উজিরপুরে চুরির অভিযোগে বাবাকে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে মারধরের ঘটনা

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

The article describes a specific incident of mob violence where locals beat and tied up a man accused of theft, occurring within the valid 14-day recency window in Bangladesh.

Reported by:Prothom AloSingle source
25/09/26•Uzirpur

Killed

0

Injured

1

Summary

বরিশালের উজিরপুরে চুরির অভিযোগে এক ব্যক্তিকে মারধর করে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখার ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে উপজেলা প্রশাসন ওই ব্যক্তিকে মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে পাঠিয়েছে এবং তার পরিবারের পুনর্বাসনের উদ্যোগ নিয়েছে।

AI analysis

Category

Mob Justice / Lynchings

Confidence

95% · severity 3

Perpetrator side

Locals

Victim side

Unknown

Other actors

মো. আলী সুজা

Tags

LynchingVigilante JusticeThief Caught

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 25/09/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Prothom Alo · 28/09/26open original ↗

ভিডিও ভাইরালের পর বরিশালের সেই বাবা-মেয়ের পাশে দাঁড়াল প্রশাসন

প্রতীকী ছবিএআইয়ের মাধ্যমে বানানো বরিশালের উজিরপুরে চুরির অভিযোগে মারধর করে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখা সেই বাবাকে সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনে ফেরানোর উদ্যোগ নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। এরই মধ্যে তাঁকে মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। বাবার মুখে রুটি তুলে দেওয়া মেয়ের পড়াশোনা নিশ্চিতের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার দুপুরে ওই ব্যক্তিকে বাড়ি থেকে বরিশাল নগরের একটি বেসরকারি মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে নেওয়া হয়। এর আগে গতকাল রোববার বিকেলে তাঁর বাড়িতে যান উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আলী সুজা। এ সময় তিনি ওই ব্যক্তিকে পরিবার ও সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার অনুরোধ করেন। পরে তিনি নিরাময় কেন্দ্রে যেতে রাজি হন। আরও পড়ুন চুরির অভিযোগে খুঁটির সঙ্গে বাঁধা বাবা, মুখে রুটি তুলে দিচ্ছিল ছোট্ট মেয়ে ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পরিবারটিকে সুরক্ষা দিতে প্রথমে ওই ব্যক্তিকে সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা প্রয়োজন। সে জন্য আমরা তাঁকে একটি বেসরকারি নিরাময় কেন্দ্রে পাঠিয়েছি। তিন মাস তিনি সেখানে থাকবেন। এর ব্যয়ভার আমরা বহন করব। মো. আলী সুজা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, বরিশালের উজিরপুর ওই ব্যক্তির স্ত্রীর ভাষ্য, একসময় তাঁর স্বামী ভালো ছিল। বন্ধুদের প্ররোচনায় মাদকাসক্ত হয়ে পড়েছেন। গত শনিবারের ঘটনার পর তিনি অনুতপ্ত। পরিবারের সবাই চান, তিনি সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসুন। প্রশাসনের এ উদ্যোগ তাঁদের পরিবারের জন্য উপকারে আসবে। গত শুক্রবার রাত ১২টার দিকে উজিরপুরের একটি বাজারে চুরির অভিযোগে ওই ব্যক্তিকে মারধর করে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখেন স্থানীয় কয়েকজন ব্যবসায়ী। পরদিন শনিবার সকালে খবর পেয়ে সেখানে ছুটে যায় তাঁর ৯ বছর বয়সী মেয়ে। বাবাকে আর মারধর না করার জন্য সে উপস্থিত লোকজনের কাছে আকুতি জানায়। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, রাস্তার পাশে একটি খুঁটির সঙ্গে ওই ব্যক্তির পা বেঁধে রাখা হয়েছে। তাঁর হাতে একটি চায়ের কাপ। মেয়েটি পাউরুটি ছিঁড়ে ছিঁড়ে চায়ে ভিজিয়ে বাবার মুখে তুলে দিচ্ছে। চারপাশে দাঁড়িয়ে থাকা লোকজন বিভিন্ন কথা বলছেন। বাবার মুখে রুটি তুলে দিতে দিতে মেয়েটি অসহায় দৃষ্টিতে তাকাচ্ছিল লোকজনের দিকে। বিষয়টি নিয়ে শনিবার প্রথম আলোসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশের পর দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা হয়। দেশ-বিদেশের বিভিন্ন ব্যক্তি শিশুটির পাশে দাঁড়ানো এবং পরিবারটিকে সহায়তার আগ্রহ প্রকাশ করেন। ওই ব্যক্তিকে মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে পাঠানোর মধ্য দিয়ে পরিবারটির পুনর্বাসনপ্রক্রিয়া শুরু করেছে উপজেলা প্রশাসন। ইউএনও মো. আলী সুজা সোমবার রাতে প্রথম আলোকে বলেন, ‘পরিবারটিকে সুরক্ষা দিতে প্রথমে ওই ব্যক্তিকে সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা প্রয়োজন। সে জন্য আমরা তাঁকে একটি বেসরকারি নিরাময় কেন্দ্রে পাঠিয়েছি। তিন মাস তিনি সেখানে থাকবেন। এর ব্যয়ভার আমরা বহন করব।’ ইউএনও আরও জানান, ওই ব্যক্তির স্ত্রীর জন্যও কর্মসংস্থানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। দেশ-বিদেশের অনেকে পরিবারটিকে সহায়তা করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের আর্থিক সহায়তা এবং উপজেলা প্রশাসনের আর্থিক সহায়তা মিলিয়ে চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ুয়া মেয়েটির পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। এ জন্য তার মায়ের নামে একটি স্থায়ী আমানত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আলী সুজা বলেন, ‘আশা করি, পরিবারটিকে আমরা সম্মিলিত উদ্যোগে সুরক্ষা দিতে পারব।’ প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন বরিশালপ্রশাসনচুরিবরিশাল বিভাগসহায়তা