বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ভিডিও ধারণের সময় সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

This is a valid political violence incident because it involves a physical clash and chase between rival factions of a political party, resulting in injuries to a journalist covering the event.

Reported by:Dhaka PostSingle source
15/10/26•Shatkhali Notun Bazar, Shalikha

Killed

0

Injured

1

Summary

মাগুরার শালিখায় দলীয় কোন্দলের জেরে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষের সময় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন এক সাংবাদিক। এ ঘটনায় স্থানীয় শালিখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

95% · severity 3

Perpetrator side

BNP

Victim side

Locals

Other actors

Mostafizur Rahman MostakWadud BiswasZasim Uddin

Tags

Party Clash

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: BNP

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 15/10/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Dhaka Post · 16/10/26open original ↗

বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ভিডিও ধারণের সময় সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ

মাগুরার শালিখায় বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় সংঘর্ষের ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন দৈনিক গ্রামের কাগজ ও দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের সাংবাদিক জসীম উদ্দীন। আহত অবস্থায় স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে শালিখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার শতখালী নতুন বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। আহত সাংবাদিক জসীম উদ্দীন বলেন, দলীয় বিরোধের জেরে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর অনুসারী হিসেবে পরিচিত মাগুরা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সহসভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক এবং কেন্দ্রীয় যুবদল নেতা ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সদস্যসচিব রবিউল ইসলাম নয়নের অনুসারী ওয়াদুদ বিশ্বাসের মধ্যে প্রথমে বাগ্বিতণ্ডা হয়। পরে উভয় পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। জসীম উদ্দীনের অভিযোগ, পেশাগত দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে সংঘর্ষের ভিডিও ধারণ করতে গেলে মোস্তাক ও তার সমর্থকেরা তার ওপর হামলা করেন। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে শালিখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সাংবাদিকেরা। তাদের মতে, পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনা গণমাধ্যমকর্মীদের নিরাপত্তা ও স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য উদ্বেগজনক। এ বিষয়ে মাগুরা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. গোলাম জাহিদ হোসেন বলেন, মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক আগের কমিটির সহসভাপতি ছিলেন। বর্তমান কমিটিতে তিনি নেই। তবে সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনা দুঃখজনক। অন্যদিকে, হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক। তিনি বলেন, সাংবাদিক পরিচয়ের কারণে নয়, প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক গ্রুপের পক্ষ হয়ে ঘটনাস্থলে আসায় তার ওপর হামলা হয়েছে। এ বিষয়ে শালিখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশিকুর রহমান বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাছিন জামান/এমএমবি