কেরানীগঞ্জে কিশোর গ্যাংয়ের সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্বে নিহত ১

AI-classifiedconfidence 94%

Why this classification

The article describes a teenage gang clash with stabbing and no involvement of any political party or organization, so it is not classified as political violence.

Reported by:SamakalJugantorDhaka PostCorroborated · 3 sources
03/07/26•Ambagicha Depozil lane

Killed

1

Injured

2

Summary

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের আমবাগিচা ডিপজিল গলিতে কিশোর গ্যাংয়ের সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্বে ১৭ বছর বয়সী নাঈম মোল্লা নিহত হন। দুই গ্যাং সদস্য আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

94% · severity 8

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

Na'im MollaRobin AhmedTaj HossainMohammad Rezaul (SI)Mohammad Saiful Alam (OC)Mohammad Akhtar Hossain (resident)

Tags

Gang WarMurder

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 2

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 03/07/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (3 sources)

Source 1: Samakal · 05/07/26open original ↗

কেরানীগঞ্জে কিশোর গ্যাংয়ের সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্বে নিহত ১

কেরানীগঞ্জে কিশোর গ্যাংয়ের সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্বে নিহত ১ নিহত নাঈম মোল্লা (১৭) কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬ | ১৮:১১ | আপডেট: ০৪ জুলাই ২০২৬ | ১৮:৩৮ ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে কিশোর গ্যাংয়ের সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে নাঈম মোল্লা (১৭) নামে এক কিশোর নিহত হয়েছেন। শুক্রবার রাতে আমবাগিচা এলাকার ডিপজলের গলিতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আহত অবস্থায় কিশোর গ্যাংয়ের দুই সদস্য রবিন আহমেদ ও তাজ হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশ জানায়, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ (মিটফোর্ড) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আহত রবিন আহমেদ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অপর অভিযুক্ত তাজ হোসেন (১৯) দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন। নিহত নাঈমের বাবা মো. মজিদ মোল্লা বলেন, আমাদের বাড়ি মানিকগঞ্জ জেলার শিবালয় উপজেলার জাফরগঞ্জ গ্রামে। আমার ছেলে আলম মার্কেটের জোড়া ব্রিজের কাছে একটি প্যান্টের দোকানে ৫-৬ মাস ধরে কাজ করত। কাজ শেষে নাঈম আমবাগিচা ডিপজলের গালিতে গেলে কিশোর গ্যাংয়ের প্রধান তাজ আহমেদ ও রবিন হোসেনের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। এ সময় তাজের হাতে থাকা ধারালো দেশি চাকু দিয়ে নাঈমের বুকে ও পেটে একাধিক আঘাত করলে ঘটনাস্থলে সে মারা যায়। তিনি এ হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ রেজাউল জানান, কিশোর গ্যাংয়ের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের জেরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত পাঁচজন আহত হন। সংঘর্ষের সময় নাঈম ছুরিকাঘাতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন। ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ আক্তার হোসেন বলেন, আমবাগিচার ডিপজলের গলিতে প্রায়ই এ ধরনের সহিংস ঘটনা ঘটে। তার অভিযোগ, এলাকায় প্রকাশ্যে মাদক বিক্রি হয় এবং কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা এর সঙ্গে জড়িত। দীর্ঘদিন ধরে এলাকার খেলার মাঠ অচল থাকায় সেখানে মাদকসেবী ও মাদক কারবারিদের আনাগোনা বেড়েছে। দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল আলম বলেন, এ ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ইতোমধ্যে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তদন্ত চলছে। এদিকে, কেরানীগঞ্জ মডেল থানার শাক্তা ইউনিয়নের আরটি পাঁচদোনা এলাকায় মো. সালাউদ্দিন মিয়া (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ জানায়, একদল সন্ত্রাসী তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে তুলে নিয়ে যায় এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে চোখে ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মো. শাকিল হোসেনকে (২২) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে অপর অভিযুক্ত শুভ মিয়া (২৬), রাজু আহমেদ (২৫) ও বাদশা মিয়া (২২) পলাতক রয়েছেন। কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল কুদ্দুস জানান, সালাউদ্দিনকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা চালানো হয়। এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে এবং পলাতকদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। - বিষয় : - কেরানীগঞ্জ - কিশোর গ্যাং - ছুরিকাঘাতে হত্যা

