বগুড়ায় শ্যালো মেশিনের ঘর থেকে কৃষকের লাশ উদ্ধার

AI-classifiedconfidence 89%

Why this classification

This incident was classified as criminal violence in Bogura. Parties reported: Unknown. Reported casualties: 1 killed and 0 injured. Reported by 2 sources.

Reported by:Ajker PatrikaProthom AloJugantorCorroborated · 3 sources
28/03/26•Salmara Beel, Nishindara Akandpara, Gabtoli

Killed

1

Injured

0

Summary

বগুড়ার গাবতলীতে সালমারা বিলের চরে একটি সেচঘর থেকে আব্দুল লতিফ আকন্দ নামের এক বৃদ্ধ কৃষকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গত ২৮ মার্চ ২০২৬ তারিখ দিবাগত রাতে দুর্বৃত্তরা তাঁকে হত্যা করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

89% · severity 8

Parties involved

Unknown

Tags

Murder

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 28/03/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (3 sources)

Source 1: Ajker Patrika · 29/03/26open original ↗

বগুড়ায় শ্যালো মেশিনের ঘর থেকে কৃষকের লাশ উদ্ধার

বগুড়ার গাবতলীতে একটি শ্যালো মেশিনের ঘর থেকে এক বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ রোববার সকাল ৯টার দিকে উপজেলার মহিষাবান ইউনিয়নের নিশিন্দারা আকন্দপাড়া গ্রামের সালমারা বিলের চরে তাঁর লাশ পাওয়া যায়।নিহত ব্যক্তির নাম আব্দুল লতিফ আকন্দ (৬৫)। তিনি নিশিন্দারা পাঁচমাইল এলাকার মৃত মোবারক আকন্দের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আব্দুল লতিফ আকন্দ পেশায় কৃষক ছিলেন। তিনি সালমারা বিলের চরে নিজের শ্যালো মেশিনের ঘরে অবস্থান করে জমিতে সেচের কাজ করতেন। শনিবার রাতে সেচ দেওয়ার জন্য তিনি ওই ঘরেই ছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা তাঁকে হত্যা করে পালিয়ে যায়।রোববার সকালে স্থানীয় লোকজন তাঁর লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। নিহত ব্যক্তির ভাতিজা সোহেল বলেন, ‘সকাল ৮টার দিকে খবর পেয়ে এসে দেখি, চাচাকে কারা যেন হত্যা করে উলঙ্গ অবস্থায় ধানের খেতে ফেলে রেখেছে। সেচঘর ভেঙে গেছে। হয়তো রাতে ধস্তাধস্তি হয়েছে।’ গাবতলী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিব হাসান বলেন, নিহত ব্যক্তির শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। কে বা কারা এবং কী কারণে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তা উদ্‌ঘাটনে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে।

Source 2: Jugantor · 06/03/26open original ↗

লাঠির এক আঘাতে কৃষকের মৃত্যু

গ্রেফতার সুলতান মাহমুদ বগুড়ার ধুনটে প্রতিবেশী নাতির লাঠির আঘাতে সঞ্জব আলী শেখ (৬৫) নামে এক কৃষক নিহত হয়েছেন। নাতি সুলতান মাহমুদকে আটক করে পুলিশে দেওয়া হয়েছে। নিহতের ছেলে আবদুল মোমিন শুক্রবার সকালে ধুনট থানায় তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেছেন। পরিবারের সদস্যরা দাবি করেছেন, নাতি সুলতান মাহমুদ (৩৫) মানসিক ভারসাম্যহীন। নন্দীগ্রাম থানার ওসি আতিকুল ইসলাম জানান, দুপুরে ওই আসামিকে আদালতের মাধ্যমে বগুড়া জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। নিহত সঞ্জব আলী শেখ বগুড়ার ধুনট উপজেলার মথুরাপুর ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামের ইয়াজ উদ্দিনের ছেলে। আসামি প্রতিবেশী নাতি সুলতান মাহমুদ একই এলাকার হোসেন আলীর ছেলে। পুলিশ ও এলাকাবাসী জানান, সুলতান মাহমুদ দীর্ঘদিন ধরে মানসিক ভারসাম্যহীন জীবন-যাপন করছেন। অনেক চিকিৎসা করিয়েও তাকে সুস্থ করা সম্ভব হয়নি। মাঝে মাঝে অস্বাভাবিক আচরণ করলে তাকে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হতো। এ অবস্থায় বৃহস্পতিবার সকাল থেকে তার আচরণ অস্বাভাবিক হয়ে যায়। এ সময় সঞ্জব আলী কৃষিকাজের জন্য বাড়ি থেকে জমির দিকে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে সুলতান মাহমুদ উত্তেজিত হয়ে লাঠি দিয়ে সঞ্জব আলীর মাথায় আঘাত করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে তার মৃত্যু হয়। এদিকে প্রতিবেশী দাদাকে হত্যার অভিযোগে সুলতান মাহমুদকে আটক করে ধুনট থানায় সোপর্দ করা হয়। এছাড়া নিহতের ছেলে আবদুল মোমিন শুক্রবার সকালে থানায় তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। ধুনট থানার ওসি আতিকুল ইসলাম বলেন, পরিবারের সদস্যরা দাবি করছেন হামলাকারী সুলতান মাহমুদ মানসিক ভারসাম্যহীন। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। শুক্রবার দুপুরে একমাত্র আসামিকে আদালতের মাধ্যমে বগুড়া জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

Source 3: Prothom Alo · 29/03/26open original ↗

বগুড়ায় সেচপাম্পের পাশে ধানখেতে পড়ে ছিল কৃষকের রক্তাক্ত লাশ

লাশপ্রতীকী ছবি বগুড়ার গাবতলী উপজেলায় এক সেচপাম্পে পাহারায় থাকা আবদুল লতিফ (৭০) নামের একজন কৃষককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। গতকাল শনিবার রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা গাবতলী উপজেলার মহিষাবান ইউনিয়নের শালমারা মাঠে অগভীর নলকূপের পাহারায় থাকা আবদুল লতিফকে কুপিয়ে হত্যার পর লাশটি পাশের ধানখেতে ফেলে দেয়। আজ রোববার সকালে মাঠে কাজ করতে যাওয়া স্থানীয় কৃষকেরা ধানখেতে লাশ পড়ে থাকতে দেখে গাবতলী মডেল থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। আবদুল লতিফ গাবতলী উপজেলার মহিষাবান ইউনিয়নের নিশিন্দারা পশ্চিমপাড়া এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। স্থানীয় ও গাবতলী মডেল থানা পুলিশের সূত্রে জানা গেছে, গাবতলীর কৃষক আবদুল লতিফ তাঁর অগভীর নলকূপের সেচপাম্প পাহারা দিতে শনিবার রাতে বাড়ি থেকে বের হন। রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা তাঁকে কুপিয়ে হত্যা করে এবং লাশটি পাশের ধানখেতে ফেলে রেখে যায়। গাবতলী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাকিব হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, পূর্বশত্রুতার জের ধরে সেচপাম্প পাহারা দিতে যাওয়া কৃষক আবদুল লতিফকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে রক্তাক্ত জখম পাওয়া গেছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে। লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন বগুড়াগাবতলীকৃষকরাজশাহী বিভাগহত্যা