মেহেরপুরে এমপির হাসপাতাল পরিদর্শন ঘিরে বিএনপি-জামায়াতের মধ্যে উত্তেজনা, বিদ্যুৎ কার্যালয় ঘেরাও
Why this classification
This incident was classified as political violence in Meherpur. Parties reported: BNP, Jamaat. Reported casualties: 0 killed and 1 injured. Reported by 1 source.
Killed
0
Injured
1
Summary
২০২৬ সালের ১২ আগস্ট বুধবার মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে সংসদ সদস্য তাজউদ্দীন খানের পরিদর্শনের সময় জামায়াত কর্মীরা বিএনপির এক কর্মীকে দালাল সন্দেহে মারধর করে। এর প্রতিক্রিয়ায় বিএনপির কর্মীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে পাশের ওজোপাডিকো কার্যালয় ঘেরাও করে বিক্ষোভ করে, যা পুলিশ এসে নিয়ন্ত্রণে আনে।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
73% · severity 5
Parties involved
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 12/08/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (3 sources)
হাসপাতাল পরিদর্শনে এমপি, ভেতরেই বিএনপি-জামায়াত নেতাকর্মীদের হাতাহাতি
মেহেরপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ পরিদর্শনে গিয়ে বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর মেহেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. তাজউদ্দিন খানের সঙ্গে থাকা লোকজনের হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে হাসপাতালের তৃতীয় তলায় এ ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংসদ সদস্য মো. তাজউদ্দিন খান বুধবার হাসপাতাল পরিদর্শনে যান। এ সময় তিনি বিভিন্ন আউটসোর্সিংয়ের কর্মীর পরিচয়পত্র এবং তাদের নিয়োগের বিষয়ে জানতে চান। এ নিয়ে সেখানে উপস্থিত বিএনপির এক পক্ষের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংসদ সদস্যের সঙ্গে থাকা লোকজনের বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে সংসদ সদস্যের ব্যক্তিগত দেহরক্ষী ছাত্রদলের এক কর্মীকে থাপ্পড় দেন বলে অভিযোগ ওঠে। এরপর দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। খবর পেয়ে মেহেরপুর সদর থানা পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। জেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি নাহিদ মোহাম্মদ সানি বলেন, রবি নামে আমাদের এক কর্মীকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ লিফটের কাছে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছে। জামায়াতের কর্মীরা তাকে দেখে মারধর করলে সেখানে হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। ঘটনার পর নিরাপত্তার কারণে সংসদ সদস্য তাজউদ্দিন খান হাসপাতাল থেকে বের হয়ে মেহেরপুর ওজোপাডিকোর চত্বরে গিয়ে অবস্থান নেন।এদিকে সংঘর্ষের খবর ছড়িয়ে পড়লে ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা হাসপাতালের প্রধান ফটকের সামনে জড়ো হন। সেখানে তারা জামায়াতবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সংসদ সদস্য মো. তাজউদ্দিন খানকে নিরাপদে সেখান থেকে সরিয়ে তার ব্যক্তিগত কার্যালয়ে পৌঁছে দেন। এ বিষয়ে জেলা জামায়াতে ইসলামীর সাধারণ সম্পাদক মো. ইকবাল হোসেন অভিযোগ করে বলেন, হাসপাতাল কি বর্তমানে বিএনপির একটি পক্ষের কাছে জিম্মি হয়ে আছে? সংসদ সদস্য হাসপাতাল পরিদর্শনে গেলে কিছু অতিরিক্ত আউটসোর্সিং লোকবল দেখতে পান। তাদের নিয়োগের বিষয়ে জানতে চাইলে তারা জানান, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুল ইসলাম তাদের হাসপাতালে নিয়োগ দিয়েছেন। এ সময় ছাত্রদলের একজন কর্মী আমাদের সঙ্গে খারাপ আচরণ শুরু করলে সংসদ সদস্যের ব্যক্তিগত দেহরক্ষী তাকে একটি থাপ্পড় দেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা জড়ো হয়ে আমাদের ওপর হামলা ও অবরুদ্ধ করার চেষ্টা করে। অন্যদিকে বিএনপি নেতা সাইদুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, হাসপাতালের সুপারের বৈধভাবে নিয়োগ দেওয়া কর্মচারীদের অবৈধ আখ্যা দিয়ে জামায়াতের এমপির সঙ্গে থাকা লোকজন তাদের মারধর করেন। এ সময় স্থানীয় লোকজন জামায়াতের এমপির ওপর চড়াও হন। তিনি জেলার একজন অভিভাবক হিসেবে জামায়াতের ক্যাডার বাহিনী নিয়ে এ ধরনের কর্মকাণ্ড করেছেন। আমি এর নিন্দা জানাই এবং ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি। মেহেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবীর বলেন, খবর পেয়ে পুলিশের বেশ কয়েকটি দল ঘটনাস্থলে যায়। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সংসদ সদস্য মো. তাজউদ্দিন খানকে নিরাপদে সরিয়ে তার ব্যক্তিগত কার্যালয়ে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাসপাতাল এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে তোপের মুখে জামায়াত এমপি
হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে তোপের মুখে জামায়াত এমপি Advertisement মেহেরপুর প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৩ আগস্ট ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ মেহেরপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে তোপের মুখে পড়েছেন মেহেরপুর-১ আসনের সংসদ-সদস্য (এমপি) ও জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা তাজউদ্দিন খান। বুধবার দুপুরে হাসপাতালের নতুন ভবনের তৃতীয় তলায় এ নিয়ে উত্তেজনা তৈরি হয়। পরে পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচিতে মেহেরপুর ওজোপাডিকো কার্যালয়ে গিয়েও স্লোগানের মুখে পড়েন তিনি। দুই দফা উত্তেজনায় হাসপাতাল ও ওজোপাডিকো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার মাত্র তিন দিন আগে, রোববার জেলা প্রশাসনের আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালকে দালালমুক্ত করার দাবি ওঠে। সভায় হাসপাতালকেন্দ্রিক দালালদের দৌরাত্ম্য নিয়ে কয়েকজন অভিযোগ করেন। এরপর বুধবার হাসপাতাল পরিদর্শনকে কেন্দ্র করে এমপির সঙ্গে কয়েকজন যুবকের বিরোধ ও উত্তেজনার ঘটনায় বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে হাসপাতালে যান এমপি তাজউদ্দিন। পুরাতন ভবন পরিদর্শনের পর নতুন ভবনের তৃতীয় তলায় ল্যাব পরিদর্শনে যান। সেখানে কয়েকজন যুবককে কাজ করতে দেখে তাদের পরিচয় জানতে চান। তারা অস্থায়ীভাবে কাজ করছেন বলে জানান। রবি নামের এক যুবক একটি স্বাক্ষরবিহীন পরিচয়পত্র দেখান বলে সংশ্লিষ্টরা জানান। পরিচয়পত্র নিয়ে প্রশ্ন ওঠে এবং তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার কথাও বলা হয়। এরপর দ্বিতীয় তলায় থাকা লোকজনের সঙ্গে জামায়াতের নেতাকর্মীদের উত্তেজনা তৈরি হয় বলে এমপির সঙ্গে থাকা নেতারা দাবি করেন। একপর্যায়ে হাতাহাতি ও ধাক্কাধাক্কি হয়। পরে তৃতীয় তলায় গেলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়। পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করলে এমপিকে লাঞ্ছিত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন জামায়াত নেতারা। এ ঘটনায় রোগী ও স্বজনদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। কয়েকজন চিকিৎসা নিতে এসে হাসপাতাল থেকে চলে যান বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। পরে পুলিশ ও আনসার সদস্যদের সহযোগিতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে ঘটনার বিষয়ে ভিন্ন বক্তব্য দিয়েছেন মেহেরপুর সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাহিদুল ইসলাম। তার দাবি, হাসপাতাল প্রশাসনের নিয়োগ করা লোকজনকে সংসদ-সদস্য ‘দালাল’ বলায় ক্ষুব্ধ হয়ে সাধারণ মানুষ তার ওপর চড়াও হয়। ওজোপাডিকোতেও স্লোগান : হাসপাতালের পর ওজোপাডিকো কার্যালয়ে যান এমপি তাজউদ্দিন। নির্বাহী প্রকৌশলীর কক্ষে কথা বলার সময় প্রধান ফটকের সামনে একদল যুবক জড়ো হয়ে স্লোগান দিতে থাকেন। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। পুলিশের সহযোগিতায় এমপি কার্যালয় এলাকা থেকে বের হয়ে যান। এ সময় সেখানে মেহেরপুর সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফয়েজ উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক সাহিদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। একই দিনে সরকারি দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে সংসদ-সদস্যকে ঘিরে উত্তেজনার ঘটনায় রাজনৈতিক অঙ্গনেও আলোচনা শুরু হয়েছে। কয়েক দিন আগে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় হাসপাতালকে দালালমুক্ত করার দাবি ওঠার পর পরিদর্শনকে কেন্দ্র করে এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত সুপার ফজলুর রহমান এ বিষয়ে কোনো কথা বলতে চাননি।
