মিটারে চুম্বক বসিয়ে অভিনব কায়দায় গ্যাস চুরি, কারখানার সংযোগ বিচ্ছিন্ন

AI-classifiedconfidence 60%

Why this classification

The article describes a specific incident on 8 May 2026 in which workers and guards at a steel factory shoved Titas Gas officials out of the premises after a magnet was found on a gas meter. The physical altercation makes it a minor clash, though no one was seriously hurt and no weapons were reported.

Reported by:SamakalJugantorAjker PatrikaCorroborated · 3 sources
08/05/26•Shyampur-Kadamtali Industrial Area, Plot 21, Road 10 (Alijan Steel Industry-2)

Killed

0

Injured

0

Summary

৮ মে ২০২৬ (শুক্রবার) শ্যামপুর-কদমতলী শিল্প এলাকার আলিজান স্টিল ইন্ডাস্ট্রি-২ কারখানায় তিতাস গ্যাসের অভিযানে মিটারে চুম্বক বসিয়ে গ্যাস চুরির প্রমাণ মেলে। অভিযানে অংশ নেওয়া কর্মকর্তাদের ধাক্কাধাক্কি করে কারখানা থেকে বের করে দেওয়া হয় এবং পরে গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

60% · severity 3

Perpetrator side

Locals

Victim side

Unknown

Other actors

তিতাস গ্যাসের ভিজিল্যান্স টিমকারখানার দারোয়ানগ্রাহক প্রতিনিধিশ্রমিকরানির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট

Affected infrastructure

গ্যাস মিটারআরএমএস রুমগ্যাস সংযোগ

Tags

Robbery

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 08/05/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (3 sources)

Source 1: Samakal · 11/05/26open original ↗

মিটারে চুম্বক বসিয়ে অভিনব কায়দায় গ্যাস চুরি, কারখানার সংযোগ বিচ্ছিন্ন

মিটারে চুম্বক বসিয়ে অভিনব কায়দায় গ্যাস চুরি, কারখানার সংযোগ বিচ্ছিন্ন মিটারের ইনডেক্সের ওপর কালো টেপে মোড়ানো চুম্বক সদৃশ একটি বস্তু। ছবি-সমকাল সমকাল প্রতিবেদক প্রকাশ: ১০ মে ২০২৬ | ১৯:৩৭ রাজধানীর শ্যামপুর-কদমতলী শিল্প এলাকায় মিটারের ইনডেক্সে চুম্বক বসিয়ে অভিনব কায়দায় গ্যাস চুরির অভিযোগ উঠেছে একটি স্টিল কারখানার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানের গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি থানায় সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) করা হয়েছে। রোববার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় তিতাস। গত শুক্রবার সকাল ৬টা ৪৫ মিনিটে মেট্রো ঢাকা বিক্রয় বিভাগ-১ এর অধীন ক্যাপটিভ পাওয়ার শ্রেণির গ্রাহক আলিজান স্টিল ইন্ডাস্ট্রি-২ এ বিশেষ অভিযান চালানো হয়। প্রতিষ্ঠানটি শ্যামপুর-কদমতলী শিল্প এলাকার প্লট নম্বর-২১, রোড নম্বর-১০ এ অবস্থিত। অভিযান পরিচালনাকারী ভিজিল্যান্স টিম কারখানার ভেতরে প্রবেশ করে জেনারেটর ও কন্ট্রোল রুম অতিক্রম করে আরএমএস রুমের সামনে যায়। সে সময় তিনটি জেনারেটর চালু অবস্থায় দেখা যায়। তবে আরএমএস রুমটি তালাবদ্ধ ছিল। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আরএমএস রুমের গ্রিলের বাইরে থেকে দেখা যায়, গ্যাস মিটারের ইনডেক্সের ওপর কালো টেপে মোড়ানো চুম্বক সদৃশ একটি বস্তু বসানো রয়েছে। এর মাধ্যমে মিটারের স্বাভাবিক কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করে কম রিডিং দেখিয়ে অবৈধভাবে গ্যাস ব্যবহার করা হচ্ছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ জানায়, আরএমএস রুমের চাবি চাইলে উপস্থিত দারোয়ান ও গ্রাহক প্রতিনিধিরা তা দিতে অস্বীকৃতি জানান এবং সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন। একপর্যায়ে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে শ্রমিকদের জড়ো করে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হয়। পরে অভিযানে অংশ নেওয়া কর্মকর্তাদের ধাক্কাধাক্কি করে কারখানার বাইরে বের করে দেওয়া হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ ও কদমতলী থানায় যোগাযোগ করা হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও গেট বন্ধ থাকায় ভেতরে প্রবেশ করতে পারেনি। পরে কর্তৃপক্ষ কারখানার বাইরের ভাল্বপিট থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দেয়। শনিবার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় পরিচালিত অভিযানে প্রতিষ্ঠানটির গ্যাস সংযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করা হয়। ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।

