নেত্রকোনায় মাদ্রাসার শিক্ষিকাকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ, তদন্তের আশ্বাস
Why this classification
ঘটনাটি যৌন নিপীড়ন ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ, যা নারী নির্যাতনের একটি রূপ। তাই এটি 'Gender-Based Violence' বিভাগে পড়ে।
Killed
0
Injured
0
Summary
নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে ইসলামী ফাউন্ডেশন পরিচালিত একটি মাদ্রাসার শিক্ষিকা অপর এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানি ও যৌন নিপীড়নের অভিযোগ করেছেন। ভুক্তভোগী শিক্ষিকা জেলা ইসলামী ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন এবং অভিযুক্ত শিক্ষক তার স্বামীকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
AI analysis
Category
Gender-Based Violence
Confidence
85% · severity 4
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 21/06/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
নেত্রকোনায় মাদ্রাসার শিক্ষিকাকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ, তদন্তের আশ্বাস
নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে ইসলামী ফাউন্ডেশন পরিচালিত একটি মাদ্রাসার এক শিক্ষিকাকে শ্লীলতাহানি ও যৌন নিপীড়নের অভিযোগ উঠেছে মো. সোলায়মান হোসেন (৩৫) নামে অপর এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে।এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষিকা জেলা ইসলামী ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) জেলা ইসলামী ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক শাহ আলম অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।এর আগে গত ২২ জুন ওই শিক্ষিকা লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযুক্ত সোলায়মান হোসেন নেত্রকোনার আটপাড়া উপজেলার শ্রীরামপুর দারুল আরকাম ইবতেদায়ি মাদ্রাসার শিক্ষক। তিনি জেলা আওয়ামী ওলামা লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) আহ্বায়ক কমিটির সদস্য বলেও জানা গেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, কয়েক বছর আগে ভুক্তভোগী শিক্ষিকা ও সোলায়মান হোসেন মোহনগঞ্জে ইসলামী ফাউন্ডেশন পরিচালিত একই মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করতেন। সে সময় অভিযুক্ত শিক্ষক তাঁকে বিভিন্ন সময় অনৈতিক প্রস্তাব ও অশালীন কথাবার্তা বলতেন। বিষয়টি মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় লোকজনকে জানালে একপর্যায়ে স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হয়ে তাঁকে আটক করেন। পরে তিনি সেখান থেকে চলে যান এবং বদলি হয়ে আটপাড়া উপজেলার শ্রীরামপুর দারুল আরকাম ইবতেদায়ি মাদ্রাসায় যোগ দেন। অভিযোগে আরও বলা হয়, পরবর্তী সময়ে তিনি ভুক্তভোগী শিক্ষিকার স্বামীকে প্রাণনাশের হুমকি দেন। এসব বিষয়ে এর আগেও জেলা ইসলামী ফাউন্ডেশনের কার্যালয়ে অভিযোগ দেওয়া হলেও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন ওই শিক্ষিকা।সর্বশেষ গত ২১ জুন জেলা কার্যালয় থেকে বের হওয়ার সময় ওই শিক্ষিকার পথরোধ করে অশালীন আচরণের চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এর পরদিন তিনি জেলা ইসলামী ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন।জেলা ইসলামী ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক মো. শাহ আলম বলেন, ‘অভিযোগ পেয়েছি। সড়ক দুর্ঘটনায় আমার পা ভেঙে যাওয়ায় বর্তমানে চিকিৎসাধীন আছি। কিছুটা সুস্থ হলে অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত শিক্ষক মো. সোলায়মান হোসেনের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। ফলে এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
