তিন জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি
Why this classification
This incident is classified as a violent abduction because armed members of the Arakan Army forcefully detained three Bangladeshi fishermen and seized their trawler from the Naaf River.
Killed
0
Injured
0
Summary
টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপের নাফ নদী থেকে মাছ ধরার সময় ট্রলারসহ তিন জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মি। একদিন পেরিয়ে গেলেও তাদের ফেরত দেওয়া হয়নি।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
95% · severity 4
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Arakan Army
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 08/08/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (3 sources)
ট্রলারসহ পাঁচ জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি
ট্রলারসহ পাঁচ জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি ফাইল ছবি টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬ | ১৪:৪৭ কক্সবাজারের টেকনাফ উপকূল থেকে সাগরে মাছ ধরতে যাওয়া একটি ট্রলারসহ পাঁচ জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মি। সোমবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ পৌরসভার কায়ুকখালী ঘাট বোট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, অপহৃত পাঁচ মাঝিমাল্লাই উখিয়া-টেকনাফের রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরের বাসিন্দা। অপহৃতরা হলেন— মাঝি সালাম নুর (৩১), মো. আইয়ুব (৩৭), মো. আজিজুল্লাহ (৩০), সৈয়দ হোসেন (২৫) এবং মো. আইয়ুব (২৪)। বোট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম বলেন, সাগরে মাছ ধরতে যাওয়া একটি ট্রলারসহ পাঁচ মাঝিমাল্লাকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। এ ঘটনায় উপকূলের জেলেপল্লিতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় জেলেদের ভাষ্য, রোববার সকালে টেকনাফের কায়ুকখালী ঘাট থেকে সাবরাং ইউনিয়নের আলীর ডেইল গ্রামের বাসিন্দা আলী আহমদের মালিকানাধীন একটি ট্রলার মাছ ধরতে সাগরে যায়। পরে ছেড়া দ্বীপসংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে আরাকান আর্মির সদস্যরা ট্রলারটিকে ধাওয়া করে আটক করে এবং ট্রলারসহ পাঁচ জেলেকে নিয়ে যায়। এ সময় আশপাশে থাকা আরও কয়েকটি মাছ ধরার ট্রলার দ্রুত এলাকা ছেড়ে নিরাপদে সরে যেতে সক্ষম হয়। টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম অনীক চৌধুরী বলেন, সাগরে মাছ ধরতে যাওয়া একটি ট্রলারসহ পাঁচ মাঝিমাল্লাকে ধরে নিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, তারা সবাই রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরের বাসিন্দা। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হয়েছে। - বিষয় : - আরাকান আর্মি - জেলে
নাফ নদী থেকে আবারও ৭ জেলেকে ধরে নিয়ে গেল আরাকান আর্মি
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার সাবরাং নয়াপাড়া ও শাহপরীর দ্বীপ সংলগ্ন নাফ নদী থেকে আবারও ৭ জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মি। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দুপুরে নাফ নদীর মোহনায় মাছ ধরে ফেরার পথে দুটি ডিঙি নৌকাসহ তাদের ধরে নিয়ে যাওয়া হয়। অপহৃত জেলেরা হলেন- সাবরাং নয়াপাড়ার আব্দুর রহমান, আবদুল মতলব, গুরা মিয়া, মো. হাসান এবং শাহপরীর দ্বীপ ডেইলপাড়ার আহমদ আলী, নুরুল আবছার ও আবদুর রহিম। সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আবুল ফয়েজ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সকালে নাফ নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে ফেরার পথে তাদের আটক করে নিয়ে যান আরাকান আর্মির সদস্যরা। টেকনাফ-২ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হানিফুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, জেলেদের ধরে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি শুনেছি। এ বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্ট বিওপি কমান্ডারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিজিবির তথ্য বলছে, গত দুই বছরে কমপক্ষে সাড়ে চার শতাধিক জেলেকে নাফ নদী থেকে ধরে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি। যাদের মধ্যে ২৩০ জনকে ফেরত আনা সম্ভব হলেও বাকিরা এখনো তাদের হাতে বন্দি। ইফতিয়াজ নুর নিশান/আরএআর
তিন জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি
নাফ নদীতে বয়া স্থাপনের দাবি তিন জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি Advertisement টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১০ আগস্ট ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ বঙ্গোপসাগরসংলগ্ন এলাকা থেকে তিন জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে মিয়ানমারের বিদ্রোহী সশস্ত্রগোষ্ঠী আরাকান আর্মি। শনিবার দুপুরে টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপের নাফ নদীতে এ ঘটনা ঘটে। একদিন পেরিয়ে গেলেও তাদের ফেরত দেওয়া হয়নি। অপহৃত জেলেরা হলেন-টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নের শাহপরীর দ্বীপ জালিয়াপাড়া এলাকার লেড়ু মিয়ার ছেলে জসিম উদ্দিন, মমতাজ মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ ইসমাইল ও আইয়ুবের ছেলে হারুন। শাহপরীর দ্বীপ জালিয়াপাড়া নৌঘাট কমিটির সভাপতি আব্দুল গণি জানান, নাফ নদীর মোহনায় জেলেরা মাছ ধরছিলেন। এমন সময় আরাকান আর্মির সদস্যরা স্পিডবোটে এসে ট্রলারসহ তিন জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে। নাফ নদী ও বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ায় নাফ নদীর জলসীমায় বয়া বা জলসীমানা চিহ্ন বসানোর দাবি জানান তিনি। টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এসএম অনীক চৌধুরী বলেন, তিন জেলেকে ধরে নিয়ে যাওয়ার খবর পেয়েছি।
