কার্যালয়ে অবরুদ্ধ ভিসি : শ্বাসরুদ্ধকর ৩০ ঘণ্টা

AI-classifiedconfidence 80%

Why this classification

A student was allegedly stopped, beaten, and dragged by the hair at Madunaghat on Monday, 12 October 2026, and buses were attacked the same day. These are concrete physical attacks in Bangladesh within the 14-day window, so the event is included, though the party responsible is based on unverified allegations.

Reported by:Dhaka PostSingle source
12/10/26•মদুনাঘাট, হাটহাজারী

Killed

0

Injured

1

Summary

সোমবার (১২ অক্টোবর ২০২৬) দুপুর আড়াইটার দিকে হাটহাজারীর মদুনাঘাটে চুয়েটগামী শিক্ষার্থীবাহী বাস থামিয়ে শিক্ষার্থী আমিনুল কুদ্দুস চৌধুরীকে মারধর ও হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, যাতে স্থানীয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। একই দিনে বহদ্দারহাট ও কুয়াইশ এলাকায় শিক্ষার্থীবাহী বাসে হামলা এবং ট্রাক দিয়ে ব্যারিকেডের ঘটনাও ঘটে।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

80% · severity 6

Perpetrator side

BNP

Victim side

Unknown

Other actors

আমিনুল কুদ্দুস চৌধুরী (যন্ত্রকৌশল বিভাগ, ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষ, আক্রান্ত শিক্ষার্থী)স্থানীয় ছাত্রদলের নেতাকর্মী (প্রত্যক্ষদর্শীর অভিযোগ অনুযায়ী, অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি)অজ্ঞাত একদল লোক (মদুনাঘাট)

Affected infrastructure

চুয়েটগামী শিক্ষার্থীবাহী বাস (মদুনাঘাট)চুয়েটগামী বাস (বহদ্দারহাট)বাস (ভাঙচুরের অভিযোগ)

Tags

Party ClashRally Violence

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: BNP

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 12/10/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Dhaka Post · 13/10/26open original ↗

