বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে রণক্ষেত্র ঈশ্বরদী, আহত ৩৫

AI-classifiedconfidence 99%

Why this classification

This incident was classified as political violence in Pabna. Parties reported: BNP (Habibur Rahman Habib Group), BNP (Zakaria Pintu Group). Reported casualties: 0 killed and 35 injured. Reported by 3 sources.

Reported by:Dhaka PostProthom AloAjker PatrikaCorroborated · 3 sources
23/03/26•Railgate to Post Office Mor, Ishwardi

Killed

0

Injured

35

Summary

সোমবার (২৩ মার্চ ২০২৬) পাবনার ঈশ্বরদীতে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব ও ঈশ্বরদী পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া পিন্টু গ্রুপের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে অন্তত ৩৫ জন আহত হয়েছে। সংঘর্ষ চলাকালীন দুটি মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ ও কার্যালয় ভাঙচুর করা হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ৮-১০ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

99% · severity 6

Parties involved

BNP (Habibur Rahman Habib Group)BNP (Zakaria Pintu Group)

Tags

Party ClashRally Violence

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 35

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 23/03/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (3 sources)

Source 1: Ajker Patrika · 26/06/26open original ↗

চাটমোহরে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৮

পাবনার চাটমোহরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত আটজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে পাঁচজনকে বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দিবাগত রাতে উপজেলার হরিপুর বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহতদের মধ্যে হরিপুর ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি ও ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য, সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বাবলুর রহমান (৪৮), ইউনিয়ন কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান (৪০), ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহসভাপতি আব্দুল মজিদ (৫৭), ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি রাহাত হোসেন (২৫) রয়েছেন। আহত অন্যদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে হরিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক সিরাজুল ইসলাম ও সাবেক যুবদল নেতা বাবলুর রহমানের অনুসারীদের মধ্যে রাজনৈতিক আধিপত্য ও অভ্যন্তরীণ বিরোধ চলছিল। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে হরিপুর ইউনিয়ন বিএনপি কার্যালয়ে সন্ত্রাস, মাদক ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে এলাকাবাসীকে ঐক্যবদ্ধ করার লক্ষ্যে একটি মিটিং করছিলেন ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি বাবলুর রহমান গ্রুপের নেতা-কর্মীরা। এ সময় ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক সিরাজুল ইসলামের নেতৃত্বে তাঁর লোকজন অতর্কিত হামলা চালান বলে অভিযোগ। হামলায় উভয় পক্ষের অন্তত আটজন আহত হন। তাঁদের মধ্যে বাবলু গ্রুপের বাবলু, মিজান, মজিদসহ পাঁচজন এবং সিরাজ গ্রুপের রাহাতসহ তিনজন আহত হন। আহত বাবলুর রহমানের অভিযোগ, তাঁরা এলাকায় সন্ত্রাস, মাদক ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ঐক্য গড়ে তুলতে কাজ করছিলেন। এ কারণেই প্রতিপক্ষ গ্রুপ তাঁদের ওপর হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে সিরাজুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ঘটনার সময় তিনি এলাকায় উপস্থিত ছিলেন না। পূর্ববিরোধের জের ধরে দুই পক্ষের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে, এতে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই।চাটমোহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অলিউর রহমান জানান, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং আহতদের সঙ্গে কথা বলেছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Source 2: Dhaka Post · 23/03/26open original ↗

বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে রণক্ষেত্র ঈশ্বরদী, আহত ৩৫

সারাদেশ পাবনা বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে রণক্ষেত্র ঈশ্বরদী, আহত ৩৫ জেলা প্রতিনিধি পাবনা ২৩ মার্চ ২০২৬, ১৬:৫৬ অ+ অ- ঈশ্বরদী পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া পিন্টু ও পাবনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব গ্রুপের মধ্যে রক্ষক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় গ্রুপের ৩০-৩৫ জন আহত হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ শটগান দিয়ে ৮-১০ রাউন্ড ফাঁকাগুলি ছুড়েছে। বিজ্ঞাপন সোমবার (২৩ মার্চ) দুপুরে ঈশ্বরদীর রেলগেট থেকে পোস্ট অফিস মোড় পর্যন্ত এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় গোটা শহর রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। এতে আতঙ্কিত হয়ে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে চলে যান ব্যবসায়ীরা। শহরে যান চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। দুপক্ষের উত্তেজিত কর্মীরা দুটি মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ এবং কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। বিএনপির এক পক্ষের কার্যালয়ে থাকা চেয়ার ও আসবাবও ভাঙচুর করা হয়েছে। আহতরা হলেন, সদ্য সমাপ্ত হওয়া সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের নিবার্চন পরিচালনা কমিটির সমন্বয়ক সাবেক ছাত্রনেতা মাহাবুবুর রহমান পলাশ, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম রকি, ছাত্রনেতা নুরে আলম শ্যামল, লিটন, জাকারিয়া, আলমগীর, নাজমুল, নাসির, চঞ্চল, নান্টু, সেন্টু, আশরাফুজ্জামান, কামরুল ইসলাম প্রমুখ। এরা সবাই হাবিব গ্রুপের নেতাকর্মী। বিজ্ঞাপন আর জাকারিয়া পিন্টু গ্রুপের মনোয়ার, রাজিব, অন্তর, কবির, পলাশ, আক্তার, শরিফ, শিহাব, ফজলু, জুয়েলসহ অন্তত ১০-১২ জন আহত হয়েছেন। এরা সবাই স্বেচ্ছাসেবকদল, যুবদল ও ছাত্রদল কর্মী। ঈশ্বরদী উপজেলা ও পাবনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আহতরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। আহত নুরে আলম শ্যামলকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। থানা ও স্থানীয় বিএনপি সূত্রে জানা যায়, ঈদের আগে চাঁদরাতে হাবিবুর রহমান হাবিবের পক্ষের পৌর বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরুল কায়েস সুমন ও নুরে আলম শ্যামলের সঙ্গে চলা যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের একদলকর্মী ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জাকারিয়া পিন্টু গ্রুপের পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪ নম্বর ওয়ার্ড শাখার আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ রউফ আব্দুলকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আব্দুলের পক্ষের লোকজন উত্তেজিত হয়ে হামলাকারীদের কয়েকজনের বাড়িঘর ভাঙচুর করে। এই ঘটনাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে পৌর বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরুল কায়েস সুমন লোকজন দিয়ে নিজের কার্যালয় ভাঙচুর করান। এই বিষয়ে জাকারিয়া পিন্টুর ছোট ভাই উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সদস্য সচিব মেহেদী হাসানকে দোষারোপ করে ঈশ্বরদী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন তিনি। বিজ্ঞাপন একই সঙ্গে হাবিবুর রহমান হাবিবের পক্ষের যুবদল নেতা জোবায়ের হোসেন ওরফে বাপ্পি বিভিন্ন লোকজনকে ম্যানেজ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জাকারিয়া পিন্টু, তার ছোট ভাই জুয়েল, সোনা মনি ও মেহেদী হাসানকে সন্ত্রাসী উল্লেখ করে বিষোদগার