মেহেরপুরে এমপির হাসপাতাল পরিদর্শন ঘিরে বিএনপি-জামায়াতের মধ্যে উত্তেজনা, বিদ্যুৎ কার্যালয় ঘেরাও
মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে বিএনপির এক কর্মীকে মারধরকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা। বুধবার দুপুরে হাসপাতালের পাশে ওজোপাডিকো কার্যালয়ে সামনেছবি: প্রথম আলো মেহেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা জামায়াতের আমির তাজউদ্দীন খানের মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শনকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। দালাল সন্দেহে হাসপাতালে বিএনপির এক কর্মীকে মারধরের পর উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। আজ বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সংসদ সদস্য তাজউদ্দীন খান হাসপাতাল পরিদর্শনে গেলে এ ঘটনার সূত্রপাত হয়। এরপর সংসদ সদস্য পাশের বিদ্যুৎ কার্যালয়ে গেলে বিএনপির কর্মীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে ঘেরাও করেন। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, নানা অনিয়ম, ভোগান্তি, চিকিৎসকসংকট ও দালালদের দৌরাত্ম্যের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে সকালে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শনে যান সংসদ সদস্য তাজউদ্দীন খান। এ সময় স্থানীয় বিএনপির কর্মী রাকিবুল ইসলামকে সেখানে দেখে জামায়াতের দুই কর্মী দালাল সন্দেহে তাঁকে মারধর করে পুলিশে দেওয়ার চেষ্টা করেন। ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় বিএনপির কর্মীরা উত্তেজিত হন। পরে হাসপাতালের সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎব্যবস্থা নিশ্চিত করার বিষয়ে আলোচনার জন্য পাশের ওজোপাডিকো (পশ্চিমাঞ্চল বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ কোম্পানি) কার্যালয়ে যান সংসদ সদস্য তাজউদ্দীন খান। খবর পেয়ে বিএনপির কর্মীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে বিদ্যুৎ কার্যালয় ঘিরে স্লোগান দিতে থাকেন। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে পুলিশ এসে বিএনপির কর্মীদের সরিয়ে দিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। মারধরের শিকার রাকিবুল ইসলাম বলেন, ‘আমি এক মাস ধরে হাসপাতালের শিক্ষানবিশ কর্মচারী হিসেবে কাজ করছি। তবে এখনো নিয়োগপত্র হাতে পাইনি। হঠাৎ জামায়াতের নেতারা হাসপাতাল পরিদর্শনে এসে আমাকে দালাল ভেবে মারধর করে পুলিশে দিতে চান। আমাদের মারধর করেছেন এমপি সাহেবের দেহরক্ষী সরোয়ার হোসেন।’ জেলা জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন বলেন, হাসপাতালের নানা অনিয়ম, অসংগতি ও দালালদের দৌরাত্ম্য বন্ধের উদ্যোগ নেওয়ার জন্য পরিদর্শনে আসেন সংসদ সদস্য তাজউদ্দীন খান। পরিদর্শনকালে নতুন ভবনে রাকিবুল ইসলাম নামের এক দালালকে হাতেনাতে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করতে গেলে বিএনপির কর্মীরা তাঁদের ঘেরাও করে হামলার চেষ্টা চালান। সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুল ইসলাম বলেন, হাসপাতালে ওষুধসংকট, চিকিৎসক না থাকা ও দালালদের দৌরাত্ম্য এখন চরম আকার ধারণ করেছে। এসব বিষয় তদারকির নামে অযাচিত বিশৃঙ্খলা তৈরি করা হয়েছে। রাকিবুল হাসপাতালে লিফটের দায়িত্ব পালন করছিলেন। তাঁকে মারধরের তীব্র প্রতিবাদ জানান সাইদুল ইসলাম। মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক সাজ্জাত হোসেন বলেন, হাসপাতালে লোকবলসংকটের কারণে নতুন ভবনের সেবা স্বাভাবিক রাখতে কিছু কাজের জন্য সাময়িকভাবে কয়েকজনকে শিক্ষানবিশ হিসেবে রাখা হয়েছিল। তবে কোনো অনিয়ম বা দালালদের প্রশ্রয় দেওয়া হচ্ছে না। হাসপাতালে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি ঘটার পর বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে। সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির প্রথম আলোকে বলেন, হাসপাতাল পরিদর্শনকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। খবর পাওয়ার পরপরই সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন বিএনপিমারধরমেহেরপুরবিক্ষোভবিএনপি সরকারখুলনা বিভাগজামায়াত