কার্যালয়ে অবরুদ্ধ ভিসি : শ্বাসরুদ্ধকর ৩০ ঘণ্টা

সোমবার সকাল থেকে মঙ্গলবার সন্ধ্যা। প্রায় ৩০ ঘণ্টা ধরে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) নিজ কার্যালয়ে অবরুদ্ধ ছিলেন নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম। প্রশাসনিক ভবনের ফটকে তালা, বিদ্যুৎ ও পানির সংযোগ বিচ্ছিন্ন, বাইরে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের অবস্থান। এর মধ্যেই ক্যাম্পাসের বাইরে শিক্ষার্থীদের বহনকারী বাসে হামলা, এক শিক্ষার্থীকে মারধর ও হেনস্তার অভিযোগ ওঠে। একপর্যায়ে শারীরিক অসুস্থতার কথা জানিয়ে হাসপাতালে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন উপাচার্য। শেষ পর্যন্ত চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপে তাকে উদ্ধার করা হয়। তবে ক্যাম্পাস ছাড়ার আগে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে দেওয়া হয় শর্ত, চুয়েটে আর ফিরতে পারবেন না উপাচার্য। সেই শর্তের ঘোষণা সামনে রেখেই পুলিশি নিরাপত্তায় অ্যাম্বুলেন্সে করে ক্যাম্পাস ছাড়েন তিনি। সোমবার (১২ অক্টোবর) থেকে মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) পর্যন্ত দুই দিনের ঘটনাপ্রবাহে চুয়েটের দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা নতুন মাত্রা পায়। উপাচার্যের ক্যাম্পাসে প্রবেশকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে আন্দোলন, বাইরে শিক্ষার্থীদের বাসে হামলার অভিযোগ, শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতিবাদ এবং প্রশাসনের হস্তক্ষেপ; সব মিলিয়ে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। ! তালা ভেঙে প্রবেশ, এরপর অবরুদ্ধ সোমবার সকাল পৌনে ৯টার দিকে চুয়েটের প্রশাসনিক ভবনের মূল ফটকের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, তিনি বহিরাগত ব্যক্তিদের নিয়ে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন। এর প্রতিবাদে সকাল থেকেই উপাচার্য ভবনের সামনে অবস্থান নেন আন্দোলনকারীরা। ! শিক্ষার্থীরা উপাচার্যকে দুপুর ১২টার মধ্যে কার্যালয় ছাড়ার সময় বেঁধে দেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তিনি কার্যালয় না ছাড়ায় দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ভবনের ফটকে আবার তালা দেওয়া হয়। এরপর উপাচার্য নিজ কার্যালয়ে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন। ! শিক্ষার্থীরা ঘোষণা দেন, সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহাল না করা পর্যন্ত নতুন উপাচার্যকে কার্যালয় থেকে বের হতে দেওয়া হবে না। পরে তারা উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিও জানান। সোমবার রাতে সংবাদ সম্মেলনে আন্দোলনকারীরা নিজেদের অবস্থানে অনড় থাকার কথা জানান। মদুনাঘাটে বাস থামিয়ে শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ উপাচার্যের ক্যাম্পাসে প্রবেশকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার মধ্যেই সোমবার দুপুর আড়াইটার দিকে চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার মদুনাঘাট এলাকায় চুয়েটগামী শিক্ষার্থীবাহী বাস থামিয়ে এক শিক্ষার্থীকে মারধর ও হেনস্তার অভিযোগ ওঠে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী চুয়েটের যন্ত্রকৌশল বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের আমিনুল কুদ্দুস চৌধুরী। আরও পড়ুন তার ভাষ্য অনুযায়ী, সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে চলমান আন্দোলনে যোগ দিতে তিনি নগরের বহদ্দারহাট থেকে চুয়েটগামী বাসে ওঠেন। পথে মদুনাঘাট এলাকায় বাসটি থামানো হলে পরিস্থিতি দেখতে তিনি বাস থেকে নামেন। এ সময় কাউকে ফোন করার জন্য মুঠোফোন বের করতেই একদল লোক তাকে ঘিরে ধরে। ওই শিক্ষার্থীর অভিযোগ, তাকে হেনস্তা করার পাশাপাশি জামাকাপড় ধরে টানাটানি করা হয়। একপর্যায়ে চুল ধরে টেনে মারধর করা হয় এবং তাকে সেখান থেকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়। ছাত্রলীগ ও শিবিরের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তুলে তাকে মারধর করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। পরে কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তি তাকে সহযোগিতা করে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেন। প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, এ ঘটনায় স্থানীয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা জড়িত ছিলেন। তবে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। দুই বাস আটকে রাখা, বহদ্দারহাটেও হামলার অভিযোগ মদুনাঘাটের ঘটনায় চুয়েটগামী দুটি বাস আটকে রাখার অভিযোগ ওঠে। বাস দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছাতে না পেরে ফিরে যায়। বাসে ভাঙচুরের অভিযোগও ওঠে, যদিও ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এরপর বিকেল সোয়া ৪টার দিকে নগরের বহদ্দারহাট এলাকায় শিক্ষার্থীদের বহনকারী আরেকটি বাসে হামলার অভিযোগ আসে। একই দিনে মদুনাঘাটে বাস থামানো এবং বহদ্দারহাটে হামলার অভিযোগে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। এ ছাড়া, হাটহাজারীর কুয়াইশ এলাকায় শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসমুখী বাসের গতি রোধ করতে ট্রাক দিয়ে ব্যারিকেড দেওয়ার ঘটনাও সামনে আসে। এসব ঘটনায় ক্যাম্পাসে চলমান আন্দোলনে যোগ দিতে শিক্ষার্থীদের যাতায়াত বাধাগ্রস্ত হওয়ার অভিযোগ করেন সংশ্লিষ্টরা। হামলার প্রতিবাদে শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মিছিল শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার অভিযোগের প্রতিবাদে সোমবার চুয়েটের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তন থেকে শিক্ষকরা মৌন মিছিল নিয়ে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে যান। সেখানে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সমাবেশে অংশ নিয়ে হামলার নিন্দা জানান তারা। ! পরে চুয়েট শিক্ষক সমিতি, কর্মকর্তা