পাকুন্দিয়ায় খাল খনন কর্মসূচি ঘিরে বিএনপির দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া
Why this classification
This incident was classified as political violence in Nilphamari. Parties reported: BNP, Jubo Dal. Reported casualties: 0 killed and 5 injured. Reported by 2 sources.
Killed
0
Injured
5
Summary
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় ২৩ মার্চ ২০২৬ তারিখে একটি খাল খনন কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
89% · severity 4
Parties involved
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 5
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 23/03/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
অষ্টগ্রামে জলমহাল নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ২৫
কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামে জলমহালের ভোগদখলকে কেন্দ্র করে উপজেলা বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার পূর্ব অষ্টগ্রামের আখড়াবাজার এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। বিকাল ৩টা পর্যন্ত থেমে থেমে এ সংঘর্ষ চলে। স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বিলমাকশা জলমহালের ভোগদখল নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে উপজেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাঈদ আহমদ ও সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম শাহিনের অনুসারীদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এরই জেরে শুক্রবার দুপুরে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। আহতদের অষ্টগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি ও চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। অষ্টগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) আমিনুল ইসলাম বলেন, দুপুর ২টা পর্যন্ত ২২ জন চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের মধ্যে পাঁচজন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন এবং একজনকে গুরুতর অবস্থায় কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম শাহিন অভিযোগ করেন, বিলমাকশা জলমহালটি গত বছর তিনি ইজারা নিয়েছিলেন। এবারও সর্বোচ্চ দরদাতা হলেও উপজেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাঈদ আহমদ বিভিন্নভাবে বাধা দিচ্ছেন। আইনি প্রক্রিয়ায় ব্যর্থ হয়ে জলমহালটি লুটপাটের জন্য তিনি (সৈয়দ সাঈদ আহমদ) স্থানীয় সাধারণ মানুষকে উসকে দিচ্ছেন। এমনকি আজ তার অনুসারীদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাঈদ আহমদ। তার দাবি, শাহিনের সমর্থকেরাই প্রথমে তার লোকজনের ওপর হামলা চালিয়েছে।অষ্টগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রোকনুজ্জামান জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পাকুন্দিয়ায় খাল খনন কর্মসূচি ঘিরে বিএনপির দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় খাল খনন কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। সোমবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার এগারসিন্দুর ইউনিয়নের দক্ষিণ খামা গ্রামেছবি: প্রথম আলো কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় স্বেচ্ছাশ্রমে খাল খনন কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। সোমবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার এগারসিন্দুর ইউনিয়নের দক্ষিণ খামা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। উভয় পক্ষের দাবি, কয়েকজন আহত হয়েছেন। তবে আহত ব্যক্তিদের নাম–পরিচয় জানা যায়নি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোলডুবা-খামা সংযোগ খাল খননের অংশ হিসেবে যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক কর্মসংস্থান সম্পাদক খন্দকার আল আশরাফ ওরফে মামুনের উদ্যোগে সকাল আটটায় কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। খননকাজ চলাকালে কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনের সংসদ সদস্য জালাল উদ্দিনের সমর্থকেরা ঘটনাস্থলে আসেন। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং একপর্যায়ে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পাকুন্দিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রূপম দাস ও পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম আরিফুর রহমানের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। নুরুল ইসলামসহ অন্তত পাঁচজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধনের সময় খন্দকার আল আশরাফের লোকজন এবং সংসদ সদস্য জালাল উদ্দিনের পক্ষে উপজেলা বিএনপির সদস্য আবুল কালাম, স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি খুরশিদ উদ্দিনসহ উভয় পক্ষের লোকজনের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হন। এ বিষয়ে যুবদলের সাবেক নেতা খন্দকার আল আশরাফ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে খাল খনন একটি জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ। এটি বাস্তবায়নের সময় বিএনপির নামধারী কিছু ব্যক্তি দেশি অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়, এতে নিজের কয়েকজন কর্মী আহত হয়েছেন বলে তিনি দাবি করেন। স্থানীয় সংসদ সদস্যের অনুসারী হিসেবে পরিচিত স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি খুর্শিদ উদ্দিন বলেন, ‘এই খাল সরকারিভাবে খননের জন্য আমরা সংসদ সদস্য জালাল উদ্দিনের কাছে আবেদনপত্র জমা দিয়েছিলাম। যাঁরা এই কাজ করছেন, তাঁরা নিজেদের জমি বাঁচাতে নামমাত্র পরিষ্কার করে ছবি তুলেছে। ঘটনা জানার পর আমরা দেখতে গিয়েছিলাম। আমরা হামলা করিনি। উল্টো প্রতিপক্ষের লোকজনই আমাদের ওপর হামলা করেছে। এতে আমাদের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।’ এ বিষয়ে পাকুন্দিয়া থানার ওসি এস এম আরিফুর রহমান বলেন, এক পক্ষ খাল পরিষ্কার করতে এলে অন্য পক্ষ বাধা দেয়, এ থেকেই উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। একই কথা জানান ইউএনও রূপম দাস। তিনি বলেন, খাল পরিষ্কার কর্মসূচি ঘিরে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনার খবর পেয়ে প্রশাসন ঘটনাস্থলে যায়। বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। এ বিষয়ে কথা হয় কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনের সংসদ সদস্য ও পাকুন্দিয়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. জালাল উদ্দিনের সঙ্গে। প্রথম আলোকে তিনি বলেন, ‘কে বা কারা খাল খননের নামে আগাছা পরিষ্কার করছে, সেটা আমার জানা নেই। আর যে উদ্যোক্তারা ব্যানার নিয়ে খনন কর্মসূচিতে এসেছেন, নির্বাচনে ধানের শীষের পক্ষে প্রচার–প্রচারণায় কখনো তাঁদেরকে দেখা যায়নি। এমনকি তাঁদের ডেকেও আমি নির্বাচনের মাঠে নামাতে পারিনি। এখন তাঁরা খননের নামে লোক দেখাতে এসেছেন। তবে কেউ যদি প্রকৃতপক্ষে স্বেচ্ছাশ্রমে খাল খনন করে, তাহলে আমি তাঁদের সাধুবাদ জানাই এবং বাড়িতে তাঁদের ভাত খাইয়ে দিব। এ ছাড়া আজকের ঘটনায় আমার পক্ষের কোনো লোক ছিল না। হয়তো এলাকাবাসী কর্মসূচিতে বাধা দিতে পারে।’ প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন কিশোরগঞ্জপাকুন্দিয়াঢাকা বিভাগবিএনপিখাল খননসংঘর্ষ
