বনশ্রীতে মাদ্রাসায় শিশু শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত লাশ

AI-classifiedconfidence 75%

Why this classification

A 10-year-old student was found hanged in a madrasa toilet in Bonosree, Dhaka, on Tuesday night, and his family and police allege he was sexually abused by a senior student. Because the body was found in circumstances potentially linked to a crime, the case is counted as violence, though police have not confirmed the cause of death until the post-mortem report is complete.

Reported by:JugantorSingle source
20/05/26•বনশ্রী সি ব্লক, আলোকিত কুরআন ইন্টারন্যাশনাল হিফজ মাদ্রাসা

Killed

0

Injured

2

Summary

ঢাকার রামপুরা থানাধীন বনশ্রীর একটি মাদ্রাসার শৌচাগার থেকে ১০ বছর বয়সী শিশু শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে, এবং পরিবারের দাবি তাকে যৌন নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মাদ্রাসার ১৭-১৮ বছর বয়সী এক সিনিয়র শিক্ষার্থী তাকে যৌন নির্যাতন করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে, তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার আগে মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত নয়।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

75% · severity 8

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Locals

Other actors

আব্দুল্লাহ (১০ বছর বয়সী শিশু শিক্ষার্থী, নিহত)মাদ্রাসার ১৭-১৮ বছর বয়সী সিনিয়র শিক্ষার্থী (অভিযুক্ত, পলাতক)রামপুরা থানার ওসি জাহাঙ্গীর হোসেনমাদ্রাসার শিক্ষকগণনিহতের নানা আব্দুল মালেক

Affected infrastructure

মাদ্রাসার শৌচাগারের দরজা (শিক্ষকরা ভেঙেছেন)

Tags

Sexual Harassment

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 2

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 20/05/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 21/05/26open original ↗

বনশ্রীতে মাদ্রাসায় শিশু শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত লাশ

যৌন নির্যাতনের অভিযোগ বনশ্রীতে মাদ্রাসায় শিশু শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত লাশ Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন প্রকাশ: ২১ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ রাজধানীর রামপুরা থানাধীন বনশ্রী এলাকায় মাদ্রাসার শৌচাগার থেকে ১০ বছর বয়সি এক শিশু শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তার নাম আব্দুল্লাহ। মঙ্গলবার রাত ১২টার দিকে বনশ্রী সি ব্লকের আলোকিত কুরআন ইন্টারন্যাশনাল হিফজ মাদ্রাসা থেকে এই লাশ উদ্ধার করা হয়। মৃত আব্দুল্লাহ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার প্রবাসী আবুল কালাম আজাদের সন্তান। শিশুটি মাদ্রাসায় আবাসিকে থেকে হিফজ বিভাগ পড়ত। তার বাবা সৌদি আরবে একটি মসজিদে ইমামতি করেন। স্বজনদের দাবি, শিশুটিকে যৌন নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে। অন্য শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে পুলিশ ধারণা করছে, শিশুটি বিভিন্ন সময় সিনিয়র এক ছাত্রের দ্বারা যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছে। তার শরীরে এ ধরনের আলামতও দেখা গেছে। নিপীড়নের শিকার হওয়ায় মাদ্রাসার শৌচাগারে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে সে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। বুধবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে শিশুটির লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। অভিযুক্ত ছাত্রকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। জানতে চাইলে রামপুরা থানার ওসি জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, মাদ্রাসার ছাত্রদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মাদ্রাসার ১৭-১৮ বছর বয়সি এক শিক্ষার্থী বিভিন্ন সময় শিশুটিকে যৌন নির্যাতন করেছে। শিশুটির পায়ুপথে জখমের চিহ্ন রয়েছে। এ কারণে আত্মহত্যা করে থাকতে পারে শিশুটি। তবে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। ওসি আরও বলেন, শিশুটির পরিবার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এবং আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে সিনিয়র ওই শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে মামলা করেছে। মামলায় আরও কয়েকজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। মাদ্রাসাটির একজন শিক্ষক বলেন, শিশুটি মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর শৌচাগারে যায়। অনেক সময় পেরিয়ে গেলেও বের না হওয়ায় শিক্ষকরা শৌচাগারের দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে দেখেন, গামছা দিয়ে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় ঝুলছে শিশুটি। এরপর ৯৯৯-এ কল করে জানানো হয়। জানা গেছে, মাদ্রাসাটিতে পাঁচজন শিক্ষক, দুজন স্টাফ এবং ৫৫ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। যে শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হচ্ছে, সে মঙ্গলবার বিকালে ছুটি নিয়ে বেরিয়ে গেছে। এরপর থেকে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। সে বাড়িতেও যায়নি। শিশুটির নানা আব্দুল মালেক যুগান্তরকে বলেন, শিশুটির মা আরেক শিশু ছেলেকে নিয়ে গ্রামের বাড়ি থাকেন। বড় ছেলের মৃত্যুর খবর পেয়ে তিনিসহ স্বজনরা বুধবার বেলা ১২টার দিকে ঢাকায় আসেন। ময়নাতদন্ত শেষে সন্ধ্যার পর লাশ নিয়ে গ্রামের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জের উদ্দেশে রওয়ানা হন তারা।