ভাঙ্গায় এনসিপি নেতাকে অবরুদ্ধ করে বিক্ষোভ

AI-classifiedconfidence 90%

Why this classification

This is a real, recent physical clash in which students attacked an NCP local leader, beat him, and threw bricks that injured five people, including the headmaster. The incident is a concrete single event within the 14-day window and in Bangladesh, so it qualifies as violence.

Reported by:JugantorDhaka PostCorroborated · 2 sources
11/06/26•কাজী শামসুন্নেছা পাইলট বালিকা উচ্চবিদ্যালয়, ভাঙ্গা

Killed

0

Injured

5

Summary

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় বৃহস্পতিবার (১১ জুন ২০২৬) সকালে কাজী শামসুন্নেছা পাইলট বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রে হবু স্ত্রীকে সহায়তার অভিযোগে শিক্ষার্থীরা উপজেলা এনসিপি আহ্বায়ক আশরাফ শেখকে মারধর করে এক ঘণ্টা অবরুদ্ধ রাখে। ইটের আঘাতে প্রধান শিক্ষকসহ ৫ জন আহত হন এবং পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

90% · severity 5

Perpetrator side

Locals

Victim side

NCP

Other actors

আশরাফ শেখ (উপজেলা এনসিপি আহ্বায়ক)অরুণ চন্দ্র (প্রধান শিক্ষক)মিজানুর রহমান (ভাঙ্গা থানার ওসি)বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা

Tags

Party ClashSexual Harassment

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 5

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: NCP

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 11/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Dhaka Post · 11/06/26open original ↗

এসএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রে এনসিপি নেতাকে পিটুনি, উদ্ধার করল পুলিশ

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় এসএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রে হবু স্ত্রীকে অনৈতিক সুবিধা দেওয়ার অভিযোগে এনসিপির স্থানীয় এক নেতাকে পিটুনি দিয়েছেন পরীক্ষার্থীরা। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীদের ছোড়া ইটের আঘাতে আহত হয়েছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অরুণ চন্দ্র দত্ত। পরীক্ষার্থীরা বিক্ষোভে ফেটে পড়লে প্রায় দেড় ঘণ্টা বিলম্বে শুরু হয় পরীক্ষা। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ভাঙ্গার কাজী শামসুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় পরীক্ষাকেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত এনসিপি নেতার নাম মো. আশরাফ হোসেন (২৮)। তিনি ভাঙ্গা উপজেলা এনসিপির আহ্বায়ক এবং ভাঙ্গা পৌরসভার নূরপুর মহল্লার বাসিন্দা। পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ভাষ্য অনুযায়ী, সকালে জীববিজ্ঞান বিষয়ের ব্যবহারিক পরীক্ষা শুরু হওয়ার আগে আশরাফ পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশ করেন। তার হবু স্ত্রী ওই কেন্দ্রে পরীক্ষা দিচ্ছেন। অভিযোগ উঠেছে, প্রতিটি পরীক্ষার দিনই তিনি কেন্দ্রে ঢুকে বিভিন্নভাবে তাকে সহায়তা করে আসছিলেন। বৃহস্পতিবার সকালেও পরীক্ষা শুরুর আগে হলে প্রবেশ করলে একই কক্ষে পরীক্ষার্থী সাজিদ ইসলামসহ কয়েকজন প্রতিবাদ করে। এ সময় আশরাফ দলীয় পরিচয় দিয়ে ক্ষমতার দাপট দেখান এবং শিক্ষার্থীদের গালিগালাজ ও ধাক্কা দেন। এর প্রেক্ষিতে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা ছেড়ে বের হয়ে আশরাফকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়তে থাকে। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে আশরাফ দৌড়ে কেন্দ্র সচিবের কক্ষে আশ্রয় নেন। এ সময় এগিয়ে আসা প্রধান শিক্ষক অরুণ চন্দ্র দত্ত ও একজন শিক্ষার্থী ইটের আঘাতে আহত হন। পরে শিক্ষার্থীরা আশরাফের গ্রেপ্তারের দাবিতে পরীক্ষা বর্জন করে স্কুল প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ মিছিল করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অবরুদ্ধ আশরাফকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। এরপর বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পুনরায় পরীক্ষা শুরু হয়। আহত পরীক্ষার্থী সাজিদ ইসলাম জানায়, এনসিপির ওই নেতা প্রতিদিন পরীক্ষাকেন্দ্রে এসে হবু স্ত্রীকে অনৈতিক সুবিধা দেওয়ার ব্যবস্থা করতেন। এ কারণে পরীক্ষার্থীরা আগে থেকেই তার ওপর ক্ষুব্ধ ছিলেন। আহত প্রধান শিক্ষক ও কেন্দ্রসচিব অরুণ চন্দ্র দত্ত জানান, আশরাফের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের বাকবিতণ্ডা শুরু হওয়ার একপর্যায়ে ইটের আঘাতে তিনি আহত হন। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ভাঙ্গা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, এনসিপি নেতার সঙ্গে ওই এসএসসি পরীক্ষার্থীর আংটি বদল হয়েছে। প্রতিটি পরীক্ষার দিন তিনি তাকে আনা-নেওয়া করতেন। বৃহস্পতিবার পরীক্ষা শুরুর আগে হলে প্রবেশ করায় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে গোলযোগ হয়। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। তবে আশরাফ দাবি করেন, তিনি কেবল হবু স্ত্রীকে পরীক্ষার হলে পৌঁছে দিতে গিয়েছিলেন। সেখানে ছাত্রলীগের কিছু কর্মী, যারা পরীক্ষা দিতে এসেছিল, তারা আমার হবু স্ত্রীকে ইভটিজিং করে। আমি প্রতিবাদ করায় তারা আমার ওপর চড়াও হয়। আরএআর

