নোয়াখালীতে আ.লীগ ও বিএনপির সংঘর্ষ-অগ্নিসংযোগ, আহত ১৬
Why this classification
This is a single, specific incident on Saturday, June 6, 2026, in which Chhatra Dal and Awami League supporters fought in Noakhali, a motorcycle was set on fire, at least 16 people were injured, and a union chairman's office was later set alight. Because it involves a physical clash, arson, and injuries within the recent window, it counts as violence.
Killed
0
Injured
16
Summary
শনিবার (৬ জুন ২০২৬) সন্ধ্যায় নোয়াখালী সদর উপজেলার পশ্চিম শুল্লুকিয়া গ্রামে ছাত্রদল ও আওয়ামী লীগ-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে ছাত্রদলের একটি মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়া হয় এবং উভয় পক্ষের অন্তত ১৬ জন আহত হন। পরে রাতে ছাত্রদল কালাদরাপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সেলিমের ব্যক্তিগত কার্যালয়ে আগুন দেয়।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
90% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 16
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP, Awami League
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: BNP, Awami League
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 06/06/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
নোয়াখালীতে আ.লীগ ও বিএনপির সংঘর্ষ-অগ্নিসংযোগ, আহত ১৬
নোয়াখালীতে আ.লীগ ও বিএনপির সংঘর্ষ-অগ্নিসংযোগ, আহত ১৬ Advertisement নোয়াখালী প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৬:২৮ পিএম ছবি: সংগৃহীত নোয়াখালীর সদর উপজেলায় ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও তাদের সমর্থকদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ছাত্রদলের একটি মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ করা হয়। শনিবার সন্ধ্যার দিকে উপজেলার পশ্চিম শুল্লুকিয়া গ্রামে এ সংঘর্ষে নোয়াখালী শহর শ্রমিক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হৃদয়সহ উভয়পক্ষের অন্তত ১৬ জন আহত হয়েছেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার বিকালে উপজেলার নোয়ান্নই ইউনিয়নের বাঁধেরহাট এলাকায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এর জের ধরে শনিবার বিকালে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এনবিএস রাসেলের নেতৃত্বে সেখানে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ধরে ধরে পুলিশে দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়। কর্মসূচি শেষে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা মোটরসাইকেল বহর নিয়ে শোডাউন করে ফেরার পথে কালাদরাপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সাবেক ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি শাহাদাত হোসেন সেলিমকে তার বাড়ির পাশের একটি দোকানে বসে থাকতে দেখতে পান। এ সময় চেয়ারম্যানের সঙ্গে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে সেলিমকে মোটরসাইকেলে করে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। তখন এলাকাবাসী মসজিদের মাইকে চেয়ারম্যানের ওপর হামলার ঘোষণা দিলে স্থানীয় জনতা ও আওয়ামী লীগ এবং চেয়ারম্যানের সমর্থকেরা ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে ছাত্রদলকে ধাওয়া দেয়। পরে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয় এবং ছাত্রদলের ফেলে যাওয়া একটি মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়া হয়। সংঘর্ষে শ্রমিক দল নেতা হৃদয়সহ উভয় পক্ষের অন্তত ১৬ জন আহত হন। পরবর্তীতে রাত পৌনে ৮টার দিকে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা একত্রিত হয়ে শাহাদাত হোসেন সেলিম চেয়ারম্যানের একটি ব্যক্তিগত কার্যালয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এনবিএস রাসেল বলেন, চেয়ারম্যানের বাড়ির পাশে ছাত্রলীগের লোকজন মিছিল করার জন্য জড়ো হয়েছিল। খবর পেয়ে ওয়ার্ড ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সেখানে গেলে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। পরে আমরা বাঁধেরহাটের কর্মসূচি শেষে ঘটনাস্থলে গিয়ে নেতাকর্মীদের নিরাপদে সরিয়ে আনি। হামলায় আমাদের তিনজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন এবং একটি মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে সুধারাম মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম বলেন, কী বলব- একটা ঘটনার পর ছাত্রদল ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুনে ঘি ঢেলে পরিস্থিতির অবনতি ঘটাল। পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে। পরে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।
