চুয়াডাঙ্গায় বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে কিশোর নিহত, রক্তাক্ত জখম দেখে অসুস্থ হয়ে দাদার মৃত্যু

AI-classifiedconfidence 76%

Why this classification

This incident was classified as political violence in Chuadanga. Parties reported: BNP. Reported casualties: 1 killed and 2 injured. Reported by 1 source.

Reported by:Prothom AloJugantorCorroborated · 2 sources
21/03/26•Chhatrapara, Dauki Union, Alamdanga

Killed

1

Injured

2

Summary

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় আধিপত্য বিস্তার ও খাসজমির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে শিমুল কাজী (১৭) নামের এক কিশোর নিহত ও দুইজন আহত হয়েছেন। ২১ মার্চ ২০২৬ তারিখে ডাউকি ইউনিয়নের ছত্রপাড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

76% · severity 8

Parties involved

BNP

Tags

Party ClashLand DisputeMurder

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 2

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 21/03/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Jugantor · 22/03/26open original ↗

ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, নাতি নিহতের খবর শুনে দাদার মৃত্যু

ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, নাতি নিহতের খবর শুনে দাদার মৃত্যু Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন প্রকাশ: ২২ মার্চ ২০২৬, ১২:২৪ পিএম চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় ফেসবুক স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ। ছবি: সংগৃহীত চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় ফেসবুক স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের দফায় দফায় সংঘর্ষে শিমুল হোসেন কাজি (২০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এদিকে নাতির মৃত্যুর খবর শুনে দাদা হার্ট অ্যাটাক করে মারা গেছেন বলে দাবি পরিবারের। এ ঘটনায় নারীসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।  শনিবার (২১ মার্চ) দুপুরে উপজেলার ডাউকি ইউনিয়নের ছত্রপাড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। নিহত শিমুল হোসেন কাজি ওই গ্রামের লাবু হোসেনের ছেলে। অপরদিকে মারা যাওয়া নাজিম উদ্দিন কাজি (৭০) একই গ্রামের মৃত ইংরেজ আলী কাজির ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, একই গ্রামের সেকেন্দার আলীর ছেলে হৃদয় হোসেন ঢাকায় অবস্থানকালে কয়েক দিন আগে ফেসবুকে একটি রাজনৈতিক স্ট্যাটাস দেন। এ নিয়ে স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে তার বিরোধ তৈরি হয়। ঈদের দুই দিন আগে তিনি বাড়িতে ফিরলে উত্তেজনা বাড়তে থাকে।      ঈদের দিন শনিবার দুপুরে হৃদয় হোসেনের সঙ্গে সাহাবুল ইসলামের ছেলে আব্দুল্লাহর কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে হৃদয় ও তার চাচা বজলু আহত হন। পরে পাল্টা হামলায় আব্দুল্লাহর মা আলিয়া বেগম, তরিকুল ইসলাম ও শরিফুল ইসলামসহ আরও কয়েকজন আহত হন। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এবং বাড়িঘর ও দোকানপাট ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে পূর্ব শত্রুতার জেরে দুই পক্ষ হান্নান-কুবির গ্রুপ ও লাল খাঁ-জাহাঙ্গীর গ্রুপে ছড়িয়ে পড়ে। এতে কুবির কাজি ও শিমুল কাজি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যায় শিমুলের মৃত্যু হয়। এদিকে সংঘর্ষের খবর পেয়ে নাজিম উদ্দিন কাজি বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় পড়ে গিয়ে স্ট্রোক করেন। পরে তার মৃত্যু হয় বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন। আলমডাঙ্গা থানার ওসি বানী ইসরাইল জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। জড়িতদের চিহ্নিত করে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

Source 2: Prothom Alo · 22/03/26open original ↗

চুয়াডাঙ্গায় বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে কিশোর নিহত, রক্তাক্ত জখম দেখে অসুস্থ হয়ে দাদার মৃত্যু