সমিতি ও স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের যৌথ উদ্যোগে সংবাদ সম্মেলন ও প্রতিবাদ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনগুলো জানায়, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান সংকট নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। ! একই সঙ্গে নবনিযুক্ত উপাচার্যের ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনায় অসন্তোষ জানিয়ে তিন সংগঠন সর্বাত্মক অসহযোগ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয়। ফলে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পাশাপাশি শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মবিরতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও ব্যাহত হয়। ! বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন, অসুস্থতার কথা জানান ভিসি উপাচার্যকে অবরুদ্ধ করার পর প্রশাসনিক ভবনের বিদ্যুৎ ও পানির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন শিক্ষার্থীরা। এতে ভবনের ভেতরে অবস্থানকারীরা দুর্ভোগে পড়েন। উপাচার্য মঙ্গলবার সকালে জানান, বিদ্যুৎ ও পানির সংযোগ বন্ধ থাকায় ভেতরে থাকা ব্যক্তিরা ক্লান্ত ও অসুস্থ বোধ করছেন। কয়েকজনের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যার কথাও তিনি উল্লেখ করেন। সোমবার রাতে অবরুদ্ধ ব্যক্তিদের মানবিক পরিস্থিতি বিবেচনায় বিদ্যুৎ সংযোগ চালুর অনুরোধ জানাতে ক্যাম্পাসে যান রাউজানের সহকারী কমিশনার (ভূমি) অংছিং মারমা। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে তিনি সংযোগ চালুর অনুরোধ করেন। অবরুদ্ধ অবস্থায় থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে একজন অসুস্থ হয়ে পড়লে রাতে তাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে সরিয়ে নেওয়া হয়। পরদিন মঙ্গলবার উপাচার্যও শারীরিক অসুস্থতার কথা জানিয়ে হাসপাতালে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি বুকে ব্যথা অনুভব করছেন বলে জানান। জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ মঙ্গলবার বিকেল ৫টা ২০ মিনিটের দিকে চুয়েট ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা ও পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম। উপাচার্যকে অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার উদ্দেশ্যে তারা সেখানে যান। ! জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা তাৎক্ষণিকভাবে বলেন, ‘একজন সম্মানিত শিক্ষক আমাদের কাছে নিরাপত্তা চেয়েছেন, চিকিৎসার জন্য বলেছেন। তাকে আমরা নিয়ে যেতে এসেছি। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হবে।’ এরপর উপাচার্যকে প্রশাসনিক ভবন থেকে বের করে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়। সন্ধ্যা ৬টার দিকে তাকে নিচে নামিয়ে আনা হলে মাইক হাতে যন্ত্রকৌশল বিভাগের ২১ ব্যাচের শিক্ষার্থী শিক্ষার্থী আহনাফ শাহরিয়ার অর্ণব ঘোষণা দেন, ‘জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে ভিসিকে আমরা ক্যাম্পাস থেকে বের হতে দিচ্ছি একটি মাত্র শর্তে, সেটি হলো তিনি আর চুয়েট ক্যাম্পাসে ফিরবেন না।’ ! এ সময় ওই শিক্ষার্থীর পাশে ভিসি, জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার উপস্থিত ছিলেন। পরে পুলিশি নিরাপত্তায় উপাচার্যকে একটি অ্যাম্বুলেন্সে তোলা হয়। এ সময় শিক্ষার্থীরা তাকে লক্ষ্য করে ‘ভুয়া, ভুয়া’ স্লোগান দেন। প্রায় ৩০ ঘণ্টার অবরুদ্ধ অবস্থার অবসান ঘটে এভাবেই। এ সময় ভিসির সঙ্গে অবরুদ্ধ থাকা কয়েকজনকে ওই অ্যাম্বুলেন্সে তোলা হয়। ভিসি চুয়েট ক্যাম্পাস ছাড়ার পর চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার মাসুদ আলম বলেন, কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই ভিসি ক্যাম্পাস ত্যাগ করেছেন। তিনি অসুস্থ। তাকে হাসপাতালে নেওয়া হবে। আমরা শিক্ষার্থীদের বুঝিয়ে বলেছি। তারা ধৈর্য ধরে আমাদের সহযোগিতা করেছেন। শিক্ষার্থীদের দাবি থাকতেই পারে, সেটি প্রপার অথরিটি বিবেচনা করবে। শিক্ষার্থীদের পাল্টা বক্তব্য, হামলায় ভিসির মদদের অভিযোগ চুয়েটে চলমান আন্দোলনের ২২তম দিনে দেওয়া এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষার্থীরা দাবি করেছেন, তাদের সুস্পষ্ট আপত্তি উপেক্ষা করে ১২ অক্টোবর ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম। তাদের অভিযোগ, উপাচার্যের ক্যাম্পাসে প্রবেশের পর চুয়েটের বাস ও সহপাঠীদের ওপর পরপর দুই দফা হামলার ঘটনা ঘটে। এসব হামলায় উপাচার্যের নির্দেশনা বা মদদ রয়েছে বলে অভিযোগ করলেও এর নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন তারা। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে উপাচার্যের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। আরও পড়ুন প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষার্থীরা আরও দাবি করেন, প্রশাসনিক ভবনে অবস্থানরত ব্যক্তিদের খাবার, পানি ও জরুরি ওষুধ সরবরাহের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। অসুস্থ বোধ করা একজনকে প্রথমে চুয়েট মেডিকেল এবং পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থাও করেন তারা। গণমাধ্যমে পানি ও গ্যাসের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার খবর সঠিক নয় দাবি করে শিক্ষার্থীরা জানান, তারা কেবল বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছিলেন। শিক্ষার্থীরা বলেন, জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপাচার্যকে নিরাপদে ক্যাম্পাস থেকে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে তারা বাধা দেবেন না। তবে তার ক্যাম্পাস ত্যাগকে আন্দোলনের সমাপ্তি বা উপাচার্য হিসেবে তার প্রতি সম্মতি হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। উপাচার্য যেন পদত্যাগ না করে পুনরায় ক্যাম্পাসে প্রবেশ বা প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে না পারেন, সে বিষয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত বা প্রকা