ভিডিও ভাইরালের পর বরিশালের সেই বাবা-মেয়ের পাশে দাঁড়াল প্রশাসন

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

The article describes a specific incident of mob violence where locals beat and tied up a man accused of theft, occurring within the valid 14-day recency window in Bangladesh.

Reported by:Prothom AloJugantorDhaka PostCorroborated · 3 sources
25/09/26•Uzirpur

Killed

0

Injured

1

Summary

বরিশালের উজিরপুরে চুরির অভিযোগে এক ব্যক্তিকে মারধর করে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখার ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে উপজেলা প্রশাসন ওই ব্যক্তিকে মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে পাঠিয়েছে এবং তার পরিবারের পুনর্বাসনের উদ্যোগ নিয়েছে।

AI analysis

Category

Mob Justice / Lynchings

Confidence

95% · severity 3

Perpetrator side

Locals

Victim side

Unknown

Other actors

মো. আলী সুজা

Tags

LynchingVigilante JusticeThief Caught

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 25/09/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (3 sources)

Source 1: Dhaka Post · 12/10/26open original ↗

স্ত্রী হত্যার অভিযোগে স্বামী-দেবর আটক, অনিশ্চয়তায় ১ মাসের শিশুর ভবিষ্যৎ

বরিশালের বাবুগঞ্জে ঐশী আক্তার (২৫) নামের এক গৃহবধূকে নির্যাতনের পর হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তার স্বামী সোহেল খান (২৮) ও দেবর তানভীর খানকে (২২) পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ঐশীর মৃত্যুর ঘটনায় মাত্র ১ মাস ১০ দিন বয়সী একটি শিশু মাকে হারিয়েছে। সোমবার (১২ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে বাবুগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ঐশীকে মৃত ঘোষণা করেন। চিকিৎসকরা জানান, তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন ছিল। হাসপাতালে নেওয়ার অন্তত দুই ঘণ্টা আগে তার মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নিহত ঐশী আক্তার বাবুগঞ্জ উপজেলার দেহেরগতি ইউনিয়নের বাহেরচর সাধুকাঠী গ্রামের শাহে আলমের মেয়ে। তার স্বামী সোহেল খান কেদারপুর ইউনিয়নের ভূতেরদিয়া গ্রামের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা কাদের খানের ছেলে। তিনি পেশায় রাজমিস্ত্রি। স্থানীয় ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, দাম্পত্য কলহের জেরে ঘটনার চার দিন আগে সোহেল তার স্ত্রীর মাথায় লোহার রড দিয়ে আঘাত করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ সময় তাকে মারধরও করা হয় বলে দাবি স্থানীয়দের। এতে ঐশীর মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত লাগে বলে অভিযোগ উঠেছে। নিহত ঐশীর বড় বোন অভিযোগ করে বলেন , বিয়ের পর থেকেই সোহেল ও তার পরিবারের সদস্যরা ঐশীর ওপর নির্যাতন করে আসছিলেন। ১ মাস আগে সন্তান হলেও তাকে কোনো চিকিৎসা দেওয়া হয়নি। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ঐশী স্বামীর বাড়িতে অচেতন হয়ে পড়েন। পরে সোমবার সকালে তাকে বাবুগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঐশীর বড় বোন আরও জানান, সোহেলের আগের একটি বিয়ে রয়েছে। সেই সংসারে তার একটি কন্যাসন্তান আছে। বাবুগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এ কে মনিরুল ইসলাম জানান, মস্তিষ্কে প্রচুর রক্তক্ষরণের কারণে ঐশীর মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানেও গুরুতর জখমের চিহ্ন ছিল। হাসপাতালে আসার অন্তত দুই ঘণ্টা আগে তার মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঐশীর মৃত্যুর খবর পেয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে তার স্বামী সোহেল খানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়। এ ঘটনায় তার দেবর তানভীর খানকেও পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। বরিশাল জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বাকেরগঞ্জ সার্কেল) মো. মাসুম বিল্লাহ বলেন, নিহতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। স্বজনদের অভিযোগের ভিত্তিতে দুজনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। পুলিশ জানায়, প্রাথমিকভাবে দাম্পত্য কলহের জেরে এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। মরদেহের ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঐশীর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। আরিফ হোসেন/এসএইচএ

Source 2: Jugantor · 22/05/26open original ↗

চাঁদাবাজির অভিযোগে ববি ছাত্রদলের দুই নেতা বহিষ্কার

চাঁদাবাজির অভিযোগে ববি ছাত্রদলের দুই নেতা বহিষ্কার Advertisement বরিশাল ব্যুরো প্রকাশ: ২২ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ মহাসড়কে গাড়ি আটকে চাঁদাবাজির অভিযোগে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) শাখা ছাত্রদলের দুই সহসভাপতিকে বহিষ্কার করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ করায় বহিষ্কৃত নেতারা হলেন-ববি ছাত্রদলের সহসভাপতি মিয়া বাবুল এবং মো. মিঠুকে সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। এর আগে ১৯ মে ভোলা-বরিশাল মহাসড়কে মাছের পোনাবাহী গাড়ি আটকে চাঁদাবাজি, গাড়ি ভাঙচুর এবং চালককে মারধরের অভিযোগ ওঠে তাদের বিরুদ্ধে।

