গণঅভ্যুত্থানের অনুষ্ঠানে জুলাইযোদ্ধাদের মারতে তেড়ে গেলেন বিএনপি নেতারা

AI-classifiedconfidence 90%

Why this classification

The article describes a political confrontation where party members attempted to assault a speaker during a public event, which qualifies as political violence.

Reported by:JugantorSingle source
05/08/26•Kaliganj Upazila Auditorium

Killed

0

Injured

0

Summary

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে জুলাই সনদ নিয়ে বক্তব্যের প্রতিবাদে বিএনপি ও যুবদলের নেতাকর্মীরা জুলাই যোদ্ধা হুসাইন আহমেদকে মারতে তেড়ে যান। স্থানীয় এমপি ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

90% · severity 2

Perpetrator side

BNP

Victim side

Locals

Other actors

Hussain AhmedMahabubur Rahman MilanJewel RanaSohail AhmedAbu TalebRezwana NahidJellal Hossain

Tags

Party ClashRally Violence

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: BNP

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 05/08/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 05/08/26open original ↗

গণঅভ্যুত্থানের অনুষ্ঠানে জুলাইযোদ্ধাদের মারতে তেড়ে গেলেন বিএনপি নেতারা

গণঅভ্যুত্থানের অনুষ্ঠানে জুলাইযোদ্ধাদের মারতে তেড়ে গেলেন বিএনপি নেতারা Advertisement কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৫ আগস্ট ২০২৬, ০৬:৪৮ পিএম ছবি: সংগৃহীত জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে সরকারের অবস্থান নিয়ে বক্তব্য দেওয়ায় ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে জুলাইযোদ্ধাদের মারতে তেড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। গণভোটের রায় বাস্তবায়নে সরকারের অবস্থানের সমালোচনা করায় বিএনপি ও যুবদলের নেতাকর্মীরা জুলাইযোদ্ধাদের দিকে মারতে তেড়ে যান বলে অভিযোগ উঠেছে। পরে প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতাদের হস্তক্ষেপে সংক্ষিপ্ত আকারে সভা শেষ করা হয়। বুধবার (৫ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে কালীগঞ্জ উপজেলা অডিটোরিয়ামে এ ঘটনা ঘটে। এছাড়া জুলাই অভ্যুত্থানে সম্মুখসারির যোদ্ধাদের দাওয়াত না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা প্রশাসনের বিরুদ্ধে। যাদের অধিকাংশই ছাত্রদলের নেতাকর্মী। দোয়া মাহফিল ও সংবর্ধনা সভায় উপস্থিত একাধিক সূত্রে জানা গেছে, সকালে কালীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা অডিটোরিয়ামে দোয়া মাহফিল ও সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। সভায় ঝিনাইদহ-৪ আসনের (কালীগঞ্জ-সদর আংশিক) এমপি আবু তালেব, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানা নাহিদ, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হামিদুল ইসলাম অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে জুলাইযোদ্ধা, স্থানীয় সংবাদকর্মী ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে উপজেলার গেজেটভুক্ত জুলাইযোদ্ধা হুসাইন আহমেদ বক্তব্য রাখেন। বক্তব্যে হুসাইন আহমেদ বলেন, এই সরকার জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে নানা রকম সাংবিধানিক অজুহাত সামনে আনছে। গণভোট কে সরকার অবৈধ বলে আখ্যা দিচ্ছে। তাহলে আমরা বলতে চাই, গণভোট অবৈধ হলে এই সরকারও অবৈধ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সূত্র জানিয়েছে, জুলাইযোদ্ধা হুসাইন আহমেদের এমন বক্তব্যের বিরোধিতা করেন উপস্থিত বিএনপি ও যুবদলের নেতাকর্মীরা। উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মাহাবুবুর রহমান মিলন, আওয়ামী লীগ থেকে বিএনপিতে যোগ দেওয়া নজরুল মোল্লার ছেলে জুয়েল রানা ও আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি আনারের ঘনিষ্ঠ সোহেল আহমেদ জুলাইযোদ্ধা হুসাইন আহমেদ সহ অন্যান্যদের দিকে মারতে তেড়ে যান। এ সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আবু তালিব, উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেজওয়ানা নাহিদ, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক তবিবুর রহমান মিনি, সাবেক যুগ্ম আহবায়ক হামিদুল ইসলাম, কালীগঞ্জ থানার ওসি জেল্লাল হোসেনসহ অন্যান্যরা। এক পর্যায়ে স্থানীয় এমপি আবু তালেব, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হামিদুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানা নাহিদ ও কালীগঞ্জ থানার ওসি জেল্লাল হোসেন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে জুলাইযোদ্ধা হুসাইন আহমেদের বক্তব্য থামিয়ে অনুষ্ঠান পুনরায় শুরু হয়। পরিস্থিতি বিবেচনায় দোয়া মোনাজাতের মধ্য দিয়ে দ্রুত অনুষ্ঠান শেষ করা হয় বলেও জানা গেছে। জুলাইযোদ্ধা হুসাইন আহমেদ বলেন, আমি যখন বক্তব্য দিচ্ছিলাম, বিএনপির কিছু লোকজন সেটির বিরোধিতা করে। ওই সময় সাংবাদিক পরিচয়ে বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসররাও বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগ দিয়ে আমার বক্তব্য থামিয়ে দেওয়া হয়েছে। জুলাই আন্দোলনকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বলা সেই সব কথিত ফ্যাসিস্টের দোসর এক কথিত সাংবাদিক আজ এ ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছে। কিন্তু আমরা বস্তুনিষ্ঠ ও গণমানুষের সাংবাদিক চেয়েছিলাম। এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হামিদুল ইসলাম বলেন, ওখানে তেমন কোনো ঘটনা ঘটেনি। একজন সরকারবিরোধী বক্তব্য দেয়। এ সময় মঞ্চের সামনে উপস্থিত বিএনপি ও যুবদলের নেতাকর্মীরা বক্তব্যের প্রতিবাদ করেন। মারতে তেড়ে যাওয়ার মতো কোনো ঘটনা ঘটেনি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানা নাহিদ বলেন, উপজেলার নিবন্ধিত জুলাইযোদ্ধা হুসাইন আহমেদ বক্তব্য দিচ্ছিলেন। তার বক্তব্য চলাকালে স্থানীয় বিএনপির কিছু নেতাকর্মী তার বক্তব্যের বিরোধিতা করেন। এ সময় বাগবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়। পরে আমাদের সকলের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়। দোয়া মাহফিল ও সংবর্ধনার মধ্যদিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠান সম্পন্ন করা হয়েছে।