ভৈরবে ৪ দিন নিখোঁজ থাকার পর ব্যাংক কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার

AI-classifiedconfidence 69%

Why this classification

The incident is classified as criminal violence because the body of bank official Alamgir Hossain was recovered in the BSCIC Industrial Area, Kalikaprasad, Nilphamari, after he had been missing for four days. One person was killed, but the perpetrator and the motive for the death are not known. No political parties or actors were identified in the report. This classification is based on one reporting source.

Reported by:Prothom AloSingle source
04/03/26•BSCIC Industrial Area, Kalikaprasad

Killed

1

Injured

0

Summary

ভৈরবে নিখোঁজের চার দিন পর জনতা ব্যাংক কর্মকর্তা আলমগীর হোসেনের মরদেহ বিসিক শিল্পনগরী এলাকা থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। ২০২৬ সালের ৪ মার্চ সন্ধ্যায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয় এবং মৃত্যুর কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

69% · severity 7

Tags

Murder

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 04/03/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Prothom Alo · 05/03/26open original ↗

ভৈরবে নিখোঁজের চার দিন পর পাওয়া গেল ব্যাংক কর্মকর্তার মরদেহ

জনতা ব্যাংক ভৈরব শাখার কর্মকর্তা আলমগীর হোসেনছবি: সংগৃহীত কিশোরগঞ্জের ভৈরবে অফিসে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজের চার দিন পর জনতা ব্যাংকের এক কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলার কালিকাপ্রসাদ এলাকায় অবস্থিত বিসিক শিল্পনগরীর পাশ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। ওই ব্যক্তির নাম মো. আলমগীর হোসেন। তিনি জনতা ব্যাংকের ভৈরব শাখায় কর্মরত ছিলেন। পুলিশ ও পরিবার সূত্র জানায়, আলমগীর হোসেনের বাড়ি হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার নুরপুর লম্বাহাটি গ্রামে। পরিবার নিয়ে তিনি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় থাকতেন। গত রোববার সকাল সাড়ে আটটার দিকে আলমগীর হোসেন অফিসে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন। পরে অফিস থেকে জানানো হয়, তিনি সেদিন অফিসে যাননি। তাঁর মুঠোফোনও বন্ধ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় ওই দিনই আলমগীরের স্ত্রী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পুলিশ ও পরিবারের সদস্যরা চেষ্টা করেও তাঁর কোনো সন্ধান পাচ্ছিলেন না। পরে গতকাল সন্ধ্যা সাতটার দিকে বিসিক শিল্পনগরী এলাকার পাশে আলমগীরের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় লোকজন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে মরদেহ শনাক্ত করে উদ্ধার করে। আরও পড়ুন ভৈরবে অফিসে যাওয়ার কথা বলে চার দিন ধরে নিখোঁজ ব্যাংক কর্মকর্তা ২১ ঘণ্টা আগে আলমগীরের স্ত্রী তাছলিমা আক্তার বলেন, ‘আমার সঙ্গে আমার স্বামীর দাম্পত্য সম্পর্ক ভালো যাচ্ছিল না। কিছুদিন আগে তিনি আমাকে বলেছিলেন, লাপাত্তা হয়ে যাবেন। তবে কীভাবে মৃত্যু হয়েছে, এই মুহূর্তে ধারণা করতে পারছি না।’ ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আতাউর রহমান আকদ বলেন, মরদেহের পাশে একটি বোতল পাওয়া যায়। ধারণা করা হচ্ছে, বোতলটি বিষের ছিল। এক পায়ে সামান্য আঘাতের চিহ্ন আছে। কয়েক দিন আগে মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন পুলিশকিশোরগঞ্জভৈরবমরদেহ উদ্ধারঢাকা বিভাগ