পদ্মার চরে ছিনতাই হওয়া ১৭৬ গরু উদ্ধার

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

ঘটনাটি সশস্ত্র ছিনতাই/ডাকাতি, যেখানে বন্দুকধারী দল গরু ছিনিয়ে নেয় এবং পুলিশ উদ্ধার করে। কোনো হতাহত নেই, তবে এটি স্পষ্ট অপরাধমূলক সহিংসতা।

Reported by:JugantorSingle source
11/05/26•পদ্মার মধ্য চাকলার চরের রায়টা খেয়াঘাট এলাকা

Killed

0

Injured

0

Summary

সোমবার (১১ মে) রাজশাহীর বাঘায় পদ্মার চরে কাকন বাহিনী ১৭৬টি গরু ছিনতাই করে। পুলিশ অভিযান চালিয়ে গরুগুলো উদ্ধার করে মালিকের কাছে ফেরত দেয়।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

95% · severity 5

Perpetrator side

Kakon Bahini

Victim side

Locals

Other actors

আলতাফ খামরুকামাল হোসেন খামরুজামাল উদ্দিনআসাদুল হকবাবলু হোসেনআনারুল ইসলামবাঘা থানার ওসি সেরাজুল হক

Tags

Robbery

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Kakon Bahini

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 11/05/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 12/05/26open original ↗

পদ্মার চরে ছিনতাই হওয়া ১৭৬ গরু উদ্ধার

পদ্মার চরে ছিনতাই হওয়া ১৭৬ গরু উদ্ধার Advertisement বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১২ মে ২০২৬, ০১:৫৬ পিএম ছবি: সংর্গহীত রাজশাহীর বাঘায় পদ্মার চরে ছিনতাই হওয়া ১৭৬টি গরু উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১১ মে) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে পদ্মার মধ্য চাকলার চরের রায়টা খেয়াঘাট এলাকা থেকে গরুগুলো উদ্ধার করা হয়। জানা গেছে, উপজেলার পদ্মার মধ্য চকরাজাপুর চরের আলতাফ খামরু, কামাল হোসেন খামরু, জামাল উদ্দিন, আসাদুল হক, বাবলু হোসেন ও আনারুল ইসলাম ১৭৬টি গরু নিয়ে পলাশিফতেপুর মাঠে চরাতে যান। এ সময় কাকন বাহিনীর ৬ থেকে ৭ জন লোক অস্ত্র নিয়ে ফাঁকা গুলি ছোড়ে। এতে রাখালরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। রাখালদের কাছে এসে গুলি করে মারার হুমকি দেওয়া হয়। তারা ভয়ে গরু রেখে চলে আসেন। পরে কাকন বাহিনীর লোকজন রায়টা খেয়াঘাট এলাকার অদূরে গরুগুলো নিয়ে অবস্থান করছিলেন। এরমধ্যে বাঘার পুলিশ লালপুর থানার পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে অভিযান শুরু করেন। পুলিশের উপস্থিত টের পেয়ে কাকন বাহিনীর লোকজন স্পিড বোট নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ ১৭৬টি গরু উদ্ধার করে মালিকের কাছে জমা দেন। ১৭৬টি গরুর মধ্যে আলতাফ হোসেন খামরুর ৮০টি, কামাল হোসেনের ১৩টি, জামাল হোসেনের ২৭টি, বাবলু হোসেনের ২০টি, আনারুল হোসেনের ৩০টি এবং আসাদুল হকের ৬টি গরু ছিল। এ বিষয়ে রাখাল বাবলু হোসেন বলেন, সোমবার দুপুরের প্রচণ্ড রোদ পড়ছিল। এ সময় গরুগুলোর মধ্যে অস্থিরতা দেখা দেয়। সবাই মিলে গরুগুলো পদ্মা নদীর পানিতে নামিয়ে দেই। এ সময় স্পিডবোট নিয়ে কাকন বাহিনীর ৬ থেকে ৭ জন লোক এসে এলোপাতাড়ি কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়েন, আমাদের কাছে এসে গরু রেখে চলে যেতে বলেন। আমরা ভয়ে গরু রেখে চলে আসি। পরে পুলিশের সহযোগিতায় উদ্ধার করা হয়। এ বিষয়ে বাঘা থানার ওসি সেরাজুল হক বলেন, ছিনতাই হওয়া গরু উদ্ধার করে মালিকের কাছে দেওয়া হয়েছে। তাদের গ্রেফতারের বিষয়ে অভিযান শুরু করা হবে।