ছুরিকাঘাতে বিএনপি কর্মী খুন, অভিযোগ জামায়াত নেতার ছেলের বিরুদ্ধে
Why this classification
This report describes one specific incident in Mymensingh on 2 June 2026, in which a BNP worker was allegedly stabbed to death by the son of a Jamaat leader during an election-related dispute, with five others injured. A stabbing that caused a death is a clear violent incident within the reporting window.
Killed
1
Injured
5
Summary
ময়মনসিংহ নগরের ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে ২ জুন বিকেলে নির্বাচনি বিরোধের জেরে জামায়াত নেতা মফিদুল ইসলাম মাস্টারের ছেলে মাহিনের ছুরিকাঘাতে বিএনপি কর্মী রানা মিয়া (২৮) নিহত হন এবং আরও পাঁচজন আহত হন। অভিযুক্ত পক্ষ হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে এবং পুলিশ জানিয়েছে ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
85% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 5
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Jamaat
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 02/06/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
জামায়াত নেতার ছেলের ছুরিকাঘাতে বিএনপির কর্মী নিহত
ময়মনসিংহে জামায়াত নেতার ছেলের ছুরিকাঘাতে রানা মিয়া (২৮) নামে এক বিএনপির কর্মী নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (২ জুন) বিকেল ৫টার দিকে নগরীর ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের চর ঈশ্বরদিয়া মধ্যাপাড়া গ্রামের গাঙ্গের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। সন্ধ্যা ৭টার দিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত রানা মিয়া একই এলাকার মৃত শরাফ উদ্দিনের ছেলে। তিনি পেশায় অটোরিকশা চালক ছিলেন এবং বিএনপির কর্মী ছিলেন বলে দাবি স্বজনদের। নিহতের স্বজনরা জানান, জাতীয় নির্বাচনে রানা মিয়া বিএনপির দলীয় প্রার্থীর পক্ষে মাঠে কাজ করেন। এরপর থেকে মহানগর জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য মফিদুল ইসলামের পরিবারের সঙ্গে রানা মিয়াদের পরিবারের বিরোধ চলে আসছিল। তাদের দাবি, গত সোমবার মফিদুল মাস্টারের বাড়ির কয়েকজন তরুণ ফুটবল খেলা শেষে রানা মিয়াদের বাড়ির কাছের একটি দোকানে কোমল পানীয় কিনতে আসে। এ সময় দোকানে থাকা তরুণদের সঙ্গে তাদের বাগবিতণ্ডা হয়। এর জেরে রাতে জামায়াত নেতার পরিবারের লোকজন দলবদ্ধ হয়ে রানা মিয়াদের এলাকায় হামলা করতে আসে। পরে জামায়াত নেতা নিজে গিয়ে বিরোধ মিটিয়ে চলে যান। স্বজনদের অভিযোগ, মঙ্গলবার বিকেলে জামায়াত নেতার ছেলে মো. মাহিন ৫০ থেকে ৬০ জন লোক নিয়ে এসে রানা মিয়াদের এলাকায় হামলা চালায়। এ সময় ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হন রানা। পরে তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় আরও অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন। নিহত রানার বড় ভাই তোফাজ্জল হোসেন বলেন, আমার ভাইকে বিনা কারণে মফিদুল মাস্টারের ছেলে ছুরি দিয়ে বুকে আঘাত করে। আমার ভাইয়ের হত্যাকারীর ফাঁসি চাই। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে মহানগর জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য মফিদুল ইসলাম বলেন, আমি বা আমার ছেলে ঘটনার সময় উপস্থিত ছিলাম না। আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। ময়মনসিংহ মহানগর জামায়াতের আমির কামরুল আহসান বলেন, ঘটনাটি আমরা জেনেছি। এটি রাজনৈতিক কোনো বিষয় নিয়ে ঘটেনি। গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্বে এ ঘটনা ঘটেছে। ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, প্রাথমিকভাবে আমরা জেনেছি রাজনৈতিক বিরোধে হত্যার ঘটনাটি ঘটেছে। এ নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা রয়েছে। এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। সাখাওয়াত সুমন/আরএআর