Source 3: Prothom Alo · 28/09/26open original ↗

ভিডিও ভাইরালের পর বরিশালের সেই বাবা-মেয়ের পাশে দাঁড়াল প্রশাসন

প্রতীকী ছবিএআইয়ের মাধ্যমে বানানো বরিশালের উজিরপুরে চুরির অভিযোগে মারধর করে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখা সেই বাবাকে সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনে ফেরানোর উদ্যোগ নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। এরই মধ্যে তাঁকে মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। বাবার মুখে রুটি তুলে দেওয়া মেয়ের পড়াশোনা নিশ্চিতের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার দুপুরে ওই ব্যক্তিকে বাড়ি থেকে বরিশাল নগরের একটি বেসরকারি মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে নেওয়া হয়। এর আগে গতকাল রোববার বিকেলে তাঁর বাড়িতে যান উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আলী সুজা। এ সময় তিনি ওই ব্যক্তিকে পরিবার ও সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার অনুরোধ করেন। পরে তিনি নিরাময় কেন্দ্রে যেতে রাজি হন। আরও পড়ুন চুরির অভিযোগে খুঁটির সঙ্গে বাঁধা বাবা, মুখে রুটি তুলে দিচ্ছিল ছোট্ট মেয়ে ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পরিবারটিকে সুরক্ষা দিতে প্রথমে ওই ব্যক্তিকে সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা প্রয়োজন। সে জন্য আমরা তাঁকে একটি বেসরকারি নিরাময় কেন্দ্রে পাঠিয়েছি। তিন মাস তিনি সেখানে থাকবেন। এর ব্যয়ভার আমরা বহন করব। মো. আলী সুজা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, বরিশালের উজিরপুর ওই ব্যক্তির স্ত্রীর ভাষ্য, একসময় তাঁর স্বামী ভালো ছিল। বন্ধুদের প্ররোচনায় মাদকাসক্ত হয়ে পড়েছেন। গত শনিবারের ঘটনার পর তিনি অনুতপ্ত। পরিবারের সবাই চান, তিনি সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসুন। প্রশাসনের এ উদ্যোগ তাঁদের পরিবারের জন্য উপকারে আসবে। গত শুক্রবার রাত ১২টার দিকে উজিরপুরের একটি বাজারে চুরির অভিযোগে ওই ব্যক্তিকে মারধর করে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখেন স্থানীয় কয়েকজন ব্যবসায়ী। পরদিন শনিবার সকালে খবর পেয়ে সেখানে ছুটে যায় তাঁর ৯ বছর বয়সী মেয়ে। বাবাকে আর মারধর না করার জন্য সে উপস্থিত লোকজনের কাছে আকুতি জানায়। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, রাস্তার পাশে একটি খুঁটির সঙ্গে ওই ব্যক্তির পা বেঁধে রাখা হয়েছে। তাঁর হাতে একটি চায়ের কাপ। মেয়েটি পাউরুটি ছিঁড়ে ছিঁড়ে চায়ে ভিজিয়ে বাবার মুখে তুলে দিচ্ছে। চারপাশে দাঁড়িয়ে থাকা লোকজন বিভিন্ন কথা বলছেন। বাবার মুখে রুটি তুলে দিতে দিতে মেয়েটি অসহায় দৃষ্টিতে তাকাচ্ছিল লোকজনের দিকে। বিষয়টি নিয়ে শনিবার প্রথম আলোসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশের পর দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা হয়। দেশ-বিদেশের বিভিন্ন ব্যক্তি শিশুটির পাশে দাঁড়ানো এবং পরিবারটিকে সহায়তার আগ্রহ প্রকাশ করেন। ওই ব্যক্তিকে মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে পাঠানোর মধ্য দিয়ে পরিবারটির পুনর্বাসনপ্রক্রিয়া শুরু করেছে উপজেলা প্রশাসন। ইউএনও মো. আলী সুজা সোমবার রাতে প্রথম আলোকে বলেন, ‘পরিবারটিকে সুরক্ষা দিতে প্রথমে ওই ব্যক্তিকে সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা প্রয়োজন। সে জন্য আমরা তাঁকে একটি বেসরকারি নিরাময় কেন্দ্রে পাঠিয়েছি। তিন মাস তিনি সেখানে থাকবেন। এর ব্যয়ভার আমরা বহন করব।’ ইউএনও আরও জানান, ওই ব্যক্তির স্ত্রীর জন্যও কর্মসংস্থানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। দেশ-বিদেশের অনেকে পরিবারটিকে সহায়তা করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের আর্থিক সহায়তা এবং উপজেলা প্রশাসনের আর্থিক সহায়তা মিলিয়ে চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ুয়া মেয়েটির পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। এ জন্য তার মায়ের নামে একটি স্থায়ী আমানত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আলী সুজা বলেন, ‘আশা করি, পরিবারটিকে আমরা সম্মিলিত উদ্যোগে সুরক্ষা দিতে পারব।’ প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন বরিশালপ্রশাসনচুরিবরিশাল বিভাগসহায়তা