মেয়রের প্রশ্নের মুখে সিটিএসবিতে বদলি, খুলনায় পাঠানো হলো ওসি আবদুর রহিমকে
Why this classification
প্রবন্ধে ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ খুলশীর ওয়্যারলেস কলোনিতে ১৬ বছর বয়সী মোহাম্মদ হৃদয়ের হত্যার স্পষ্ট বর্ণনা আছে, যা একটি বাস্তব হিংসাত্মক ঘটনা এবং ১৪ দিনের সময়সীমার মধ্যে। কোনো রাজনৈতিক বা ধর্মীয় দল জড়িত না থাকায় এটি অপরাধমূলক হিংসা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
Killed
1
Injured
0
Summary
খুলশীর ওয়্যারলেস কলোনিতে ২৯ সেপ্টেম্বর ১৬ বছর বয়সী মোহাম্মদ হৃদয় গ্যাং বিরোধে নিহত হয়। স্থানীয়দের মতে সেভেন স্টার ও ফাইভ স্টার গ্যাংয়ের সংঘর্ষই এই হত্যার কারণ।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
92% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 29/09/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
মেয়রের প্রশ্নের মুখে সিটিএসবিতে বদলি, খুলনায় পাঠানো হলো ওসি আবদুর রহিমকে
চট্টগ্রাম নগরীর খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবদুর রহিমকে নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই তাকে দ্বিতীয় দফায় বদলি করা হয়েছে। এবার চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ (সিএমপি) থেকে তাকে খুলনা পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে সিটি করপোরেশনের মেয়র শাহাদাত হোসেনের প্রকাশ্য অভিযোগের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তাকে খুলশী থানা থেকে সরিয়ে নগর বিশেষ শাখায় (সিটিএসবি) বদলি করা হয়েছিল। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) পুলিশ সদর দপ্তরের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে আবদুর রহিমকে খুলনা পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। প্রজ্ঞাপনে এ সিদ্ধান্তের কারণ হিসেবে ‘জনস্বার্থে’ কথাটি উল্লেখ করা হয়েছে। শনিবার (১০ অক্টোবর) বিকেলে দ্বিতীয় দফায় বদলির বিষয়টি জানাজানি হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ১০ অক্টোবরের মধ্যে তাকে বর্তমান কর্মস্থল থেকে ছাড়পত্র নিয়ে নতুন কর্মস্থলে যোগ দিতে হবে। তা না হলে ১১ অক্টোবর থেকে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে অবমুক্ত বলে গণ্য করা হবে। এর আগে, মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রাতে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) নগর ভবনে পুলিশি অভিযানকে কেন্দ্র করে মেয়র ও পুলিশ কর্মকর্তাদের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হয়। পরদিন বুধবার (৭ অক্টোবর) নগরীর রুপসা ঈদগাঁ এলাকায় মশক নিধন কর্মসূচি শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ওসি আবদুর রহিমের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন মেয়র শাহাদাত হোসেন। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাকে খুলশী থানা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। মেয়রের অভিযোগ, আবদুর রহিম আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বাকলিয়া থানার ওসি ছিলেন। খুলশী থানার দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেননি। অন্যদিকে, ছাত্রদল ও যুবদলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে তৎপর ছিলেন বলে অভিযোগ করেন মেয়র। তবে ওসি আবদুর রহিমের দাবি, তিনি দায়িত্ব পালনকালে অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিয়েছেন। মেয়রের অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, নগর ভবনে পুলিশের অভিযানের সময় তিনি ছুটিতে ছিলেন। ফলে ওই অভিযানের বিষয়ে তিনি অবগত ছিলেন না। দ্বিতীয় দফায় বদলির পর ওসি আব্দুর রহিম ঢাকা পোস্টকে বলেন, ‘বদলি প্রশাসনিক ও সরকারি বিষয়। জনস্বার্থে আমাকে যেখানে দায়িত্ব দেওয়া হবে, সেখানেই কাজ করে যাব। সামনের সারিতে থেকে কাজ করলে আলোচনা ও সমালোচনা দুটোই হয়। অল্প সময়ের মধ্যে এলাকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সাধারণ মানুষের যে সহযোগিতা ও আমি যে সমর্থন পেয়েছি, তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি এবং ভবিষ্যতে নিরপেক্ষভাবে নিজের দায়িত্ব পালনের অঙ্গীকার করছি।’ চাপের মুখে বদলি হয়েছেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি সরকারি চাকরি করি। কর্তৃপক্ষ যখন যেখানে দায়িত্ব পালন করতে দেবেন, সেখানে করব।’ নগর ভবনে অভিযান ঘিরে বিতর্কের শুরু গত মঙ্গলবার রাত নয়টার দিকে ওয়াকিল হোসেন ওরফে বগা চট্টগ্রাম নগরের টাইগারপাসে সিটি করপোরেশনের নগর ভবনে অবস্থান করছেন, এমন তথ্য পেয়ে সেখানে যায় খুলশী থানার পুলিশ। ওয়াকিলকে গ্রেপ্তার করতেই পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়। পুলিশ নগর ভবনে প্রবেশের চেষ্টা করলে মেয়র শাহাদাত হোসেনের সঙ্গে অভিযানে যাওয়া কর্মকর্তাদের বাগ্বিতণ্ডা হয়। প্রায় তিন ঘণ্টা সেখানে অবস্থান করেও ওয়াকিলকে পাওয়া যায়নি। পরে পুলিশ অভিযান শেষ করে ফিরে যায়। ওয়াকিল মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক। অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, হত্যা, অস্ত্র, মাদক, চাঁদাবাজি ও দখলসহ বিভিন্ন অভিযোগে তার বিরুদ্ধে অন্তত ২৩টি মামলা রয়েছে। নগর ভবনে অভিযান চালানোর পরদিন মেয়র শাহাদাত হোসেন ওসি আবদুর রহিমের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে অভিযোগ তোলেন। মেয়রের বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ওসিকে সিটিএসবিতে বদলি করা হয়। তখন সিএমপি কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী বদলিটিকে নিয়মিত বদলি বলে উল্লেখ করেছিলেন। তবে পরদিনই পুলিশ সদর দপ্তরের নতুন প্রজ্ঞাপনে আবদুর রহিমকে চট্টগ্রাম থেকে খুলনায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত আসায় বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। মেয়রের প্রশ্ন, ‘তিনি কীভাবে খুলশী থানার ওসি হলেন?’ নগরীর ঈদগাঁহ এলাকার রূপসা বেকারিতে পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিয়ন্ত্রণের কর্মসূচি শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মেয়র শাহাদাত হোসেন। এ সময় তিনি ওসি আবদুর রহিমের অতীত কর্মস্থল ও দায়িত্ব পালন নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। মেয়র বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে আবদুর রহিম বাকলিয়া থানার ওসি ছিলেন। সেই সময় তার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। এরপরও তিনি কীভাবে খুলশী থানার মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকার ওসি হলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন মেয়র। শাহাদাত হোসেনের অভিযোগ, খুলশী থানার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে আবদুর রহিম আওয়ামী লীগ বা যুবলীগের কাউকে গ্রেপ্তার করেননি। বরং ছাত্রদল ও যুবদলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে তিনি বেশি তৎপর ছিলেন। মেয়র বক্তব্যে ওয়াকিলকে সন্ত্রাসী হিসেবে বিবেচনা করার বিষয়ে তার আপত্তি জানান। তার দাবি, ওয়াকিল গত ১৭ থেকে ১৮ বছর বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে অংশ নিয়েছেন। জুলাই-আগস্টের আন্দোলনেও তার ভূমিকা ছিল। এ ছাড়া বাকলিয়া থানায় দায়িত্ব পালনের সময় আবদুর রহিমের বিরুদ্ধে একটি মেজবান থেকে রান্না করা খাবারের ডেকসি নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও তোলেন মেয়র। মেয়রের বক্তব্যের পরপরই ওসিকে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনায় বদলির সিদ্ধান্তের পেছনে অভিযোগের প্রভাব ছিল কি না, সেই প্রশ্ন উঠেছে। হৃদয় হত্যা মামলা ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরোধ খুলশীর ওয়্যারলেস কলোনিতে গত ২৯ সেপ্টেম্বর ১৬ বছর বয়সী মোহাম্মদ হৃদয় হত্যার ঘটনাও এই বিতর্কের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। স্থানীয় লোকজনের ভাষ্য অনুযায়ী, কিশোর গ্যাংয়ের দুটি পক্ষ, সেভেন স্টার ও ফাইভ স্টারের বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। স্থানীয়দের দাবি, ওয়াকিলের অনুসারীরা সেভেন স্টার এবং খুলশী থানা যুবদলের আহ্বায়ক হেলাল হোসেনের অনুসারীরা ফাইভ স্টারের সঙ্গে যুক্ত। তবে এসব গোষ্ঠীগত সম্পর্কের বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। হৃদয় হত্যা মামলায় ওয়াকিলকেও আসামি করা হয়েছে। এ মামলা