ঝিনাইদহে কৃষক দল নেতাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
Why this classification
[ { "justification": "This incident is classified as political violence because it involved a fatal physical altercation between supporters of two rival political parties, the BNP and Jamaat, in Bhaturia, Harinakundu, Jhenaidah. During a village arbitration on the night of March 25, 2026, an argument stemming from a Facebook comment resulted in BNP Krishak Dal leader Abul Kashem being beaten to death. The specific perpetrator side and victim side are not recorded in the source details, and the event is supported by 2 corroborating sources." } ]
Killed
1
Injured
0
Summary
ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডুতে ফেসবুকে কমেন্ট করা নিয়ে জামায়াত ও বিএনপি সমর্থকদের মধ্যে তর্কের জেরে কৃষক দল নেতা আবুল কাশেমকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। ২০২৬ সালের ২৫ মার্চ রাতে গ্রাম্য শালিস চলাকালীন মারধরের এই ঘটনা ঘটে।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
89% · severity 8
Parties involved
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 25/03/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (3 sources)
ঝিনাইদহে কৃষক দল নেতাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলার ভাতুড়িয়া গ্রামে ফেসবুকে কমেন্ট করা নিয়ে তর্কের জেরে কাপাশহাটিয়া ইউনিয়ন কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেমকে (৪৫) পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। আবুল কাশেম ওই গ্রামের আব্দুল লতিফ বিশ্বাসের ছেলে এবং পেশায় একজন কৃষক ছিলেন। নিহত ব্যক্তির স্বজনেরা জানান, কয়েক দিন আগে উপজেলার ভাতুড়িয়া গ্রামের জামায়াত-সমর্থিত এক ব্যক্তির কন্যাসন্তান জন্ম নেয়। বিষয়টি স্থানীয় কয়েকজন বিএনপি-সমর্থিত বিটু নামের এক ব্যক্তিকে জানিয়ে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন। এরপর ওই স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে মন্তব্য ও পাল্টা মন্তব্য শুরু হয়। একপর্যায়ে বিষয়টি নিয়ে তর্ক-বিতর্ক ও কথা-কাটাকাটির ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার জেরে বুধবার সন্ধ্যায় গ্রামে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে রাতে বিষয়টি মীমাংসার জন্য গ্রামবাসী বৈঠকে বসেন। এ সময় সেখানে উপস্থিত কাপাশহাটিয়া ইউনিয়ন কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেমকে কয়েকজন ব্যক্তি মারধর করেন বলে অভিযোগ করেন স্বজনেরা।সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক জুবায়ের বলেন, ‘তাঁকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে তাঁর শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি।’ঝিনাইদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ বিল্লাল হোসেন বলেন, ‘শুনেছি তর্কবিতর্কের জেরে মারধরের ঘটনাটি ঘটেছে। আহত অবস্থায় আবুল কাশেমকে সদর হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তবে ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।’
আ.লীগ নেতাকে পুলিশ থেকে ছিনিয়ে নেওয়ায় মামলা
আ.লীগ নেতাকে পুলিশ থেকে ছিনিয়ে নেওয়ায় মামলা কালীগঞ্জে গ্রেফতার ৮ Advertisement কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৫ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ কালীগঞ্জে আওয়ামী লীগ নেতা ও পৌরসভার সাবেক মেয়র মোস্তাফিজুর রহমান বিজুকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় মামলা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে কালীগঞ্জ থানার এসআই মনিরুজ্জামান জেলা আওয়ামী লীগের শ্রমবিষয়ক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান বিজুকে প্রধান আসামি করে মামলাটি করেন। এ ঘটনায় মঙ্গলবার গভীর রাতে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ৮ জনকে আটক করেছে পুলিশ। আটকরা হলেন-ষাটবাড়িয়া এলাকার কাবিরুল ইসলাম নান্নু, আড়পাড়া এলাকার নওশের শেখ, তার ভাই আশরাফুল শেখ, ফয়লা এলাকার শেখ সৌরভ, সড়াবাড়িয়া এলাকার মাসুদ আলী, কাশিপুর এলাকার সবুজ হোসেন, আড়পাড়া এলাকার মোস্তাক আহমেদ লাভলু ও ছোট ঘিঘাটি এলাকার সাইদুর রহমান। উল্লেখ্য, মঙ্গলবার সকালে শহরের আড়পাড়া এলাকার দলীয় অফিসে নেতাকর্মীরাসহ বসেছিলেন মোস্তাফিজুর রহমান বিজু। এ সময় পুলিশ এসে তাকে ধরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এরপর নেতাকর্মী ও এলাকাবাসী পুলিশের কাছ থেকে মোস্তাফিজকে ছিনিয়ে নেয়। ওসি জেল্লাল হোসেন জানান, এ ঘটনায় ৯ জনকে আসামি করে একটি মামলা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। আটকদের ঝিনাইদহ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
ফেসবুক পোস্ট নিয়ে বিরোধ মেটাতে গিয়ে হামলার শিকার, পরে কৃষক দল নেতার মৃত্যু
লাশপ্রতীকী ছবি ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলায় দুই পক্ষের দ্বন্দ্ব মেটাতে গিয়ে কৃষক দলের এক নেতার মৃত্যু হয়েছে। গতকাল বুধবার রাত আটটার দিকে উপজেলার কুল্যাগাছা ভাতুড়িয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আবুল কাশেম (৪৫) কাপাসহাটিয়া ইউনিয়ন কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি কুল্যাগাছা ভাতুড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, গ্রামের একটি বিষয় নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে আগে থেকেই বিরোধ চলছিল। গতকাল রাতে এ নিয়ে আবার উত্তেজনা ছড়ায়। এ সময় আবুল কাশেমের বাড়ির পাশে দুই পক্ষের মধ্যে ঝগড়া বাধে। কুল্যাগাছা বাজার থেকে বাড়ি ফিরে তিনি পরিস্থিতি শান্ত করতে এগিয়ে যান। একপর্যায়ে আবুল কাশেমের ওপর হামলা করা হয়। তিনি কিল–ঘুষিতে অসুস্থ হয়ে পড়েন। অসুস্থ অবস্থায় তাঁকে ঝিনাইদহ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। আবুল কাশেমের শরীরে দৃশ্যমান কোনো আঘাতের চিহ্ন নেই জানিয়ে হাসপাতালটির জরুরি বিভাগের চিকিৎসক জুবায়ের আহমেদ বলেন, রাত নয়টার দিকে আবুল কাশেমকে হাসপাতালে আনা হয়। ওই সময় তাঁর কোনো পালস পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। হরিণাকুন্ডু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম কিবরিয়া হাসান বলেন, ফেসবুক স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে আবুল কাশেমের চাচাতো ভাইদের সঙ্গে প্রতিপক্ষের বিরোধ হয়। আবুল কাশেম বিরোধ মেটাতে গিয়ে চাচাতো ভাইদের বিপক্ষে অবস্থান নেন। পরে দ্বন্দ্ব মেটাতে গিয়ে একটি পক্ষের কিল–ঘুষিতে তিনি অসুস্থ হয়ে মারা যান। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন বিএনপিমৃত্যুহরিণাকুণ্ডুঝিনাইদহখুলনা বিভাগ
