বউ-বাচ্চাসহ গুলি করে হত্যার হুমকি, যুবদলের ২ নেতা বহিষ্কার
Why this classification
This incident is classified as political violence because it involves a conflict between the youth wings of the BNP and the AL at the Cable One Office in Rangpur. On March 1, 2026, an attack involving vandalism and death threats occurred, though no deaths or injuries were reported. While the perpetrator and victim sides are not formally recorded in the data fields, the summary identifies the political affiliations of the actors. The classification is supported by three corroborating sources.
Killed
0
Injured
0
Summary
১ মার্চ ২০২৬ তারিখে রংপুরে ক্যাবল ব্যবসা দখলের চেষ্টায় ভাঙচুর ও এক যুবলীগ নেতার পরিবারকে হত্যার হুমকির অভিযোগে দুই যুবদল নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। ঘটনার দিন বিকেলে অভিযুক্তরা স্থানীয় একটি অফিসে হামলা চালিয়ে সরঞ্জাম ভাঙচুর করেন।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
98% · severity 5
Parties involved
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 01/03/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (4 sources)
গ্রেপ্তারের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দুই নেতার জামিন
গুলি করে হত্যার হুমকি গ্রেপ্তারের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দুই নেতার জামিন রংপুর অফিস প্রকাশ: ০৪ মার্চ ২০২৬ | ০৮:০৭ | প্রিন্ট সংস্করণ রংপুরে কারাবন্দি যুবলীগ নেতার ডিশ ও ইন্টারনেট ব্যবসা দখলচেষ্টা এবং পরিবারসহ গুলি করে হত্যার হুমকির ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়ার ২৪ ঘণ্টা পার না হতেই জামিন পেয়েছেন দুই আসামি। মঙ্গলবার দুপুরে রংপুরের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক রাশেদ হোসাইন শুনানি শেষে তাদের জামিন মঞ্জুর করেন। জামিনপ্রাপ্তরা হলেন–রংপুর জেলা যুবদলের সদ্য বহিষ্কৃত সহ-সাধারণ সম্পাদক তামজিদুর রশিদ গালিব এবং জেলা জাতীয়তাবাদী তাঁতী দলের সাধারণ সম্পাদক মুরাদ কায়সার মিথুন। এর আগে সোমবার রাতে র্যাব-১৩ ও ডিবি পুলিশের পৃথক অভিযানে তারা গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। সোমবার রাতে কেবল ওয়ানের জিএম রায়হান আহম্মেদ পরাগ এবং মায়া সাইবার ওয়ার্ল্ডের সহকারী হিসাবরক্ষক মো. রাসেল বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় গালিব ও সদ্য বহিষ্কৃত জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আকিবুল রহমান মনুসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১৫-২০ জনকে আসামি করা হয়। এজাহারে উল্লেখ করা হয়, আসামিরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে প্রতিষ্ঠানের লাইন কেটে দিয়ে প্রায় ৭ লাখ টাকার ক্ষতি করেছে। এছাড়া রোববার বিকেলে গালিব ও মনু তাদের অনুসারীদের নিয়ে অফিসে ঢুকে ল্যাপটপ-কম্পিউটার ভাঙচুর করেন এবং গালিবকে নতুন ফিড অপারেটর হিসেবে নিয়োগ দিতে চাপ দেন। এ সময় মনু প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজারকে ফোনে হুমকি দিয়ে বলেন, ‘আজকে বিকেলের মধ্যে যদি সমাধান না করিস, তাহলে তোর বেডরুমে গিয়ে বউ-বাচ্চাসহ তোকে গুলি করে আসব।’ হামলা ও হুমকির সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হলে কেন্দ্রীয় যুবদল নড়েচড়ে বসে। দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গ ও নীতি-আদর্শ পরিপন্থি কর্মকাণ্ডের অভিযোগে রোববার রাতেই অভিযুক্ত মনু ও গালিবকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। একই সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছিল কেন্দ্রীয় যুবদল। তবে মামলার প্রধান দুই আসামি গ্রেপ্তারের পরপরই জামিন পাওয়ায় স্থানীয় জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। - বিষয় : - হত্যার হুমকি