নিয়ে মেয়র অভিযোগ করেন, মামলার আসামি কামরুলকে মারধর করে ওয়াকিল ও তার ভাইয়ের নাম বলানো হয়েছে। ওয়াকিলের দুই ভাই এ বিষয়ে তার কাছে অভিযোগ নিয়ে এসেছিলেন বলে জানান তিনি। ওয়াকিলকে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মেয়র। তার ভাষ্য, ওয়াকিল তার কাছে আসেননি, তার দুই ভাই অভিযোগ নিয়ে এসেছিলেন। কেউ মামলার আসামি বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত হলে তাকে গ্রেপ্তার করা পুলিশের দায়িত্ব বলেও মন্তব্য করেন তিনি। মেয়রের গাড়িতে করে ওয়াকিল নগর ভবন থেকে বের হয়েছেন—এমন প্রচারও অস্বীকার করেন শাহাদাত হোসেন। তার দাবি, কেউ এ বিষয়ে প্রমাণ দিতে পারলে তিনি রাজনীতি ছেড়ে দেবেন। সামনে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে এসব প্রচার চালানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। ওয়াকিলকে গ্রেপ্তার ঘিরে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ পুলিশসূত্রে জানা গেছে, গত ২৯ আগস্ট পাহাড়তলী কলেজের অস্থায়ী শিক্ষক মিজানুর রহমানকে তুলে নিয়ে মারধরের অভিযোগে খুলশী থানায় মামলা হয়। ওই মামলায় ওয়াকিলকে আসামি করা হয়েছিল। মামলা নেওয়ার কারণে ওসি আবদুর রহিমকে ‘আওয়ামী লীগ’ আখ্যা দিয়ে মারধরের হুমকি দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ করে থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন তিনি। এরপর ৪ সেপ্টেম্বর সকালে ওয়াকিলকে গ্রেপ্তার করতে গেলে তার অনুসারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। এতে ওসি আবদুর রহিমসহ ছয় পুলিশ সদস্য আহত হন এবং পুলিশের একটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ ঘটনায় ওয়াকিলকে প্রধান আসামি করে ১৪ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও ১৫০ থেকে ২০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে পুলিশ। তবে ওই অভিযানের পর পুলিশের বিরুদ্ধে আদালতে পাল্টা মামলা করেন ওয়াকিলের বাবা। তার অভিযোগ, ৪ সেপ্টেম্বর ভোরে পুলিশ তাদের বাড়িতে ঢুকে ভাঙচুর, লুটপাট ও পরিবারের সদস্যদের মারধর করে। এতে প্রায় ১৭ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়। মামলাটি তদন্ত করছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। ওসি আবদুর রহিমের দাবি, হৃদয় হত্যার পর কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে অন্তত আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। বদলি নিয়ে পুলিশের ভেতরে প্রশ্ন নগর ভবনে অভিযানের পর মেয়রের অভিযোগের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ওসি আবদুর রহিমকে খুলশী থানা থেকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে পুলিশ কর্মকর্তাদের একাংশের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল সূত্রে জানা গেছে। সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তার মতে, কোনো রাজনৈতিক নেতা অভিযোগ করলেই একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হলে মাঠপর্যায়ে আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি হতে পারে। তাদের মতে, কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) চট্টগ্রাম নগরীর সভাপতি আখতার কবির চৌধুরীও মেয়রের ভূমিকার সমালোচনা করেছেন। তার মতে, কারও বিরুদ্ধে অপরাধের অভিযোগ থাকলে তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশকে সহযোগিতা করা জনপ্রতিনিধির দায়িত্ব। ওসির বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা পুলিশ কমিশনারকে জানানো যেত। তদন্তে দোষ প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব ছিল। এদিকে, প্রথম দফায় বদলির পর সিএমপি কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী জানিয়েছিলেন, আবদুর রহিমের বদলি নিয়মিত প্রক্রিয়ার অংশ। একই সঙ্গে কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে পুলিশের ‘জিরো টলারেন্স’ অবস্থানের কথাও জানিয়েছিলেন তিনি। তবে পুলিশ সদর দপ্তরের ৮ অক্টোবরের নতুন প্রজ্ঞাপনে আবদুর রহিমকে খুলনায় বদলি করার পর ঘটনাটি নতুন মাত্রা পেয়েছে। প্রজ্ঞাপনে জনস্বার্থে বদলির কথা বলা হলেও এর পেছনে নির্দিষ্ট প্রশাসনিক কারণ উল্লেখ করা হয়নি। এমআর/আরএফ