Source 2: Dhaka Post · 16/04/26open original ↗

কিশোর গ্যাং লিডার এলেক্স ইমন খুন : ছয় আসামি রিমান্ডে

রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় ‘আধিপত্যের বিরোধে’ কিশোর গ্যাং ‘এলেক্স গ্রুপের’ প্রধান ইমন ওরফে এলেক্স ইমনকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় ৬ আসামির চার দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মনিরুল ইসলামের আদালত এই আদেশ দেন। রিমান্ডে যাওয়া আসামিরা হলেন- সাঈদ হোসেন শিমুল ওরফে আইয়ুশ, তুহিন বিশ্বাস, রাব্বি কাজী, সুমন ওরফে পাখির পোলা সুমন, রানা ও রাসেল ওরফে পিচ্চি রাসেল। প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক মিজানুর রহমান রিমান্ডের তথ্য জানান। এর আগে, গত মঙ্গলবার আসামিদের আদালতে হাজির করে সাত দিন করে রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদপুর থানার উপ-পরিদর্শক সাধন কুমার মন্ডল। ওইদিন আদালত আসামিদের কারাগারে পাঠিয়ে রিমান্ড শুনানির জন্য বৃহস্পতিবার দিন নির্ধারণ করেন। শুনানিকালে তাদের আদালতে হাজির করা হয়। এদিকে, আসামিদের পক্ষে শফিকুল ইসলাম (শফিক) সহ কয়েকজন রিমান্ড বাতিল করে জামিন আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষ এর বিরোধিতা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আসামিদের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদেশ দেন। মামলায় অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ১২ এপ্রিল দুপুর দেড়টার দিকে এলেক্স ইমনকে বাসায় রাখা মাছ নিয়ে আসতে সংবাদ পাঠায় তার শ্বশুর। মাছ আনতে বাইরে যায় সে। বাসা থেকে বের হয়ে আড্ডা দিয়ে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মোহাম্মদপুরের বুদ্ধিজীবী রোডের বেড়িবাঁধের ঢালে পৌঁছালে পূর্ব শত্রুতার জেরে আসামিরা তার উপর অতর্কিত হামলা চালায়। তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। রক্তক্ষরণে জ্ঞান হারায় এলেক্স ইমন। আশপাশের লোকজনের খবর পেয়ে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় পরদিন তার মা ফেরদৌসী মোহাম্মদপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। এনআর/জেডএস

Source 3: Jugantor · 06/04/26open original ↗

কিশোরকে তুলে নিয়ে মারধর, কিশোর গ্যাংয়ের ২ সদস্য গ্রেফতার

কিশোরকে তুলে নিয়ে মারধর, কিশোর গ্যাংয়ের ২ সদস্য গ্রেফতার Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন, নবাবগঞ্জ (ঢাকা) প্রকাশ: ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৫৭ পিএম ঢাকার দোহার উপজেলার কুসুমহাটি ইউনিয়নের বাস্তা এলাকায় কিশোরকে নির্যাতন ও ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের ঘটনায় কিশোর গ্যাংয়ের দুই সদস্যকে গ্রেফতার করেছে দোহার থানা পুলিশ। সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে কার্তিকপুর এলাকায় পুলিশের এক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- বড় বাস্তা এলাকার শেখ আকু কসাইয়ের ছেলে আলী ওরফে শেখ আকাশ (১৯) এবং চরকুশাই এলাকার আমির হোসেনের ছেলে ইস্রাফিল (১৬)। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বাস্তা এলাকায় বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে আলী নামে এক কিশোরকে ফিল্মি কায়দায় মারধর করে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য টাইগার রাকিব গ্রুপ। এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে পুলিশের নজরে আসে। এ ঘটনার পর পুলিশ মাঠে নামে পরে সোমবার উপজেলার কার্তিকপুর থেকে দুই জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। দোহার থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, আলী নামে এক কিশোরকে নির্যাতনের ঘটনায় তার মা বাদী হয়ে দোহার থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে আকাশ ও ইস্রাফিলকে গ্রেফতার করা হয়। বাকি আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। উল্লেখ্য, গত ২ এপ্রিল গাড়ি চালিয়ে বাসায় ফিরছিল আলী। এ সময় তাকে রাকিব গ্রুপ ধরে নিয়ে বেধড়ক মারপিট করে সেটা সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার করে।