‘আ.লীগের দালালি করছিস, বেডরুমে গিয়ে বউ-বাচ্চাসহ গুলি করব’
রংপুরে কারাবন্দী যুবলীগ নেতার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর ও গুলি করে হত্যার হুমকির অভিযোগ উঠেছে। গতকাল রোববার এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর যুবদলের দুই নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। সংগঠনের কেন্দ্রীয় সহদপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত চিঠিতে অভিযুক্ত দুজনের প্রাথমিক সদস্যপদসহ দল থেকে বহিষ্কার এবং তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। বহিষ্কৃত ব্যক্তিরা হলেন জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আকিবুল রহমান মনু ও সহসাধারণ সম্পাদক তামজিদুর রশিদ গালিব। এর আগে গতকাল নগরীর প্রেসক্লাব এলাকায় যুবদল নেতা আকিবুল রহমান মনু লোকজন নিয়ে ‘ক্যাবল ওয়ান নেটওয়ার্ক’ নামের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের অফিসে হামলা চালান। একপর্যায়ে আকিবুল রহমান প্রতিষ্ঠানের জিএমকে মোবাইল ফোনে হত্যার হুমকি দেন। ছড়িয়ে পড়া ৪ মিনিট ৫২ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, অফিসে অবস্থানকাল যুবদল নেতা মনু মায়া সাইবার ওয়ার্ল্ডের জিএম কাফিকে কল করে গালাগালি করেন। এ সময় মনু বলেন, ‘তুই আওয়ামী লীগের দালালি করছিস। তোর বাসায় গিয়ে গুলি করে আসব। আজকে বিকেলের মধ্যে যদি সমাধান না করিস, তাহলে তোর বেডরুমে গিয়ে বউ-বাচ্চাসহ তোকে গুলি করে আসব।’ অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ‘ক্যাবল ওয়ান নেটওয়ার্ক’ নামের প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে নগরীর কামাল কাছনা থেকে দখিগঞ্জ শ্মশান এলাকা পর্যন্ত কেবল টিভি ও ওয়াইফাই ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন নগর যুবলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হারুন অর রশিদ। ৫ আগস্টের পর বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের একটি মামলায় বর্তমানে তিনি কারাগারে আছেন। তাঁর অনুপস্থিতির সুযোগে ওই ব্যবসা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে চেষ্টা করেন যুবদল নেতা মনু ও গালিব। ক্যাবল ওয়ান নেটওয়ার্ক কর্তৃপক্ষের দাবি, ব্যবসা তাঁদের কাছে হস্তান্তরের জন্য বিভিন্ন সময় চাপ প্রয়োগ করা হয়। রাজি না হওয়ায় গত ২২ ফেব্রুয়ারি নগরীর কামাল কাছনা এলাকায় কেবল সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় থানায় আটজনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয় এবং সংবাদ সম্মেলন করে নিরাপত্তা চাওয়া হয়। এ ঘটনার প্রতিবাদে ক্যাবল ওয়ান কর্তৃপক্ষ তিন দফা দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘট শুরু করেছে। দাবিগুলো হলো—ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের অতি দ্রুত গ্রেপ্তার করা, প্রতিষ্ঠানের পরিবার-পরিজনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম বন্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। এ ব্যাপারে কথা বলতে যুবদল নেতা মনুর মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাঁকে পাওয়া যায়নি। তবে তামজিদুর রশিদ গালিব বলেন, ‘২০১৫ সালে যখন আমি কারাগারে ছিলাম, তখন আমার ওই লাইনের ব্যবসা দখল করে হারুন। আমি আমার হক আদায় করে নিচ্ছি। আমি কোনো অন্যায় করছি না, কাউকে মারতে যাইনি। আলোচনার মাধ্যমে মৌখিকভাবে কথা বলেছি।’ এ বিষয়ে মহানগর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহজাহান আলী বলেন, ক্যাবল ওয়ানের রায়হান আহমেদ পরাগ বাদী হয়ে যুবদল নেতা মনু, গালিবসহ ১৫ থেকে ২০ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
বউ-বাচ্চাসহ গুলি করে হত্যার হুমকি, যুবদলের ২ নেতা বহিষ্কার
সারাদেশ রংপুর বউ-বাচ্চাসহ গুলি করে হত্যার হুমকি, যুবদলের ২ নেতা বহিষ্কার নিজস্ব প্রতিবেদক রংপুর ২ মার্চ ২০২৬, ১৪:৩৩ অ+ অ- রংপুর কারাগারে থাকা এক যুবলীগ নেতার ম্যানেজারের বাড়িতে ঢুকে বউ-বাচ্চাসহ গুলি করার হুমকির অভিযোগ উঠেছে রংপুর জেলা যুবদলের দুই নেতার বিরুদ্ধে। এরপর ওই দুই নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। রোববার (১ মার্চ) দিবাগত রাতে তাদের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পদ থেকে বহিষ্কার করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল। সেইসঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। বহিষ্কৃতরা হলেন—জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আকিবুল রহমান মনু ও সহসাধারণ সম্পাদক তামজিদুর রশিদ গালিব। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, মহানগর যুবলীগের সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক ও কাউন্সিলর হারুন অর রশিদের (কানা হারুন) ক্যাবল ব্যবসা দখলের চেষ্টা করেন আকিবুল রহমান মনু ও তামজিদুর রশিদ গালিব। ব্যবসা হস্তান্তর না করায় তারা গত ২২ ফেব্রুয়ারি ক্যাবল সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন। পরে রোববার বিকেলে আকিবুল রহমান মনু তার অনুসারীদের নিয়ে ক্যাবল ওয়ান অফিসে ঢুকে শারীরিক হামলা চালান, ল্যাপটপ ও অন্যান্য সরঞ্জাম ভাঙচুর করেন এবং নতুন ফিডার নিয়োগ দিতে চাপ প্রয়োগ করেন। তাদের এই হুমকির ধামকির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়। ভিডিওতে দেখা যায়, যুবদল নেতা মনু মায়া সাইবার ওয়ার্ল্ডের জিএম কাফিকে ফোন করে বলেন, ‘আজকে বিকেলের মধ্যে যদি সমাধান না করিস, তাহলে বেডরুমে গিয়ে বউ-বাচ্চাসহ তোকে গুলি করে আসব।’ এ সময় তিনি অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকেন। একইসঙ্গে ডিস ও ইন্টারনেট ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে যুবলীগ নেতার পরিবার থেকে সংবাদ সম্মেলন করায় দ্রুত সমাধান করার জন্য হুমকি-ধামকি দেন এই যুবনেতা। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সানজিদা ইসলাম নামে এক নারী তার স্বামীর ডিস লাইন ও ইন্টারনেট ব্যবসা স্থানীয় যুবদল নেতারা জোরপূর্বক নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ তুলে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সাংবাদিক সম্মেলন করেন। ভুক্তভোগী সানজিদার দাবি, নগরীর শাহীপাড়া, কামাল কাছনা ও দখিগঞ্জ শ্মশান পর্যন্ত ডিস লাইন ক্যাবল ওয়ান নেটওয়ার্ক থেকে কিনে আখলাকুর রহমান খান পপি ব্যবসা করেন। পরবর্তীতে আখলাকুর রহমান খান পপি ডিস লাইন বিক্রি করলে তার স্বামী নিজাম উদ্দিন সুমন ও ভাসুর হারুন অর রশিদ হারুন বিগত ২০১৫ সালে কিনে চুক্তিপত্র