৯ম পে-স্কেলের গেজেট দাবিতে যমুনা ঘেরাও, পুলিশের জলকামান-সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

This article reports a physical clash on the day of the event: police used water cannon, tear gas and sound grenades to break up government employees marching toward the Jamuna residence, and several protesters were injured. The event is recent (6 February 2026) and occurred in Dhaka, Bangladesh.

Reported by:SamakalSingle source
06/02/26•শাহবাগ, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়, যমুনা

Killed

0

Injured

3

Summary

ঢাকার শাহবাগ ও হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল এলাকায় ৯ম পে-স্কেলের গেজেটের দাবিতে যমুনা অভিমুখী সরকারি কর্মচারীদের মিছিলে পুলিশ জলকামান, টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে। এতে কয়েকজন আহত হয়েছেন এবং আন্দোলনকারীরা যমুনার সামনে অবস্থান করছেন।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

85% · severity 5

Perpetrator side

Law Enforcement

Victim side

Locals

Other actors

সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ (আন্দোলনকারী সরকারি কর্মচারী)ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলীপুলিশ

Tags

Rally Violence

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 3

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Law Enforcement

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 06/02/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Samakal · 06/02/26open original ↗

৯ম পে-স্কেলের গেজেট দাবিতে যমুনা ঘেরাও, পুলিশের জলকামান-সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ

৯ম পে-স্কেলের গেজেট দাবিতে যমুনা ঘেরাও, পুলিশের জলকামান-সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ ছবি-সংগৃহীত সমকাল প্রতিবেদক প্রকাশ: ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ১২:৩৪ | আপডেট: ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ২১:৪১ সরকারি চাকরিতে নবম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ ও বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভকারীদের ওপর জলকামান, টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়েছে পুলিশ। আজ শুক্রবার সকালে আন্দোলনরতরা প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা অভিমুখে মিছিল নিয়ে গেলে প্রথমে শাহবাগে তাদের বাধা দেওয়া হয়। তাতে কাজ না হওয়ায় পরে দফায় দফায় টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা চালায় পুলিশ। এর আগে সকালে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে তাদের সমাবেশ শুরু হয়। পরে সেখান থেকে বেলা ১১টার দিকে সরকারি কর্মচারীরা একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শাহবাগ মুখে রওনা দিলে পুলিশ তাতে বাধা দেয়। এক পর্যায়ে মুখোমুখি অবস্থানে চলে যায় পুলিশ-আন্দোলনকারীরা। এ সময় আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে জলকামান ছোঁড়ে পুলিশ। তাৎক্ষণিকভাবে কিছুটা ছত্রভঙ্গ হলেও পরে তারা আবার একত্রিত হন। তারা যমুনার দিকে এগিয়ে গেলে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়ে আবার বাধা দেয় পুলিশ। এ পর্যায়ে পুলিশ টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়তে শুরু করে। কয়েক দফায় টিয়ারগ্যাস ছোড়া হলেও আন্দোলনকারীরা যমুনার দিকে এগিয়ে যান। এখনো তারা যমুনার সামনে অবস্থান করছেন। সর্বশেষ ১২টা ৩০ মিনিটের দিকে ডিএমপি কমিশনারের উপস্থিতিতে আবারও অ্যাকশনে যায় পুলিশ। এদিকে দফায় দফায় টিয়ারগ্যাস ছোড়ায় কয়েকজন আহত হয়েছেন। সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের ব্যানারে এ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। পে স্কেলের গেজেট প্রকাশ এবং ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকরের দাবি জানিয়েছেন তারা। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী ঘটনাস্থলে বলেন, প্রধান উপদেষ্টার নিরাপত্তাজনিত কারণে এই এলাকায় সভা-সমাবেশ-জমায়েতের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া রয়েছে। তাই এখান থেকে আন্দোলনকারীদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সর্বশেষ পুলিশের অ্যাকশনের পর আন্দোলনকারীরা হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়ে অবস্থান করছেন। তবে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন বলে জানিয়েছেন। বিজিবি মোতায়েন এদিকে রাষ্ট্রীয় ভবন যমুনার নিরাপত্তায় কাকরাইল মসজিদ ও হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল এলাকায় ৬ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। এর আগে দাবি আদায় টানা তিনদিন দুই ঘণ্টা করে কর্মবিরতি পালন করেন সরকারি কর্মচারীরা। পরে বৃহস্পতিবার চার ঘণ্টা কর্মবিরতি কর্মসূচি পালন করেছেন তারা। পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী আজ শুক্রবার শহীদ মিনার থেকে মিছিল বের করেন তারা। আন্দোলনকারীরা বলছেন, সময় বাড়িয়ে ৪ ঘণ্টা কর্মবিরতি পালন করেছি। সকাল ৯টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত সারাদেশে সব সরকারি, আধা সরকারি ও পে স্কেলের আওতাভুক্ত অফিসে এ কর্মসূচী পালন করা হয়েছে। আজ বড় জমায়েতের ঘোষণা দিয়ে রেখেছিলেন তারা। - বিষয় : - যমুনা - আন্দোলন - বেতন - সরকারি কর্মকর্তা