসংঘর্ষঢাকা বিভাগ