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় সংঘর্ষে নিহত কিশোরের বাড়িতে লোকজনের ভিড়। গতকাল শনিবার উপজেলার ছত্রপাড়া গ্রামেছবি : ভিডিও থেকে নেওয়া চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় বিএনপির দুই পক্ষের হামলা ও সংঘর্ষে একজন নিহত ও দুজন আহত হয়েছেন। এ ছাড়া রক্তাক্ত জখম দেখে নিহতের দাদা অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন। গতকাল শনিবার দুপুরে উপজেলার ডাউকি ইউনিয়নের ছত্রপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল দুপুরে ছত্রপাড়া গ্রামে ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হান্নান ও ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি লাল খানের অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে আব্দুল হান্নান পক্ষের কুবীর কাজী (৫০) ও শিমুল কাজী (১৭) এবং প্রতিপক্ষের নেতা লাল খান (৪৫) আহত হন। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে কুবীর ও শিমুলের হাত-পা, মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন অংশ এবং লাল খান রক্তাক্ত জখম হয়। এদিকে রক্তাক্ত কুবীর কাজী ও শিমুল কাজীকে দেখে নাজিম উদ্দিন কাজী (৭৫) দুপুরেই ঘটনাস্থলে অসুস্থ হয়ে মারা যান। কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যার দিকে শিমুল কাজী মারা যান। মৃত নাজিম উদ্দিন হামলায় নিহত শিমুল কাজীর দাদা এবং আহত কুবীর কাজীর ভাতিজা। এ সম্পর্কে চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘শনিবার ঈদের দিন দুপুরের দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত কুবির কাজী ও শিমুল কাজীকে প্রথমে আলমডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে দুজনকেই সেখান থেকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যায় শিমুল কাজী মারা যান। সংকটাপন্ন অবস্থায় কুবির কাজীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাতেই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। আহত লাল খান কোথায় চিকিৎসা নিচ্ছেন, তা জানা যায়নি।’ স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, আলমডাঙ্গা উপজেলার ডাউকি ইউনিয়নের ছত্রপাড়া গ্রামে বিপুল পরিমাণ খাসজমি আছে। যখন যে দল ক্ষমতায় থাকে, সেই দলের স্থানীয় নেতারা এসব জমির নিয়ন্ত্রণসহ এলাকায় নানাভাবে আধিপত্য বিস্তার করে থাকেন। খাসজমির নিয়ন্ত্রণসহ এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বেশ কিছুদিন ধরে ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ আব্দুল হান্নান ও ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. লাল খানের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। ডাউকি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দার হোসেন দলের অভ্যন্তরীণ বিরোধের কথা স্বীকার করে বলেন, চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে জামায়াতদলীয় সংসদ সদস্য মাসুদ পারভেজের (রাসেল) বাড়ি ছত্রপাড়া গ্রামে। শনিবার দুপুরে তাঁর বাড়িতে অনুষ্ঠান ছিল। গ্রামের অনেকেই বিষয়টি নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন। আব্দার হোসেন জানান, গতকাল বিএনপির অনুসারীদের মধ্যে কারা জামায়াতের প্রার্থীর পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন, তা নিয়ে আব্দুল হান্নান ও লাল খানের অনুসারীদের মধ্যে বিতর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে প্রতিপক্ষের লোকজন লাল খানের ভাতিজা তরিকুলকে মারধর করেন। প্রতিশোধ নিতে লাল খানের লোকজন হামলাকারীদের খুঁজতে থাকেন। গতকাল দুপুরে দুই পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। সংসদ সদস্য মাসুদ পারভেজ প্রথম আলোকে বলেন, ‘আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ববিরোধের জেরে ছত্রপাড়া গ্রামে সংঘর্ষ হয়েছে। পুলিশকে বলেছি, গ্রামের বাড়ি বাড়ি তল্লাশি চালাতে। যাদের বাড়িতে অবৈধ এসব অস্ত্র পাওয়া যাবে, তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে।’ প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন হাসপাতালখুলনা বিভাগচুয়াডাঙ্গাবিএনপিসংঘর্ষ