Source 2: Ajker Patrika · 09/05/26open original ↗

বসতঘরে আগুনে দম্পতির মৃত্যু

ঢাকার দোহার উপজেলার বিলাসপুর-রাধানগর এলাকায় এক বসতবাড়িতে অগ্নিকাণ্ডে সালাম শিকদার (৫৫) ও নাসিমা বেগম (৪৫) দম্পতির মৃত্যু হয়েছে। তবে আগুনের ভয়াল থাবা থেকে প্রাণে বেঁচে গেছে তাঁদের দুই মেয়ে ও এক নাতি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার গভীর রাতে সালাম শিকদারের বসতঘরে হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তেই আগুন পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় পরিবারের পাঁচ সদস্য ঘরের ভেতরে আটকা পড়েন। পরে জানালা ভেঙে দুই মেয়ে ও নাতিকে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও আগুনে দগ্ধ হয়ে মারা যান সালাম শিকদার ও তাঁর স্ত্রী নাসিমা বেগম। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এবং দোহার থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে রাত ১টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে ঘরের ভেতর থেকে স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার তামিম হাওলাদার বলেন, ‘আগুন দ্রুত ঘরের ভেতরে ছড়িয়ে পড়ে। সংবাদ পাওয়ার সাত মিনিটের মধ্যে আমাদের টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় এবং পাঁচ মিনিটের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।’ হাওরাঞ্চলে বিপর্যয়ে দায়ীদের বিচার দাবিতে গণসংহতি আন্দোলনের বিক্ষোভ নিহত দম্পতির মেয়ে জান্নাতুল অভিযোগ করে বলেন, ঘরের দরজা বাইরে থেকে বন্ধ ছিল। পরিকল্পিতভাবে তালা লাগিয়ে আগুন দেওয়া হয়েছে। তবে দোহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রান্নাঘরের গ্যাস সিলিন্ডার থেকে আগুনের সূত্রপাত। এই ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে শনিবার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন দোহার উপজেলার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাইদুল ইসলাম।

Source 3: Jugantor · 10/05/26open original ↗

সন্তান ও নাতিকে বাঁচিয়ে পুড়ে মারা গেলেন স্বামী-স্ত্রী

দোহারে বসতঘরে আগুন সন্তান ও নাতিকে বাঁচিয়ে পুড়ে মারা গেলেন স্বামী-স্ত্রী Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন, নবাবগঞ্জ (ঢাকা) প্রকাশ: ১০ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ নবাবগঞ্জের দোহারে গভীর রাতে ঘুমন্ত অবস্থায় বসতঘরে লাগা আগুনের লেলিহান শিখা থেকে দুই মেয়ে ও এক নাতিকে বাঁচাতে পারলেও শেষ পর্যন্ত নিজেদের রক্ষা করতে পারেননি স্বামী-স্ত্রী। শুক্রবার রাতে উপজেলার বিলাশপুর ইউনিয়নের রাধানগর গ্রামের এ দুর্ঘটনায় মারা গেছেন আব্দুস সালাম শিকদার (৫৭) ও তার স্ত্রী নাসিমা বেগম (৫০)। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাত দেড়টার দিকে হঠাৎ স্থানীয় সালাম শিকদারের বসতঘরে আগুনের সূত্রপাত হয়। এতে ঘরে থাকা পাঁচ সদস্য আটকে পড়েন। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। এর ভয়াবহতা বুঝতে পেরে সঙ্গে থাকা শিশুদের বাঁচাতে মরিয়া হয়ে ওঠেন নাসিমা বেগম। তিনি জানালা দিয়ে একে একে তিন শিশুকেই বাইরে বের করে দেন। আর আগুনের মধ্যেই ভেতর তারা আটকা পড়েন। তাদের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। একই সঙ্গে খবর দেওয়া হয় দোহার থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসে। ফায়ার সার্ভিসের একাধিক ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে ভোর ৪টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। কিন্তু ততক্ষণে দুজনেই পুড়ে মারা গেছেন। তবে প্রাণে বেঁচে গেছে তাদের দুই সন্তান জান্নাতুল (১১) ও খাদিজা (৭) এবং এক নাতি (৩)। আগুনে টিন ও কাঠের ঘর পুড়ে ভস্মীভূত হয়েছে। তবে কী কারণে আগুনের সূত্রপাত, তা এখনো নিশ্চিত করে বলতে পারেননি পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। প্রাথমিকভাবে বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লাগতে পারে বলে ধারণা করেন তারা। তবে নাশকতার বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানায় পুলিশ। নিহত দম্পতির মেয়ে জান্নাতুল জানান, তাদের ঘরের দরজা বাইরে থেকে বন্ধ ছিল। তালা দিয়ে আগুন লাগানো হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। দোহার ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার তামিম হাওলাদার বলেন, আগুন আগেই ঘরের ভেতর ছড়িয়ে পড়েছিল। সংবাদ পাওয়ার ৭ মিনিটের মধ্যে আমাদের ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। ৫ মিনিটের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হই। উদ্ধারকর্মীরা লাশ উদ্ধারের পর থানা পুলিশে হস্তান্তর করা হয়েছে। দোহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বকর সিদ্দিক বলেন, অগ্নিকাণ্ডে আব্দুস সালাম ও স্ত্রী নাসিমা বেগম ঘটনাস্থলেই মারা যান। পরে তাদের লাশ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। আগুন লাগার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে। এটি নাশকতা নাকি দুর্ঘটনা-সবদিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এদিকে মর্মান্তিক এ দুর্ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহত সালাম শিকদার দম্পতির মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেছেন ঢাকা-১ আসনের সংসদ-সদস্য খন্দকার আবু আশফাক। তিনি দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে স্থানীয় প্রশাসনকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে থেকে সব ধরনের সহযোগিতার নির্দেশ দিয়েছেন।