দৌলতপুরে ভাইয়ের হাঁসুয়ার কোপে ভাই খুন
Why this classification
The article describes a personal family conflict where a brother killed another using a tool after a money dispute; there is no mention of political parties or motives, so it is not political violence.
Killed
1
Injured
0
Summary
দৌলতপুরের তাজপুর গ্রামে মাদকাসক্ত রাছেল তার বাবার কাছ থেকে টাকা না পেয়ে বাবা মারধর করে, ছোট ভাই ইমরান হোসেন ডাব কাটার হাঁসুয়া দিয়ে রাছেলের পা কুঁচিয়ে মারেন; রাছেল হাসপাতালে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মারা যান।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
95% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 01/10/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (3 sources)
দৌলতপুরে বাড়ির সামনে হামলার ঘটনায় মামলা
দৌলতপুরে বাড়ির সামনে হামলার ঘটনায় মামলা ফাইল ছবি দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২২ এপ্রিল ২০২৬ | ০০:২৬ কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে দুর্বৃত্তদের গুলিতে আহত হয়েছেন স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতাসহ ১০ জন। সোমবার রাতে উপজেলার মরিচা ইউনিয়নের মাজদিয়াড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত ব্যক্তিরা কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আহতদের মধ্যে মরিচা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রবিউল ইসলামের (৩৬) অবস্থা গুরুতর বলে স্বজনেরা জানিয়েছেন। এ ঘটনায় গতকাল মঙ্গলবার রাতে তাঁর বড় ভাই রুহুল আমিন বাদী হয়ে দৌলতপুর থানায় মামলা করেছেন। আহত অন্যরা হলেন–রবিউলের বাবা হাফেজ প্রামাণিক (৭০), সোহেল রানা (৪৫) ও তাঁর স্ত্রী তমা খাতুন (২৬), কামরুল ইসলাম (৩৭), মুন্নি খাতুন (২৪), রুনা খাতুন (২৭), মিতা খাতুন (৩০), তৌহিদুল ইসলাম (৩০) ও তাঁর স্ত্রী মেরিন খাতুন (২৫)। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে মাজদিয়াড় এলাকায় বিদ্যুৎ ছিল না। এ সময় রবিউল ইসলাম নিজ বাড়ির সামনে হাঁটাহাঁটি করছিলেন। হঠাৎ ১০-১৫ জন সশস্ত্র ব্যক্তি তাঁর ওপর অতর্কিতে হামলা চালায়। চিৎকার শুনে রবিউলের বাবা-মা ও প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়তে শুরু করে। এ সময় ঘটনাস্থলেই রবিউল, তাঁর পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা গুলিবিদ্ধ হন। পরে ফাঁকা গুলি ছুড়ে এলাকা ছেড়ে যায় হামলাকারীরা। রবিউল ইসলামের মামা লিয়াকত মেম্বার বলেন, ‘আমার ভাগনের সঙ্গে কারও কোনো বিরোধ ছিল না। রাতে হঠাৎ করেই ১০-১৫ জনের সশস্ত্র দল এসে হামলা চালায়। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে রবিউলের অবস্থা কিছুটা গুরুতর। তবে অন্যরা আশঙ্কামুক্ত।’ এ বিষয়ে মামলার বাদী রুহুল আমিন বলেন, গত সংসদ নির্বাচনের সময় প্রতিপক্ষের সঙ্গে তাঁর ভাই রবিউলের বিবাদ হয়েছিল। ওই বিবাদের জেরে এই গুলির ঘটনা ঘটতে পারে। দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান জানান, রাতে মরিচা ইউনিয়নে কয়েক রাউন্ড গুলির ঘটনার খবর পান। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ১০ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তাদের মধ্যে রবিউল ইসলামের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এখন পর্যন্ত হামলার সুনির্দিষ্ট কারণ জানা যায়নি। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
ছোট ভাইয়ের হাঁসুয়ার কোপে বড় ভাই নিহতের অভিযোগ