করে। তখন থেকে তারা এই ডিস লাইন পরিচালনা করে আসছেন। বর্তমানে তাদের ডিস লাইনের পাশাপাশি ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবসাও রয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, বিএনপি সরকার গঠনের পর হঠাৎ করে গালিব ও মানুসহ কয়েকজন যুবদল নেতা তাদের ডিস লাইন ও ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবসা জোরপূর্বক কেড়ে নিতে চান। তারা বিভিন্নভাবে তাকেসহ তার স্বামী এবং ভাসুরকে মারধর ও হত্যার ভয়ভীতি দেখানোর পাশাপাশি ব্যবসায়িক ক্ষতি করার হুমকি দেন। এসব অভিযোগ প্রসঙ্গে যুবদল নেতা তামজিদুর রশিদ গালিব বলেন, ‘২০১৫ সালে আমাকে জেলে পাঠিয়ে আমার ব্যবসা দখল করা হয়েছে।’ ব্যবসার কোনো নথি আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এ ব্যবসার কোনো ডকুমেন্টস হয় না। আমি আমার হক আদায় করে নিচ্ছি।’ এ ঘটনার প্রতিবাদে রংপুর জেলার ক্যাবল ওয়ানের সব সিগন্যাল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখা হয়। রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহজাহান আলী জানিয়েছেন, এখনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে, দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গ, নীতি-আদর্শ ও সাংগঠনিক সংহতি পরিপন্থি কার্যকলাপের অভিযোগে রংপুর জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আকিবুল রহমান মনু এবং সহসাধারণ সম্পাদক তামজিদুর রশিদ গালিবকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ দল থেকে বহিষ্কার করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল। রোববার দিবাগত রাতে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহদপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূইয়া স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গসহ বিভিন্ন অনাকাঙ্ক্ষিত কর্মকাণ্ডের কারণে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, বহিষ্কৃত নেতাদের কোনো ধরনের অপকর্মের দায়-দায়িত্ব দল নেবে না। পাশাপাশি যুবদলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীদের তাদের সঙ্গে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন এমপি ইতোমধ্যে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। ফরহাদুজ্জামান ফারুক/এএমকে
হুমকি দিয়ে যুবদল নেতা বললেন, ‘বেডরুমে গিয়ে বউ-বাচ্চাসহ তোকে গুলি করে আসব’
গতকাল রোববার বিকেল চারটার দিকে রংপুর নগরের স্টেশন রোডে ক্যাবল ওয়ানের কার্যালয়ে যুবদল নেতা তামজিদুর রশিদ ও আকিবুল রহমানসহ তাঁদের ১৫-২০ জন অনুসারী প্রবেশ করেনছবি: সিসিটিভি ফুটেজ থেকে নেওয়া রংপুরে কারাগারে থাকা এক যুবলীগ নেতার ‘ডিশ-ইন্টারনেট’ ব্যবসা দখলের চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে জেলা যুবদলের দুই নেতাসহ তাঁদের অনুসারীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় কেব্ল অফিসে গিয়ে হামলা-ভাঙচুর ও ম্যানেজারকে বাড়িতে ঢুকে গুলি করে খুনের হুমকির দেওয়ার অভিযোগ করেছেন ওই ব্যবসায়ীর পরিবার। অভিযোগের পর গতকাল রোববার রাতে যুবদলের ওই দুই নেতাকে সংগঠন থেকে বহিস্কার করা হয়েছে। বহিষ্কৃত নেতারা হলেন জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আকিবুল রহমান (মনু) ও সহসাধারণ সম্পাদক তামজিদুর রশিদ (গালিব)। গতকাল রাতে যুবদলের কেন্দ্রীয় সহদপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূইয়ার স্বাক্ষরিত চিঠিতে তাঁদের