চাঁদাবাজির অভিযোগে ওয়ার্ড যুবদল নেতা কারাগারে

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

এটি একটি নির্দিষ্ট সহিংস ঘটনা: ৮ জুন সকালে চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সাব্বির আহমেদ ও সহযোগীরা নুরুদ্দিন খন্দকারকে মারধর করে এবং গলা টিপে হত্যার চেষ্টা করে। এলাকাবাসী তাকে আটক করে পুলিশে দিলে মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়।

Reported by:JugantorSingle source
08/06/26•রুদ্রপুর, ভাওয়ালগড় ইউনিয়ন, গাজীপুর সদর

Killed

0

Injured

1

Summary

গাজীপুরের ভাওয়ালগড় ইউনিয়নের রুদ্রপুরে জমিতে বালু ভরাটের কাজে বাধা দিয়ে টাইলস ব্যবসায়ী নুরুদ্দিন খন্দকারের কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও হামলার ঘটনায় যুবদল নেতা সাব্বির আহমেদকে আটক করে পুলিশে দেয় এলাকাবাসী। সোমবার (৮ জুন) সকালে পুনরায় চাঁদা দাবি করায় অস্বীকৃতি জানালে হামলা চালিয়ে তাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

95% · severity 6

Perpetrator side

BNP

Victim side

Locals

Other actors

সাব্বির আহমেদ (ওয়ার্ড যুবদল সাংগঠনিক সম্পাদক)নুরুদ্দিন খন্দকার খোকন (টাইলস ব্যবসায়ী)শরিফুল ইসলাম শরীফ (ভাওয়ালগড় ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক)নয়ন কুমার কর (জয়দেবপুর থানা পরিদর্শক)

Tags

ExtortionLand Dispute

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: BNP

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 08/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 08/06/26open original ↗

চাঁদাবাজির অভিযোগে ওয়ার্ড যুবদল নেতা কারাগারে

চাঁদাবাজির অভিযোগে ওয়ার্ড যুবদল নেতা কারাগারে Advertisement জয়দেবপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ১১:০৩ পিএম চাঁদাবাজির অভিযোগে ওয়ার্ড যুবদল নেতা কারাগারে গাজীপুর সদর উপজেলার ভাওয়ালগড় ইউনিয়নের রুদ্রপুর এলাকায় চাঁদা দাবির অভিযোগে সাব্বির আহমেদ নামে যুবদলের এক নেতাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন এলাকাবাসী। এ ঘটনায় মামলা হলে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। সোমবার (৮ জুন) সকালে এ ঘটনা ঘটে। আটক সাব্বির আহমেদ (৩০) রুদ্রপুর এলাকার আরফান আলীর ছেলে। তিনি ভাওয়ালগড় ইউনিয়ন যুবদলের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাংগঠনিক সম্পাদক বলে জানা গেছে। লিখিত অভিযোগে জানা গেছে, টাইলস ব্যবসায়ী নুরুদ্দিন খন্দকার খোকনের ক্রয়কৃত জমিতে গত রোববার (৭ জুন) বিকালে জমিতে বালু ভরাটের কাজ চলছিল। এ সময় সাব্বির আহমেদ ও তার কয়েকজন সহযোগী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সেখানে গিয়ে কাজ বন্ধ করে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন বলে অভিযোগ ওঠে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা নুরুদ্দিন খন্দকারকে প্রাণনাশের হুমকি দেন এবং টাকা না দিলে জমিতে কোনো ধরনের উন্নয়নকাজ করতে দেওয়া হবে না বলে জানান। অভিযোগে আরও বলা হয়, পরদিন ৮ জুন সকালে পুনরায় বালু ভরাটের কাজ শুরু হলে সাব্বির আহমেদ ও তার সহযোগীরা আবারও ঘটনাস্থলে এসে চাঁদা দাবি করেন। একপর্যায়ে চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা নুরুদ্দিন খন্দকারের ওপর হামলা চালিয়ে মারধর করেন। এতে তার হাত-পা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত লাগে। অভিযোগকারী দাবি করেন, হামলার একপর্যায়ে সাব্বির তার গলা চেপে ধরে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করেন। তার চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করেন। পরে উত্তেজিত জনতা সাব্বির শামীমকে আটক করে রাখলেও তার সহযোগীরা পালিয়ে যান। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, তিনি প্রায় ১১ দশমিক ৫৫ শতাংশ জমির বৈধ মালিক এবং দীর্ঘদিন ধরে জমিটি ভোগদখল করে আসছেন। সম্প্রতি সেখানে উন্নয়নমূলক কাজের অংশ হিসেবে বালু ভরাট শুরু করেন। এ ঘটনায় জমির মালিক নুরুদ্দিন খন্দকার খোকন (৪৬) জয়দেবপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তবে সাব্বির আহমেদ শামীম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বালু ভরাটের কাজ তাদের জমির ওপর দিয়ে পরিচালিত হচ্ছিল। সে কারণে তিনি বাধা দিয়েছেন। চাঁদাদাবির অভিযোগ সঠিক নয়। ভাওয়ালগড় ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম শরীফ বলেন, বিষয়টি আমরা শুনেছি। সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে সাংগঠনিকভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জয়দেবপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নয়ন কুমার কর বলেন, এ ঘটনায় নুরুদ্দিন খন্দকার নামে একজন বাদী হয়ে মামলা দায়ের করলে তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে দুপুরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়।