চাঁদা না পেয়ে আ.লীগ নেতার ওপর হামলা
Why this classification
A Jubo Dal activist and his armed followers physically beat Awami League leader Omar Faruk in Khajanagar, Kushtia, after he reported their extortion demands to a BNP leader. The incident is a concrete physical attack that occurred yesterday, so it qualifies as violence, and the article reports a new violent act rather than only reactions to one.
Killed
0
Injured
1
Summary
কুষ্টিয়া সদর উপজেলার খাজানগরে ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (সোমবার) বিকেলে চাঁদা না পেয়ে আওয়ামী লীগ নেতা ওমর ফারুকের ওপর যুবদল কর্মী হানিফ কবিরাজ তাঁর ক্যাডারদের নিয়ে হামলা চালান বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে এলাকাবাসী সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন, এবং পরে হানিফকে যুবদল থেকে বহিষ্কার করা হয়।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
85% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Awami League
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 16/02/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
চাঁদা না পেয়ে আ.লীগ নেতার ওপর হামলা
চাঁদা না পেয়ে আ.লীগ নেতার ওপর হামলা যুবদল কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ, প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ কুষ্টিয়ার খাজানগর এলাকায় সোমবার বিকেলে এলাকাবাসীর সড়ক অবরোধ সমকাল কুষ্টিয়া প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ০৮:৩১ | প্রিন্ট সংস্করণ কুষ্টিয়ায় চাঁদা না পেয়ে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতার ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে এক যুবদল কর্মীর বিরুদ্ধে। হামলার প্রতিবাদে এলাকাবাসী সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ-সমাবেশ করেছেন। সংবাদ পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। গতকাল সোমবার বিকেলে সদর উপজেলার খাজানগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী ওমর ফারুক ফ্রেশ অটো রাইস মিলের মালিক। তিনি কুষ্টিয়া সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ। ওমর ফারুকের ভাষ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর সদর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আব্দুল মাজেদ ও তাঁর অনুসারী হানিফ কবিরাজ ওরফে হানিফ ব্যাপারী কয়েক দফায় তাঁর কাছ থেকে ১৯ লাখ টাকা চাঁদা নিয়েছেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে হানিফ নতুন করে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। বিষয়টি তিনি জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও বিএনপির সংসদ সদস্য প্রার্থী জাকির হোসেন সরকারকে জানান। এতে যুবদলের নেতাকর্মীরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। হানিফ কুষ্টিয়া সদর উপজেলার আইলচারা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড যুবদল কর্মী হিসেবে পরিচিত। ওমর ফারুক সোমবার বিকেলে নিজ প্রতিষ্ঠানের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় হানিফ তাঁর ক্যাডার বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে হামলা করেন। এ সময় হানিফ জানতে চান, কেন তিনি (ওমর ফারুক) চাঁদার বিষয়টি বিএনপি নেতা জাকির হোসেন সরকারকে জানিয়েছেন। প্রতিবাদ করলে তারা ওমর ফারুককে মারধর করেন। এদিকে ওমর ফারুকের ওপর হামলার সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেন। তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে আব্দুল মাজেদ ও হানিফ ব্যাপারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। তারা বলেন, ৫ আগস্টের পর মাজেদ খাজানগর এলাকার মিলমালিকদের হুমকি দিয়ে কোটি কোটি টাকা চাঁদা আদায় করেন। হানিফকে ব্যবহার করে তিনি এভাবে টাকা আদায় করেছেন। তাদের চাঁদাবাজির কারণে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ। কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন মাতুব্বর বলেন, বিক্ষোভের খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে যান। তারা পরিস্থিতি শান্ত করেন। অভিযোগ পেলেই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি। যুবদল থেকে বহিষ্কার এদিকে হামলা ও দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে মো. হানিফ কবিরাজকে সংগঠনের প্রাথমিক সদস্য পদসহ সব পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুর রাজ্জাক বাচ্চু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। যুবদলের কেন্দ্রীয় সহদপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়ার সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। - বিষয় : - হামলা
