বাগেরহাটে পরীক্ষা শেষে দুই এইচএসসি পরীক্ষার্থীর ওপর হামলা

AI-classifiedconfidence 93%

Why this classification

The article reports a recent physical assault (beatings) on two students by a student group, with clear political overtones linked to party affiliation, meeting the criteria for political violence.

Reported by:Dhaka PostJugantorCorroborated · 2 sources
15/07/26•Bagherhat Government Women's College

Killed

0

Injured

2

Summary

১৫ জুলাই বাগেরহাটের সরকারি মহিলা কলেজে দুই শিক্ষার্থীকে ছাত্রদল নেতা সামির ও তার সহচররা মারধর করে। পুলিশ হস্তক্ষেপ করে, ভুক্তভোগীরা রাজনৈতিক প্রো‑আওয়ামী লীগ পোস্টের কারণে আক্রমণ ঘটেছে বলে অভিযোগ করেন।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

93% · severity 4

Perpetrator side

Locals

Victim side

Awami League

Other actors

শাহরিয়ার খানরাফসান আমিনসামিরড. এজেডএম রুহুল কাদিরPolice officers

Tags

Party Clash

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 2

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Awami League

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 15/07/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Dhaka Post · 16/07/26open original ↗

বাগেরহাটে পরীক্ষা শেষে দুই এইচএসসি পরীক্ষার্থীর ওপর হামলা

বাগেরহাটে এইচএসসি পরীক্ষা শেষে দুই পরীক্ষার্থীর ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে সরকারি মহিলা কলেজের প্রধান ফটকের মধ্যে এবং ফটকের বাইরে দুই দফায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। সরকারি মহিলা কলেজে চলমান এইসএসসি পরীক্ষার দায়িত্বে থাকা দুই পুলিশ সদস্য ওই শিক্ষার্থীদের নিরাপদে নেওয়ার চেষ্টা করেন। পুলিশের সামনেই হামলাকারীরা ওই দুই শিক্ষার্থীকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এক পর্যায়ে পুলিশ তাদেরকে নিভৃত করতে সক্ষম হয়। হামলার শিকার দুই শিক্ষার্থী শাহরিয়ার খান ও রাফসান আমিন সরকারি পিসি কলেজের এইসএসসি বাণিজ্য বিভাগের শিক্ষার্থী। শাহরিয়ার খানের ফেসবুক আইডিতে আওয়ামী লীগের পুনর্বাসনের পক্ষে বিভিন্ন পোস্ট দেখা যায়। মারধরের শিকার শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, সরকারি পিসি কলেজ ছাত্রদল নেতা সামিরসহ কয়েকজন তাদের ওপর অতর্কিত হামলা করেন। ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে কথাকাটাকাটির জেরে এই হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি ভুক্তভোগীদের। এদিকে অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতা সামির বলেন, শাহরিয়ার খান নামের ওই শিক্ষার্থী দীর্ঘদিন ধরে শেখ হাসিনার পক্ষে এবং চলমান সরকারকে বিতর্কিত করে পোস্ট দেয়। এসব কারণেই তার সহপাঠিদের সঙ্গে এই ঘটনা ঘটেছে। এর সঙ্গে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা জড়িত নয়। বাগেরহাট সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ ড. এজেডএম রুহুল কাদির বলেন, হামলার বিষয়টি খুবই অন্যায় করেছে। আমরা এর ব্যবস্থা তাৎক্ষণিকভাবে নিয়েছি। ওই শিক্ষার্থীদের প্রিন্সিপালের কাছে আমি এডমিট কার্ড পাঠিয়েছি। তারপরে এরা কেন্দ্রের বাইরে যেয়ে আবারও সংঘর্ষে জড়িয়েছেন। আমরা এই বিষয়টি ডিসি ও এসপিকে অবহিত করব যাতে তারা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে। শেখ শামীম হাসান/আরকে

Source 2: Jugantor · 15/07/26open original ↗

ছাত্রলীগের হামলায় রণক্ষেত্র শিক্ষাঙ্গন

রক্তাক্ত জুলাই ছাত্রলীগের হামলায় রণক্ষেত্র শিক্ষাঙ্গন Advertisement সাংস্কৃতিক প্রতিবেদক প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর ২০২৪ সালের ১৫ জুলাই দফায় দফায় হামলা চালায় ছাত্রলীগ। এই হামলায় সারা দেশে চার শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হন। এর মধ্যে শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আহত হন ২৯৭ জন শিক্ষার্থী। যারা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য গিয়েছিলেন সেখানে গিয়েও তাদের ওপর হামলা চালায় ছাত্রলীগ। এদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস রণক্ষেত্রে রূপ নেয়। আগের দিন ১৪ জুলাই বিকালে এক সংবাদ সম্মেলনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের ‘রাজাকারের নাতিপুতি’ বলে কটূক্তি করায় আন্দোলনকারীদের মধ্যে ক্ষোভ বইছিল। এর মধ্যে ১৫ জুলাই ধানমন্ডিতে দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘তারা আত্মস্বীকৃত রাজাকার, গত রাতে নিজেদের ঔদ্ধত্যপূর্ণ মানসিকতার প্রকাশ ঘটিয়েছে। এর জবাব ছাত্রলীগই দেবে।’ সেদিন কোটা সংস্কার আন্দোলনে যারা নিজেদের ‘রাজাকার’ বলে স্লোগান দিয়েছে, তাদের শেষ দেখে ছাড়বেন বলে হুমকি দেন ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসেন। দফায় দফায় ঘোষণা দিয়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর সশস্ত্র হামলা চালান ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। ছাত্রলীগের হামলার বিষয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা জানান, ৫ শতাধিক শিক্ষার্থীর ওপর হামলা হয়েছে। আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা হামলা করেছেন। ককটেল নিক্ষেপ করেছেন। আমাদের ওপর এ হামলা পরিকল্পিত। ক্যাম্পাসের সহিংসতার ঘটনায় করণীয় ঠিক করতে এদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের সব হলের প্রাধ্যক্ষদের নিয়ে বৈঠক করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এএসএম মাকসুদ কামাল। বৈঠক শেষে উপাচার্য বলেন, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার জন্য আমাদের প্রাধ্যক্ষরা রাতভর হলে অবস্থান করবেন। ১৫ জুলাই রাত ১০টার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোন তল্লাশি ও মারধর করেন ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। স্যার এএফ রহমান হল, বিজয় একাত্তর হল, মাস্টারদা সূর্যসেন হল ও শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলে এমন ঘটনা ঘটে। শিক্ষার্থীরা কোটা আন্দোলনে যুক্ত কিনা, তা যাচাই করতে শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোন তল্লাশি করা হয়। আন্দোলনে সম্পৃক্ততা পেলেই মারধর করা হয়। এদিন রাজধানীর ইডেন মহিলা কলেজের শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে যেতে বাধা ও মারধর করেন কলেজ ছাত্রলীগের নেত্রীরা। শিক্ষার্থীরা যাতে আন্দোলনে যেতে না পারেন, সেজন্য কলেজের গেটে তালা দেওয়া হয়। কিন্তু শিক্ষার্থীদের একটি অংশ তালা ভেঙে মিছিল নিয়ে রাজু ভাস্কর্যের সামনে যান। এদিকে কোটা সংস্কারের দাবিতে রাজধানীর নতুন বাজার, কুড়িল বিশ্বরোড এলাকায় সড়ক অবরোধ করেন বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। দুপুর থেকে কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালান। যশোরে এমএম কলেজের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মিছিলে হামলা করে ছাত্রলীগ। রাজধানীর বাইরে হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি), কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি), খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় (খুবি), খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেন।