বিমানবন্দর স্টেশনে টিটিইর ওপর হামলার অভিযোগে আটক ২
Why this classification
Two passengers attacked a ticket inspector at Bimanbandar railway station by hitting him on the head with a stapler, causing bleeding and hospitalization. The incident happened on Saturday, which matches the reference date, and two people have been detained.
Killed
0
Injured
1
Summary
শনিবার (১১ এপ্রিল ২০২৬) বিকেল সাড়ে চারটায় বিমানবন্দর রেলস্টেশনে চট্টলা এক্সপ্রেসে টিকিট পরীক্ষার সময় যাত্রী ফাহিম ও আফরানের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডার পর তাঁরা টিটিই হাসান আল মামুনকে স্ট্যাপলার দিয়ে মাথায় আঘাত করেন। এতে তাঁর মাথা থেকে রক্ত বের হয় এবং তাঁকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়; ঘটনার পর রেলওয়ে পুলিশ দুজনকে আটক করেছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
90% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 11/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (3 sources)
বায়তুল মোকাররমে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে হকারদের সংঘর্ষ
বায়তুল মোকাররমে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে হকারদের সংঘর্ষ সমকাল প্রতিবেদক প্রকাশ: ১২ এপ্রিল ২০২৬ | ০৮:৩৬ | আপডেট: ১২ এপ্রিল ২০২৬ | ১৩:৫৩ | প্রিন্ট সংস্করণ রাজধানীর পল্টনের বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ এলাকায় হকার উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে ব্যবসায়ী ও হকারদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয়পক্ষের কয়েকজন আহত হন। গতকাল শনিবার সকাল ১০টার দিকে বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটসংলগ্ন এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। সংশ্লিষ্টরা জানান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) গত ৯ এপ্রিল দক্ষিণ গেটের জিপিও লিংক রোডের দুই পাশের ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান চালায়। ওই সময় দোকানপাট বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। তবে অভিযানের পরদিন হকাররা আবার সেখানে দোকান বসানোর চেষ্টা করলে স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা বাধা দেন। এতে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির তৈরি হয়। এরপর গতকাল সকালে বায়তুল মোকাররম স্বর্ণ ব্যবসায়ী সমিতির উদ্যোগে ফুটপাতে থাকা হকারদের দোকানের কাঠের টেবিলসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম সরানো শুরু হয়। তখন হকাররা বাধা দেন। একপর্যায়ে দুপক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। ইটপাটকেল ছোড়ার ঘটনাও ঘটে।
বায়তুল মোকাররমের ফুটপাত নিয়ন্ত্রণে মরিয়া প্রভাবশালীরা
হকার ও স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষ বায়তুল মোকাররমের ফুটপাত নিয়ন্ত্রণে মরিয়া প্রভাবশালীরা ‘ফুটপাত পরিষ্কার রাখার দায়িত্ব মার্কেট কর্তৃপক্ষের’ Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন প্রকাশ: ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ রাজধানীর বায়তুল মোকাররম মার্কেটের সামনের ফুটপাত ও রাস্তায় ভাসমান দোকান উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে মুখোমুখি অবস্থানে স্থানীয় হকার ও মার্কেট সমিতির নেতারা। ফুটপাত দখলে নিতে ইতোমধ্যে তারা দুই দফায় সংঘর্ষে জড়িয়েছে। হকাররা বলছেন, পুলিশ-প্রশাসনের মাধ্যমে ফুটপাত নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান প্রভাবশালীরা। সেজন্য তারা মার্কেট কর্মচারী, সিকিউরিটি ও বহিরাগত ক্যাডারদের মাধ্যমে হকারদের মারধর করেছেন। তবে এমন অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করে মার্কেটের ব্যবসায়ী নেতারা বলছেন, দক্ষিণ গেটের ফুটপাতে দোকান বসতে দেওয়া হবে না। লাইনম্যানদের মাধ্যমে চাঁদাবাজি করতে দেওয়া হবে না। রোববার সরেজমিন দেখা যায়-বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটের জিপিও লিংক রোডের ফুটপাতে কোনো দোকানপাট নেই। কেউ দোকান বসানোর চেষ্টা করলেই পুলিশ তাদের তুলে দিচ্ছে। রাস্তায় সতর্ক পাহারায় রয়েছেন মার্কেটের