গৃহবধূকে আটকে রেখে গণধর্ষণ, নারীসহ গ্রেফতার ৪
Why this classification
A housewife was reportedly held captive and gang-raped on the night of 22 April 2026 in Santahar Loco Colony, Adamdighi, Bogura, and was hospitalised after being found unwell. This is a single concrete violent incident with a named set of accused, and police have arrested four people, so it qualifies as violence.
Killed
0
Injured
1
Summary
বগুড়ার আদমদীঘিতে ২০২৬ সালের ২২ এপ্রিল (বুধবার) রাতে সান্তাহার লোকো কলোনি এলাকায় এক গৃহবধূকে আটকে রেখে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে, পরে তাকে অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মামলার পর পুলিশ নারীসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে এবং অন্য এক আসামিকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
AI analysis
Category
Gender-Based Violence
Confidence
92% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 22/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
গৃহবধূকে আটকে রেখে গণধর্ষণ, নারীসহ গ্রেফতার ৪
গৃহবধূকে আটকে রেখে গণধর্ষণ, নারীসহ গ্রেফতার ৪ Advertisement বগুড়া ব্যুরো প্রকাশ: ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৫২ পিএম গ্রেফতারকৃত নারীসহ চার আসামি। ছবি: যুগান্তর বগুড়ার আদমদীঘিতে এক গৃহবধূকে আটকে রেখে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। পরে অসুস্থ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকালে ভুক্তভোগী পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করলে নারীসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এর আগে গত বুধবার (২২ এপ্রিল) রাতে উপজেলার সান্তাহার লোকো কলোনি এলাকায় এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। গ্রেফতাররা হলেন- উপজেলার সান্তাহার পোস্ট অফিসপাড়ার নূর ইসলাম বাবুর ছেলে সাহেদুল ইসলাম সাহেদ (২১), শেখ আবদুল বারেকের মেয়ে রুনা বেগম (৪৫), সান্তাহার পূর্ব লোকো কলোনির তহিদুল ইসলামের ছেলে মিঠু হোসেন (২৭) ও আইয়ুব আলীর ছেলে হৃদয় হোসেন (২০)। ওসি কামরুজ্জামান মিয়া বলেন, ওই গৃহবধূ সকালে থানায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। এরপর অভিযান চালিয়ে নারীসহ চার আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাদের জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
