আনোয়ারায় ইসলামী ফ্রন্ট প্রার্থীর নির্বাচনী কার্যালয়ে ভাঙচুর
Why this classification
This incident is classified as political violence because unknown perpetrators attacked the election office of a Bangladesh Islamic Front candidate in Anwara, Chattogram. The attack involved the vandalism of furniture, but no deaths or injuries were reported. The identity of the perpetrator side is not known. This report is supported by four corroborating sources.
Killed
0
Injured
0
Summary
চট্টগ্রাম-১৩ আসনের বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট প্রার্থী এস এম শাহজাহানের নির্বাচনী অফিসে ১ ফেব্রুয়ারি রাতে অজ্ঞাত দুষ্কৃতকারীরা হামলা চালিয়ে আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। এ ঘটনায় আনোয়ারা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
98% · severity 3
Parties involved
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 01/02/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (4 sources)
চট্টগ্রাম ইসলামী ফ্রন্ট প্রার্থীর নির্বাচনী অফিসে ভাঙচুর
রাজনীতি চট্টগ্রাম চট্টগ্রাম ইসলামী ফ্রন্ট প্রার্থীর নির্বাচনী অফিসে ভাঙচুরনিজস্ব প্রতিবেদক ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৮:১৫অ+অ-চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা–কর্ণফুলী) আসনে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের (মোমবাতি প্রতীক) সংসদ সদস্য প্রার্থী এস এম শাহজাহানের নির্বাচনী অফিসে গভীর রাতে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) আনুমানিক রাত ৩টার দিকে আনোয়ারা উপজেলার ১০ নং হাইলধর ইউনিয়নের মধ্যম খাসখামা (১ নং ওয়ার্ড) এলাকায় অবস্থিত নির্বাচনী অফিসে অজ্ঞাতনামা দুষ্কৃতকারীরা হামলা চালায়। হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে অফিসের চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর করে এবং ব্যানার ও ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ ঘটনায় খাসখামা (১ নং ওয়ার্ড) কেন্দ্র কমিটির সচিব কাজী মোহাম্মদ আলী আনোয়ারা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, প্রায় এক সপ্তাহ আগে এলাকায় নির্বাচনী অফিস স্থাপন করা হয়। শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচনী কার্যক্রম চলাকালে পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালানো হয়েছে। আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুনায়েত চৌধুরী বলেন, ‘আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আরএমএন/এমএন
ইসলামী ফ্রন্টের সংবাদ সম্মেলন নির্বাচনী প্রচারে বাধা, ভয়ভীতি ও ক্যাম্প ভাঙচুরের অভিযোগ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বৃহত্তর সুন্নী জোট ও বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট মনোনীত মোমবাতি প্রতীকের প্রার্থীদের নির্বাচনি প্রচারে বাধা, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও নির্বাচনি ক্যাম্প ভাংচুরের অভিযোগ তুলেছেন দলটির নেতারা। বৃহস্পতিবার নগরীর মোমিন রোডে দলের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করেন চট্টগ্রাম মহানগর উত্তর ইসলামী ফ্রন্টের সভাপতি আব্দুর নবী আল কাদেরী। এ সময় ৪ দফা দাবি তুলে ধরেন তারা। লিখিত বক্তব্যে আব্দুর নবী আল কাদেরী বলেন, প্রতীক বরাদ্দের পর থেকে এক স্বার্থান্বেষী মহলের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মদদে বৃহত্তর সুন্নী জোট সমর্থিত ও বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট মনোনীত মোমবাতি প্রতীকের প্রার্থীদের গণ সমর্থনে ভীত হয়ে পরিকল্পিতভাবে সহিংসতা সন্ত্রাস বিশৃঙ্খলা পরিস্থিতি তৈরির অপচেষ্টা করছে। চট্টগ্রামের সাতটি আসনে সুন্নী জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচন করছে। আসনগুলোতে মোমবাতি প্রতীকের পক্ষে অভূতপূর্ব জনজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। এ জনজোয়ারে ভীত হয়ে একটি গোষ্ঠী পেশিশক্তি, তথ্য সন্ত্রাস ও পরিকল্পিত সহিংসতার আশ্রয় নিয়েছে। তিনি অভিযোগ করে বলেন, চট্টগ্রাম-৬ রাউজান আসনে নিয়মিতভাবে মোমবাতির ব্যানার ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে। গত ৩১ জানুয়ারি কাগতিয়া বাজারে মোমবাতির প্রার্থী ইলিয়াছ নূরীর প্রচারণায় সরাসরি হামলা হয়েছে। মাইক ছিনিয়ে নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল হলেও দোষীদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। একইভাবে চট্টগ্রাম-৭ রাঙ্গুনিয়া আসনে মোমবাতি প্রার্থী ইকবাল হাসানের গণসংযোগে বাধা ও ভয়ভীতি প্রদর্শন অব্যাহত রয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, চট্টগ্রাম-১৩ আনোয়ারা কর্ণফুলী আসনে গত ১ ফেব্রুয়ারি মোমবাতির প্রার্থীর নির্বাচনি কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়েছে। চট্টগ্রাম-১৪ আসনের প্রার্থী সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান সোলায়মান ফারুকীকে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের হুমকি দেওয়া হয়েছে। চট্টগ্রাম-১২ ও চট্টগ্রাম-৮ আসনে গণসংযোগে বাধা দেওয়া হচ্ছে। সংবাদ সম্মেলনে আব্দুর নবী আল কাদেরী ৪ দফা দাবি দাবি তুলে ধরেন। এগুলো হলো- বিভিন্ন এলাকায় তাদের প্রার্থীদের হামলা, প্রচারণায় বাধাপ্রদানকারীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ তৈরি করে সব প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ তৈরি করতে হবে। পেশিশক্তি ব্যবহারের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়ন করতে হবে। সব ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় সেনা, বিজিবি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করে ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোটদানের পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। আচরণবিধি লঙ্ঘন সহিংসতার ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তে নির্বাচন কমিশনের অধীনে বিশেষ তদন্ত সেল গঠন করতে হবে। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন- ইসলামী ফ্রন্টের চট্টগ্রাম উত্তর জেলার সভাপতি আবদুর রহিম মুনিরী, চট্টগ্রাম মহানগর দক্ষিণের সভাপতি ইউনুস তৈয়বী যুক্তিবাদী ও সাধারণ সম্পাদক আলী হোসেন।
‘আওয়ামী দোসর’ বলে ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থীর প্রচারে বাধা
ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী ইলিয়াছ নুরীর প্রচারণায় বাধা দেওয়া হচ্ছে। আজ সন্ধ্যা ছয়টার দিকে চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার বিনাজুরী ইউনিয়নের কাগতিয়া বাজারেছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া চট্টগ্রামের রাউজানে ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী ইলিয়াছ নুরীর প্রচারে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় কয়েকজন নেতা-কর্মী এবং সমর্থককে মারধর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছে দলটি। আজ শনিবার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে উপজেলার বিনাজুরী ইউনিয়নের কাগতিয়া বাজারে এ ঘটনা ঘটে। ইসলামী ফ্রন্টের নেতা-কর্মীরা জানান, আজ দিনভর বিনাজুরী ইউনিয়নে মোমবাতি প্রতীকের প্রার্থী ইলিয়াছ নুরী প্রচার চালান। প্রচারণাকে কেন্দ্র করে সেখানে দলের কয়েক শ নেতা-কর্মী ও সমর্থক ছিলেন। সন্ধ্যার আগে কাগতিয়া বাজারে স্লোগান দিয়ে প্রচারের সময় কয়েকজন যুবক বাধা দেন। এ সময় তাঁদের সঙ্গে ইসলামী ফ্রন্টের নেতা-কর্মীদের হাতাহাতি হয়। একপর্যায়ে ইলিয়াছ নুরীর সমর্থকদের হাতে থাকা প্রতীকী মোমবাতি কেড়ে নিয়ে ওই যুবকেরা ছুড়ে ফেলে দেন। আসনটিতে ইসলামী ফ্রন্টের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্বে রয়েছেন মুহাম্মদ আলমগীর হোসাইন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘কিছু যুবক কোনো কারণ ছাড়াই নির্বাচনী প্রচারে হামলা করেছেন। আমরা জড়িতদের শনাক্ত করে শাস্তির দাবি জানাই।’ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী ইলিয়াছ নুরী মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, যুবকদের বাধার মুখে একপর্যায়ে প্রচারণা বন্ধ করে তিনি ফিরে এসেছেন। বাধাদানকারী যুবকেরা কোন দলের অনুসারী, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা সম্ভব হয়নি। জানতে চাইলে রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাজেদুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আমরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছি। এর আগেই বাধাদানকারী যুবকেরা পালিয়ে গেছেন। মোমবাতি প্রতীকের প্রার্থী ও নেতা-কর্মীদের আওয়ামী লীগের দোসর ট্যাগ দিয়ে বাধা দেওয়া হয়েছে। কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তদন্ত করে বের করা হবে।’ প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন হামলাঅপরাধরাজনীতিত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনজাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬চট্টগ্রামচট্টগ্রাম বিভাগ
রাউজানে ইসলামী ফ্রন্ট প্রার্থীর নির্বাচনী কার্যালয় পুড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা
রাউজানে ইসলামী ফ্রন্ট প্রার্থীর নির্বাচনী কার্যালয়টিতে আগুন দেওয়া হয়। উপজেলার বাগোয়ান ইউনিয়নের খেলারঘাট বাজারেছবি: প্রথম আলো চট্টগ্রামের রাউজানে সুন্নি ঐক্যজোটের ইসলামী ফ্রন্টের মোমবাতি প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী ইলিয়াস নুরীর নির্বাচনী কার্যালয়ে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। আজ সোমবার ভোরে উপজেলার বাগোয়ান ইউনিয়নের খেলারঘাট বাজারে স্থাপিত কার্যালয়টি দুর্বৃত্তরা আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়। একই দিন বিকেলে বিষয়টি জানিয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় ও থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন প্রার্থীর প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট আমান উল্লাহ। স্থানীয় বাজারের ব্যবসায়ী ও ইসলামী ফ্রন্টের দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত রোববার রাতেও নির্বাচনী কার্যালয়ে বসে প্রচারণা ও নির্বাচনের নানা কাজ করেছেন ইসলামী ফ্রন্ট ও তাদের ছাত্রসংগঠন ছাত্রসেনার নেতা-কর্মীরা। সকালে বাজারের ব্যবসায়ীরা দেখতে পান কার্যালয়ের পুড়ে যাওয়া আসবাব, ডেকোরেশনের সরঞ্জাম এবং ব্যানার পড়ে আছে। তাঁদের ধারণা, ভোরে দুর্বৃত্তরা কার্যালয়ে আগুন দিয়ে পালিয়ে গেছে। এ কারণে দিনভর ওই কার্যালয়ে দলটির প্রচারণা বন্ধ ছিল। এ প্রসঙ্গে মুঠোফোনে জানতে চাইলে মোমবাতি প্রতীকের প্রার্থী ইলিয়াস নুরী প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমার জয়প্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে কোনো প্রার্থীর লোকেরা এমন ঘটনা ঘটাতে পারে। তবে আমি এসবে ভীত নই। সুন্দর আগামী এবং সন্ত্রাসমুক্ত রাউজান গড়তে ভোটারদের ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। এ কারণে আমার কর্মী–সমর্থকদের হুমকিও দেওয়া হচ্ছে। প্রশাসনের সহযোগিতা চাই আমরা।’ রাউজান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম রাহাতুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ঘটনাটির খবর পেয়ে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত করে থানা-পুলিশকে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন সহিংসতাত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনচট্টগ্রামচট্টগ্রাম বিভাগরাউজান