কুষ্টিয়া দৌলতপুরে ছোট ভাই ইমরানের হাঁসুয়ার কোপে বড় ভাই রাসেল (২৫) নিহত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (২ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার হোগলবাড়ীয়া ইউনিয়নের তাজপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে বিকেল পাঁচটার দিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান রাসেল। নিহত রাসেল তাজপুর গ্রামের আহাদ আলীর বড় ছেলে। দৌলতপুরে পরপর তিনদিনে তিনটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনার ঘটলো। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তাজপুর গ্রামের আহাদ আলীর দুই ছেলে রাসেল ও ইমরানের মধ্যে পারিবারিক বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বাবার উপস্থিতিতে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে ছোট ভাই ইমরান ক্ষিপ্ত হয়ে বড় ভাই রাসেলের পায়ে ধারালো হাঁসুয়া দিয়ে আঘাত করেন। এতে রাসেল গুরুতর জখম হন। পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে রক্তক্ষরণ বন্ধ না হওয়ায় আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেল পাঁচটার দিকে তার মৃত্যু হয়। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত ছোট ভাই ইমরান পলাতক রয়েছেন। তবে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে নিহত রাসেলের পরিবারের দাবি ভিন্ন। তাদের দাবি, রাসেলকে কেউ আঘাত করেনি, তিনি বাঁশবাগানে বাঁশ কাটতে গিয়ে অসাবধানতাবশত নিজেই আঘাত পেয়ে মারা গেছেন। দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান বলেন, পারিবারিক বিরোধের জের ধরে ছোট ভাইয়ের আঘাতে বড় ভাইয়ের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। তিনি আরও বলেন, ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত ইমরান পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে। প্রসঙ্গত, গত তিন দিনে দৌলতপুর উপজেলায় তিনটি পৃথক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটল। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) কামালপুর এলাকার একটি মাঠ থেকে রাজা হোসেন (২৫) নামের এক নিখোঁজ যুবকের খড়চাপা দেওয়া মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) উপজেলার রামকৃষ্ণপুরে সংঘর্ষ ও গোলাগুলিতে গোলাম মোস্তফা টেংগর (৫৮) নামের এক ব্যক্তি নিহত হন। পরপর তিন দিনে তিনটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সাধারণ মানুষের মনে গভীর উদ্বেগ ও আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। রবিউল আলম ইভান/এসএইচএ
দৌলতপুরে ভাইয়ের হাঁসুয়ার কোপে ভাই খুন
দৌলতপুরে ভাইয়ের হাঁসুয়ার কোপে ভাই খুন Advertisement দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে বাবাকে মারধরের ঘটনায় বড় ভাই এমদাদ হোসেন রাছেলকে (৩৫) ডাব কাটার হাঁসুয়া দিয়ে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ছোট ভাই ইমরান হোসেনের (৩০) বিরুদ্ধে। উপজেলার হোগলবাড়িয়া ইউনিয়নের তাজপুর গ্রামে এ ঘটনার পর শুক্রবার রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাছেলের মৃত্যু হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকালে মাদকাসক্ত রাছেল তার বাবা আহাদ হোসেনের কাছে ২০০ টাকা চান। আহাদ হোসেন ২০০ টাকার পরিবর্তে তাকে ২০ টাকা দিয়ে চলে যেতে বলেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে রাছেল বাবাকে মারধর করেন। বিষয়টি জানতে পেরে ছোট ভাই ইমরান বাড়িতে এসে বাবার ডাব কাটার হাঁসুয়া দিয়ে রাছেলের পায়ে কোপ দিলে তিনি গুরুতর আহত হন। পরিবারের সদস্যরা আহত রাছেলকে প্রথমে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। শুক্রবার বিকালে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়। নিহত রাছেলের বিরুদ্ধে দৌলতপুর থানায় তিনটি এবং ঈশ্বরদী থানায় একটি মাদক মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ইমরান হোসেন পলাতক রয়েছেন। দৌলতপুর থানার ওসি খালিদুর রহমান জানান, রাছেলকে রাজশাহী নেওয়া অ্যাম্বুলেন্স ও তার তিন স্বজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আনা হয়েছে। অভিযুক্ত ইমরান বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
