পশুর হাটের ইজারা ডাক ঘিরে ইউএনও কার্যালয়ে হামলা
Why this classification
This is a single, concrete incident in which a mob of BNP and affiliated wing activists allegedly beat Sohel Rana Mola inside the Belkuchi Upazila Nirbahi Officer's office, leaving him seriously injured and hospitalised. The dispute was over a cattle market lease auction, and the event occurred on Sunday 17 May 2026, within the recent window. The attackers' involvement is alleged by witnesses and the accused denies it, so the details are not fully verified, but the physical assault itself is clearly reported.
Killed
0
Injured
1
Summary
রোববার (১৭ মে ২০২৬) বিকেলে সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে পশুর হাটের ইজারা নিলামকে ঘিরে বিএনপি ও তার অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা ইউপি সদস্য ও ইজারাদার সোহেল রানা মোল্লাকে মারধর করেন, যাতে তিনি গুরুতর আহত হন। এরপর প্রশাসন ইজারা কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করে।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
85% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 17/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
পশুর হাটের ইজারা ডাক ঘিরে ইউএনও কার্যালয়ে হামলা
পশুর হাটের ইজারা ডাক ঘিরে ইউএনও কার্যালয়ে হামলা ইজারাদারকে মারধর, স্থগিত নিলাম কার্যক্রম সংগৃহীত সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৭ মে ২০২৬ | ২০:৫৭ সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে কোরবানির পশুর হাটের ইজারা ডাককে কেন্দ্র করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে এক ইজারাদারকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। রোববার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। প্রশাসন নির্ধারিত ইজারা কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করে। আহত সোহেল রানা মোল্লা উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য এবং এনায়েতপুর থানা বিএনপির সাবেক সদস্য। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঈদুল আজহা উপলক্ষে দৌলতপুর, সমেশপুর, কল্যাণপুর, ধুকুরিয়াবেড়া ও আশপাশের পাঁচটি অস্থায়ী পশুর হাটের হাসিল আদায়ের জন্য গতকাল রোববার বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে উন্মুক্ত নিলামের আয়োজন করা হয়েছিল। দুপুরের পর থেকেই বিভিন্ন ইজারাদার ও দরদাতারা সেখানে জড়ো হন। অভিযোগ রয়েছে, বিকেল ৩টার দিকে হলরুমে অবস্থানকালে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের একটি দল সোহেল রানা মোল্লাকে ঘিরে ফেলে। এক পর্যায়ে তাকে মারধর করতে করতে ভবনের নিচতলায় নামিয়ে আনা হয়। এ সময় পুরো কার্যালয়ে আতঙ্ক ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শীর দাবি, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব বনী আমিন, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম আজম সরকার এবং পৌর বিএনপির নেতা আলতাফ হাজির উপস্থিতিতে ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের কয়েকজন নেতাকর্মী হামলায় অংশ নেন। তারা সোহেল রানাকে টেনে-হিঁচড়ে নিচতলায় নিয়ে মারধর করেন। ঘটনার সময় কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মীর ক্যামেরা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। হামলার ভিডিওচিত্র সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। আহত সোহেল রানা মোল্লা বলেন, ‘ইজারায় অংশ না নিতে আমাকে আগে থেকেই হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। রোববার হলরুমে বসে থাকা অবস্থায় অর্ধশতাধিক লোক আমাকে মারতে মারতে নিচতলায় নিয়ে যায়।’ তবে উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম আজম সরকার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘সোহেল রানা মোল্লার বিরুদ্ধে এলাকায় চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা ও ডাকাতির অভিযোগ রয়েছে। তাকে দেখে নেতাকর্মীরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।’ এ বিষয়ে কথা বলতে বিএনপি নেতা বনী আমিনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তিনি ফোন রিসিভ করেননি। বেলকুচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু জাফর বলেন, ‘ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই। হামলায় জড়িত কাউকে সেখানে পাওয়া যায়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরিন জাহান বলেন, ‘ঘটনাটি অত্যন্ত অনাকাঙ্ক্ষিত ও অপ্রীতিকর। পরিস্থিতি বিবেচনায় ইজারা ডাক স্থগিত করা হয়েছে।’ সিরাজগঞ্জ-৫ (বেলকুচি-চৌহালী) আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা আমিরুল ইসলাম খান আলিম বলেন, ‘সোহেল রানা মোল্লার বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি, ডাকাতিসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। তবে তাকে পুলিশের হাতে না দিয়ে সরকারি কার্যালয়ের ভেতরে মারধর করার ঘটনা কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়।’