করে আসছেন। এর প্রতিবাদে আজ সকালে জাকারিয়া পিন্টু গ্রুপ মেহেদী হাসানের নেতৃত্বে শহরের রেলগেট থেকে একটি বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ মিছিল বের করেন। মিছিল শেষে তারা ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে তাদের বিরুদ্ধে করা অপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান। একই সঙ্গে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেন। সূত্রগুলোর মতে, জাকারিয়া পিন্টুর পক্ষে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ মিছিল এবং সংবাদ সম্মেলন করায় হাবিবুর রহমান হাবিব গ্রুপের নেতাকর্মীরা পাল্টা বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। হাবিবের পক্ষে জোবায়ের হোসেন বাপ্পির আর্থিক সহযোগিতায় বের হওয়া বিক্ষোভ মিছিলের ব্যানারে জাকারিয়া পিন্টু, তার ভাই জুয়েল, সোনা মনি ও মেহেদীকে সন্ত্রাসী উল্লেখ করা হয়। এ সময় সংবাদ সম্মেলন শেষ করে মেহেদী হাসান দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে প্রেসক্লাব থেকে বের হয়ে নিজ এলাকায় ফিরছিলেন। পথে উভয় গ্রুপ রেলগেট এলাকায় মুখোমুখি হয়ে যায়। এ সময় হাবিব গ্রুপের পক্ষ থেকে জাকারিয়া পিন্টুর ছোট ভাই মেহেদী হাসানকে লক্ষ্য করে গুলি বর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। এরপর উভয় গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার জানান, স্থানীয় বিএনপির বিবদমান দুটি গ্রুপের পাল্টাপাল্টি বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ মিছিল হওয়ায় সংঘর্ষ এড়াতে হাবিব গ্রুপের মিছিলটিকে থানার সামনের ইউটান ঘুরে পোস্ট অফিস মোড়ে চলে যেতে অনুরোধ করা হয়। কিন্তু তারা পুলিশকে ধাক্কা দিয়ে এবং তাদের অনুরোধ উপেক্ষা করে রেলগেটে গেলে পিন্টু গ্রুপের লোকজনের সঙ্গে সংঘর্ষ বাঁধে। উভয় গ্রুপকে ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ অন্তত ৮-১০ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে। সদ্য সমাপ্ত সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের নিবার্চন পরিচালনা কমিটির সমন্বয়ক সাবেক ছাত্রনেতা মাহাবুবুর রহমান পলাশ অভিযোগ করে বলেন, পুলিশি পাহারায় জাকারিয়া পিন্টু গ্রুপের মেহেদী হাসানের নেতৃত্বে তাদের মিছিলে অতর্কিত হামলা চালানো হয়েছে। জাকারিয়া পিন্টুর ছোট ভাই ঈশ্বরদী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের সাবেক সদস্য সচিব মেহেদী হাসান বলেন, ঈদের আগে চাঁদরাতে তাদের পক্ষের আব্দুল্লাহ রউফ আব্দুলকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেছে হাবিব গ্রুপ। সে এখন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। এ কারণে আব্দুলের পক্ষের লোকজন হামলাকারীদের কয়েকজনের বাড়ি ভাঙচুর করেছেন। মেহেদীর দাবি, ঘটনার সময় ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে বাড়ি ফেরার পথে হাবিবুর রহমান হাবিব গ্রুপের লোকজন বিক্ষোভ মিছিল থেকে তাকে লক্ষ্য করে হত্যার উদ্দেশে গুলি বর্ষণ করে। এতে তার সঙ্গে থাকা নেতাকর্মীরা উত্তেজিত হয়ে উঠলে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দায়িত্বরত চিকিৎসক ডাক্তার তাসনিম তামান্না স্বর্ণা জানান, ইট ও পাথরের আঘাতে আহত হয়ে অন্তত ১৮-২০ জন চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে এসেছিলেন। এদের মধ্যে নুরে আলম শ্যামল নামে একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। সংঘর্ষ এড়াতে শহরের বিশেষ বিশেষ স্থানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। একই সঙ্গে শহরে সেনাবাহিনী ও র‌্যাব সদস্যদেরও টহলে রাখা হয়েছে। রাকিব হাসনাত/এসএইচএ