সংগঠনের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়। পাশাপাশি তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিও আহ্বান জানানো হয়। পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, রংপুর নগরে মায়া সাইবার ওয়ার্ল্ড ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের ফিড অপারেটর হিসেবে ‘ক্যাবল ওয়ান নেটওয়ার্ক’ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে নগরের কামাল কাছনা থেকে দখিগঞ্জ শ্মশান এলাকা পর্যন্ত কেব্ল ও ওয়াই–ফাই ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন মহানগর যুবলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাবেক কাউন্সিলর হারুন অর রশিদ। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মামলায় তিনি বর্তমানে কারাগারে আছেন। ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী পরিবারের দাবি, নতুন সরকার আসার পর তাঁদের ব্যবসা হস্তান্তর করতে চাপ দেওয়া হয়। কিন্তু রাজি না হওয়ায় গত ২৩ ফেব্রুয়ারি রংপুর নগরের কামাল কাছনা এলাকায় পূর্বপরিকল্পিত ও অবৈধভাবে তাঁদের বৈধ ফিডারের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। পরে এ ঘটনায় তাঁরা থানায় আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দেন। গত শনিবার হারুন অর রশিদের স্ত্রী রেবেকা হারুন সংবাদ সম্মেলন করেন। রংপুর কোতোয়ালি থানায় করা অভিযোগে বলা হয়েছে, আগের ঘটনার জেরে গতকাল রোববার বিকেল চারটার দিকে রংপুর নগরের স্টেশন রোডে ক্যাবল ওয়ানের কার্যালয়ে তামজিদুর রশিদ ও আকিবুল রহমানসহ তাঁদের সঙ্গে ১৫-২০ জন প্রবেশ করে ব্যবস্থাপক রায়হান আহম্মেদকে মারধর ও কার্যালয়ের ল্যাপটপ ও অন্যান্য সরঞ্জাম ভাঙচুর করেন। তাঁরা তামজিদুর রশিদকে নতুন ফিড অপারেটর হিসেবে নিয়োগ দিতে চাপ দেন। এ ঘটনার সিসিটিভির ফুটেজ প্রথম আলোর হাতে এসেছে। ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ক্যাবল ওয়ান কার্যালয়ে অবস্থানকালে একপর্যায়ে যুবদল নেতা আকিবুল রহমান মায়া সাইবার ওয়ার্ল্ডের ম্যানেজার মাহাদি হাসানকে মুঠোফোনে কল করে গালিগালাজ শুরু করেন। এ সময় আকিবুল বলেন, ‘লাইনের কী সমাধান করবেন। তুই (মাহাদি) আওয়ামী লীগের দালালি করছিস। তোর বাসায় গিয়ে গুলি করে আসব। আজকে বিকেলের মধ্যে যদি সমাধান না করিস, তাহলে তোর বেডরুমে গিয়ে বউ-বাচ্চাসহ তোকে গুলি করে আসব।’ অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তামজিদুর রশিদ দাবি করেন, ‘২০১৫ সাল পর্যন্ত এ লাইনটি তাঁর ছিল। ওই সময় অবরোধের সময় আমি কারাগারে থাকাকালীন শুনি, হারুন আমার লাইন দখল করেছে। এটা আমার হক। আমি কোনোখানে অন্যায় করতেছি না বা কাউকে মারতে যাইনি। মৌখিকভাবে কথা বলতেছি আলোচনার ভেতরে।’ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলার অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘সংবাদ সম্মেলন করে আকিবুলদের নাম নেওয়াতে কালকে ওরা হয়তোবা অফিসে গেছে। এতে উচ্চবাচ্য হয়েছে।’ কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহজাহান আলী প্রথম আলোকে বলেন, গতকাল রাতে মায়া সাইবার ওয়ার্ল্ড ও ক্যাবল ওয়ান কর্তৃপক্ষ এ ঘটনায় তামজিদুর রশিদ ও আকিবুল রহমানের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা ১৫-২০ জনের নামে দুটি মামলা করেছে। এ ঘটনায় কেউ এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার হয়নি। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন যুবদলচাঁদাবাজিহুমকিরংপুর বিভাগরংপুর সিটিরংপুর