ছুরিকাঘাতে বিএনপি কর্মী খুন, অভিযোগ জামায়াত নেতার ছেলের বিরুদ্ধে
ছুরিকাঘাতে বিএনপি কর্মী খুন, অভিযোগ জামায়াত নেতার ছেলের বিরুদ্ধে Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন প্রকাশ: ০২ জুন ২০২৬, ১১:৪৯ পিএম কোতোয়ালি মডেল থানা, ময়মনসিংহ। ফাইল ছবি ময়মনসিংহ নগরে নির্বাচনি বিরোধের জেরে বিএনপির এক কর্মীকে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে জামায়াত নেতার ছেলের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরও পাঁচজন। মঙ্গলবার (২ জুন) বিকাল ৫টার দিকে নগরীর ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের চর ঈশ্বরদিয়া মধ্যপাড়া গ্রামের গাঙ্গের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে বলে জানান ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মুহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম। নিহত রানা মিয়া (২৮) একই এলাকার প্রয়াত শরাফ উদ্দিনের ছেলে। তিনি পেশায় অটোরিকশা চালক ছিলেন। রানা বিএনপির কর্মী ছিলেন বলে দাবি স্বজনদের। আহতরা হলেন- একই এলাকার আশাদ (৩৬), মোফাজ্জল (৩৫), শাহান (৪৫), মুনসুর আলী (৫০), শাকিল (৩০) এবং দিনি মিয়া (৩৫)। তারা ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। রানার স্বজন মাহাবুল বলেন, জাতীয় নির্বাচনে আমরা বিএনপির পক্ষে কাজ করেছি ও ধানের শীষে ভোট দিয়েছি। এরপর থেকে ময়মনসিংহ মহানগর জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য মফিদুল ইসলাম মাস্টারের ছেলে মাহিনের সঙ্গে আমাদের বিরোধ চলে আসছিল। সোমবার (১ জুন) মফিদুল মাস্টারের বাড়ির ছেলেরা ফুটবল খেলা শেষে আমাদের বাড়ির সামনে দোকানে কোমল পানিও কিনতে আসে। এ সময় এক কাউন্সিলর প্রার্থীর পক্ষে কোমল পানিও খাচ্ছে বলে রানা মিয়ার পক্ষের লোকজন তাদের কটু কথা বলেন। এতে মফিদুল মাস্টারের বাড়ির লোকজন ভোটের জেদ মেটাতে মারধরের হুমকি দিয়ে চলে যান। এ ঘটনার পর রাতে মফিদুল মাস্টারের বাড়ির ছেলেরা আমাদের বাড়িতে হামলা চালায়। পরে মফিদুল মাস্টার নিজে আমাদের বাড়িতে এসে বিষয়টি মীমাংসা করে চলে যান। মাহাবুল বলেন, এদিন বিকালে মফিদুল মাস্টার অন্তত ৫০ থেকে ৬০ জন লোক নিয়ে এসে হামলা চালায়। হামলার সময় মাহিন ছুরি দিয়ে রানার বুকের পাশে আঘাত করেন। তাকে বাঁচাতে গিয়ে আহত হন আরও পাঁচজন। পরে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রানাকে মৃত ঘোষণা করেন বলে জানান তিনি। রানার ভাই তোফাজ্জল হোসেন বলেন, তার ভাইকে বিনা কারণে বুকে ছুরি দিয়ে আঘাত করা হয়। হত্যাকারীদের ফাঁসি চেয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন তিনি। হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে জামায়াত নেতা মফিদুল ইসলাম মাস্টার বলেন, আমি বা আমার ছেলে ঘটনার সময় উপস্থিত ছিলাম না। আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। ওসি শিবিরুল ইসলাম বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