Source 3: Prothom Alo · 23/03/26open original ↗

পাবনায় বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, গৃহবধূ নিহত, আহত ২৫

পাবনার ঈশ্বরদীতে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষের সময় গুরুতর আহত কয়েকজনকে হাসপাতালে আনা হয়। আজ সোমবার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেছবি: প্রথম আলো পাবনার সুজানগর উপজেলায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষের চায়না খাতুন (৪০) নামের এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আর অন্তত ১০ জন। আজ সোমবার সকালে উপজেলার মানিকহাট ইউনিয়নের ভিটবিলা পশ্চিমপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। প্রায় একই সময়ে ঈশ্বরদী পৌরসভার পোস্ট অফিস মোড় এলাকায় বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে পুলিশের কয়েকজন সদস্যসহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। সুজানগর থানা–পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এলাকার আধিপত্য বিস্তার নিয়ে উপজেলার হাটখালী ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি রাফিউল ইসলামের পক্ষের সঙ্গে মানিকহাট ইউনিয়নের ভিটবিলা গ্রামের বিএনপি সমর্থক ইসলাম প্রামাণিকের পক্ষের বিরোধ চলছিল। এর জের ধরে গতকাল রোববার দিবাগত রাতে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারি হয়। আজ সকালে ইসলাম প্রামাণিকপক্ষের লোকজন লাঠিসোঁটা নিয়ে এলাকায় জড়ো হচ্ছিলেন। এ সময় রাফিউলের লোকজন লাঠিসোঁটা অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তাঁদের ওপর হামলা চালিয়ে গুলিবর্ষণ ও বাড়ি ভাঙচুর করেন। গুলিতে উপজেলার ভিটবিলা পশ্চিমপাড়া গ্রামের শুকুর আলীর স্ত্রী চায়না ঘটনাস্থলেই মারা যান। এ ছাড়া গুরুতর আহত ১০ জনকে উদ্ধার করে সুজানগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ইসলাম প্রামাণিকের দাবি, তাঁর ভাগনে ফরহাদ আওয়ামী লীগ সমর্থক ছিলেন। এ জন্য গতকাল রাতে রাফিউলের লোকজন ভিটবিলা বাজারে তাঁকে মারধর করেন। খবর পেয়ে সেখানে গিয়ে ঘটনা শুনে তাঁদের এ বিষয়ে মারামারি না করার অনুরোধ করা হয়। কিন্তু তাঁরা উল্টো তাঁর ওপরও হামলা করে করেন। খবর পেয়ে তাঁর লোকজন জড়ো হয়ে সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নেয় আলোচনা করে এ বিষয়ে সমঝোতা করা হবে। এর মধ্যেই সকালে রাফিউলের লোকজন লাঠিসোঁটা অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে গ্রামের লোকজনের ওপরে গুলি ও হামলা চালান। এতে গুলিতে চায়না নিহত ও অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে। তবে রাফিউল বলেন, ‘ঘটনার বিষয়ে আমি কিছু জানি না। ঘটনার সময় আমি ছিলাম না। এখানে আমার নাম জড়ানো ষড়যন্ত্রমূলক।’ জানতে চাইলে সুজানগর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার সাদিক আহমেদ বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাস্থল থেকে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, ওই গৃহবধূ গুলিতে নিহত হয়েছেন। তবে ময়নাতদন্তের পর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। ঈশ্বরদী থানার পুলিশ ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের আহ্বায়ক আবদুর রউফ আবদুল্লাহর ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পাবনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিবের অনুসারী এবং জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া পিন্টুর অনুসারীরা আলাদা সংবাদ সম্মেলন করেন। সংবাদ সম্মেলনে উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ তোলে। সংবাদ সম্মেলন শেষে হাবিবুর রহমানের সমর্থকেরা শহরের পোস্ট অফিস মোড় এলাকা থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিল শেষ হওয়ার পর গুলিবর্ষণের খবর ছড়িয়ে পড়লে দুই পক্ষের নেতা-কর্মীরা লাঠিসোঁটা ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। সংঘর্ষের সময় পোস্ট অফিস মোড়ে হাবিবুরের কার্যালয়ের সামনে থাকা অন্তত ১০টি মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। দফায় দফায় গুলি ও ককটেল বিস্ফোরণের শব্দে পুরো শহর আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। আতঙ্কে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। দুই পক্ষের মাঝামাঝি অবস্থানে থেকে পুলিশ তাদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়া হয়। এতে পুলিশের কয়েকজন সদস্যসহ ১৫ জন আহত হন। পরে সেনাবাহিনীর একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে টহল শুরু করলে পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে। ঈশ্বরদী থানার ওসি মো. মমিনুজ্জামান বলেন, পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে থাকলেও শহরে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। মানুষের জানমালের নিরাপত্তায় বাড়তি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন পাবনাবিএনপিঈশ্বরদীসংঘর্ষসুজানগররাজশাহী বিভাগআহত