গভর্নিং বডির সভাপতি ও বিদ্যোৎসাহী সদস্যকে অপসারণ

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

The article reports a recent physical assault by Advocate Azam Khan on Acting Principal Sheikh Sadi and subsequent removal of officials; it is a concrete violent act, not a political party clash, so it is classified as criminal violence, not political violence.

Reported by:JugantorSingle source
20/07/26•Chowdhurihat College

Killed

0

Injured

1

Summary

কোম্পানীগঞ্জের চৌধুরীহাট কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি ও সদস্যকে শারীরিক আঘাতের অভিযোগে অপসারণ করা হয়েছে; পূর্বে সভাপতি আজম খান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে অভিযুক্ত ছিলেন।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

85% · severity 4

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

Advocate Azam KhanActing Principal Sheikh SadiNazim Uddin AhmedImam HossainASM Kamal Uddin

Tags

AttackBackdated

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 20/07/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 24/07/26open original ↗

গভর্নিং বডির সভাপতি ও বিদ্যোৎসাহী সদস্যকে অপসারণ

কোম্পানীগঞ্জ চৌধুরীহাট কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতি ও বিদ্যোৎসাহী সদস্যকে অপসারণ Advertisement কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৪ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ অধ্যক্ষ লাঞ্ছনা, অনিয়মের অভিযোগে কোম্পানীগঞ্জের চৌধুরীহাট কলেজের গভর্নিংবডির সভাপতি অ্যাডভোকেট আজম খান ও বিদ্যোৎসাহী সদস্য ইমাম হোসেনকে অপসারণ করা হয়েছে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ পরিদর্শক (ভারপ্রাপ্ত) নাজিম উদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত ২০ জুলাই তারিখের চিঠিতে তা নিশ্চিত করা হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে পরিবর্তিত পদস্থলে মো. নাজিম উদ্দিনকে চৌধুরীহাট কলেজ গভর্নিংবডির সভাপতি এবং এএসএম কামাল উদ্দিনকে বিদ্যোৎসাহী সদস্য হিসাবে মনোনয়ন দেওয়া হয়। এর আগে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রজ্ঞাপন ও বিধি লংঘন করে স্বৈরাচারী কায়দায় ক্ষমতার অপব্যবহার করে সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট আজম খান কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শেখ সাদীকে শারীরিক আঘাত, লাঞ্ছিত ও শক্তি প্রযোগ করে নিজ ক্ষমতা বলে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন। গভর্নিংবডির সিদ্ধান্তের রেজুলেশন খাতায় লিপিবদ্ধ বিষয় নিজ হস্তে কেটে ও বাতিল লিখে সবার মধ্যে ফ্যাসিবাদী আচরণের মাধ্যমে ভয়ের আবহ তৈরি করেন। যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে কলেজের সব শিক্ষার্থী, শিক্ষকমণ্ডলী, গভর্নিংবডির অন্যান্য সব সদস্য ও এলাকাবাসীর মধ্যে উত্তেজনা, মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি এবং দাঙ্গা হাঙ্গামা বাধার অবস্থা তৈরি হয়। এ বিষয়ে জানতে চাইলে কলেজ গভর্নিংবডির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট মো: আজম খান বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনীত সব অভিযোগ সর্বৈব মিথ্যা, দুর্নীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে গিয়ে একটি প্রেসার গ্রুপ আমাদের এমপি ফখরুল ইসলামকে ভুল তথ্য দিয়ে তাকে মিস গাইডেড করেছে। এ মহলটিই কলেজ ফান্ডে ৫০ হাজার টাকা জমা না নিয়ে কথিত ইঞ্জিনিয়ার আবুল কালামকে হিতৈষী সদস্য, কলেজ অধ্যক্ষ শেখ শাদীর নানা অনিয়ম-দুর্নীতি প্রশ্রয়, অপর শিক্ষক সাইফুল্লাহ সোহাগের ক্লাস ফাঁকিসহ নানা অনিয়মের সহায়ক শক্তি হিসাবে কাজ করেছে।