Source 2: Jugantor · 12/06/26open original ↗

ভাঙ্গায় এনসিপি নেতাকে অবরুদ্ধ করে বিক্ষোভ

এসএসসি পরীক্ষায় হবু স্ত্রীকে সহায়তা ভাঙ্গায় এনসিপি নেতাকে অবরুদ্ধ করে বিক্ষোভ Advertisement ভাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ ফরিদপুরের ভাঙ্গায় এসএসসি পরীক্ষায় হবু স্ত্রীকে সহায়তার অভিযোগে উপজেলা এনসিপির আহ্বায়ক আশরাফ শেখকে মারধর করে এক ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখে শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার সকালে ভাঙ্গা কাজী শামসুন্নেছা পাইলট বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে এই ঘটনা ঘটে। এ সময় শিক্ষার্থীদের ছোড়া ইটের আঘাতে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ ৫ জন আহত হয়েছেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অবরুদ্ধ এনসিপি নেতাকে উদ্ধার করে ভাঙ্গা থানায় নিয়ে যায়। শিক্ষার্থীদের কয়েকজন জানায়, সকালে ব্যবহারিক পরীক্ষা শুরু হওয়ার আগেই এনসিপি নেতা আশরাফ পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশ করে তার হবু স্ত্রীকে সহায়তা করছিলেন। তিনি প্রতিটি পরীক্ষায় কেন্দ্রে ঢুকে বিভিন্নভাবে হবু স্ত্রীকে সহায়তা করে আসছিলেন। এ ঘটনার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দেওয়া বন্ধ করে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ মিছিল করে। এ সময় এনসিপি নেতা শিক্ষার্থীদের গালাগালসহ ধাক্কা দিলে তারা আরও বিক্ষুব্ধ হয়ে পড়ে। একপর্যায়ে এনসিপি নেতাকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে ধাওয়া দেয় বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। এ সময় দৌড়ে পালিয়ে কেন্দ্র সচিবের কক্ষে আশ্রয় নেন এনসিপি নেতা। এ সময় প্রধান শিক্ষকসহ কয়েকজন এগিয়ে এলে ইটের আঘাতে তারা আহত হন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অরুণ চন্দ্র বলেন, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এনসিপির আহ্বায়ক আশরাফের বাগবিতণ্ডা হয়। আমি পরিস্থিতি শান্ত করতে গেলে একপর্যায়ে ইটের আঘাতে এনসিপি নেতা এবং আরও কয়েকজনসহ আমি আহত হই। পরে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অবরুদ্ধ আশরাফকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। এ সময় এক ঘণ্টা পরীক্ষা বন্ধ রাখা হয়। এ ঘটনায় ভাঙ্গা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করবেন বলে জানান প্রধান শিক্ষক। ভাঙ্গা থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে সেখানকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হয়েছে। এনসিপি নেতাকে উদ্ধার করে থানা হেফাজতে আনা হয়েছে। কোনো অভিযোগ না থাকায় তাকে তার অভিভাবকের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। পরে অভিযোগের ব্যাপারে জানতে চাইলে এনসিপি নেতা বলেন, আমার হবু স্ত্রীকে কয়েকজন ইভটিজিং করে। আমি এর প্রতিবাদ করায় তারা আমার ওপর হামলা করে।