সিকিউরিটি গার্ড সদস্যরা। সার্বক্ষণিক তারা হকারদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করছেন। হকারদের অভিযোগ, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনকে ‘ম্যানেজ’ করে বায়তুল মোকাররম মার্কেটের ব্যবসায়ী নেতারা ফুটপাত দখলে নিতে জোর চেষ্টা শুরু করেছেন। হকারদের উচ্ছেদ করতে তারা মার্কেটের কর্মচারী, সিকিউরিটি গার্ড ও বহিরাগত ক্যাডার দিয়ে হামলা করছেন। পরিবেশ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে তারা পুলিশ-প্রশাসনের সহযোগিতা নিচ্ছেন। ফুটপাতের দোকানদার মনির হোসেন যুগান্তরকে বলেন, সরকার চাইলে আমরা ফুটপাত ছেড়ে চলে যাব। কিন্তু কেউ টাকা আর ক্ষমতার দাপটে আমাদের তুলে দেবে, মারধর ও রক্তাক্ত করবে। এসব জায়গায় নিজের পছন্দের মানুষদের বসিয়ে দেবে-তা তো হতে পারে না। এর সমাধান চাই। কারণ এই ব্যবসায় আমাদের সংসার চলে। জসিম উদ্দিন ভূঁইয়া নামে আরেকজন যুগান্তরকে বলেন, হকার উচ্ছেদ অভিযান শুরুর পর থেকে মার্কেটের ব্যানারে এসব ফুটপাত দখলের জন্য কিছু অসাধু ব্যক্তি সক্রিয়। তারা হকারদের থেকে ফায়দা আদায়ের চেষ্টা করছে। তারা ক্ষমতার অপব্যবহার করে হকারদের মারধর করছে। বিষয়টি নিয়ে পালটা মামলা হয়েছে। হকার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জিপিও লিংক রোডের দুই পাশের ফুটপাতে দোকান বসানোকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার হকারদের সঙ্গে সংঘর্ষ হয় মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির। পরে বৃহস্পতিবার সেখানে উচ্ছেদ অভিযান চালায় ডিএসসিসি। হকাররা শুক্রবার আবার সেখানে দোকান বসানোর চেষ্টা করলে বাধা দেন স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা। পরে শনিবার সকালে বায়তুল মোকাররম স্বর্ণ ব্যবসায়ী সমিতির উদ্যোগে ফুটপাতে থাকা অস্থায়ী দোকানের কাঠের টেবিলসহ সরঞ্জাম উচ্ছেদ শুরু করলে হকাররা তাতে বাধা দেন। একপর্যায়ে দুপক্ষের মধ্যে পালটাপালটি ধাওয়া এবং ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এতে উভয়পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হন। পরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। মার্কেটের ব্যবসায়ী নেতারা বলছেন, ডিএসসিসির উচ্ছেদ অভিযানের পর ফুটপাত পরিষ্কার রাখার দায়িত্ব মার্কেট কর্তৃপক্ষের। তথাকথিত ‘লাইনম্যান’ ও ‘রাজনৈতিক ছত্রছায়ায়’ কেউ যেন রাস্তা ও ফুটপাত দখল করতে না পারে-তা দেখে রাখতে তাদের দায়িত্বও দিয়েছে সিটি করপোরেশন। সে কারণেই ফুটপাতে নতুন করে দোকান দিতে তারা বাধা দেন। বায়তুল মোকাররম ব্যবসায়ী গ্রুপের সভাপতি এনামুল হক খান যুগান্তরকে বলেন, সিটি করপোরেশনের ম্যাজিস্ট্রেট আমাদের বলে দিয়েছেন, জায়গা খালি করে দিলাম। এটা এখন পরিষ্কার রাখার দায়িত্ব আপনাদের। কিন্তু বাস্তবে আমরা দেখলাম কিছু লাইনম্যানের নেতৃত্বে হকাররা আবার রাস্তা দখল করছে। লাইনম্যানদের টাকা দেওয়ার মাধ্যমে দোকান বসানোর চেষ্টা করছে। তখন আমরা প্রতিবাদ করেছি। প্রতিবাদ করতে গিয়ে সংঘর্ষ হয়েছে। তিনি বলেন, স্বর্ণের দোকানগুলোতে হাজার হাজার টাকা বিনিয়োগ রয়েছে। এখানে যে কেউ চাইলে রাস্তা বন্ধ করে দেবে, তা তো হতে পারে না। মার্কেটের ক্রয়-বিক্রয় সুবিধা ও নিরাপত্তার বিষয় বিচেনায় রেখে আমরা থানায় অভিযোগ করেছি। বিশেষ করে লাইনম্যানের নামে যারা ফুটপাত থেকে চাঁদাবাজি করে-তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসতে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
বিমানবন্দর স্টেশনে টিটিইর ওপর হামলার অভিযোগে আটক ২
ট্রেনপ্রতীকী ছবি রাজধানীর বিমানবন্দর রেলস্টেশনে আন্তনগর চট্টলা এক্সপ্রেসের ট্রেন টিকিট পরিদর্শক (টিটিই) হাসান আল মামুনের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ইতিমধ্যে দুজনকে আটক করেছে রেলওয়ে পুলিশ। তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। শনিবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে বিমানবন্দর রেলস্টেশনে এ হামলার ঘটনা ঘটে। রেলওয়ে পুলিশ জানিয়েছে, শনিবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা আন্তনগর চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেন বিমানবন্দর রেলস্টেশনে পৌঁছালে টিটিই হাসান আল মামুন যাত্রীদের কাছে টিকিট পরীক্ষা করছিলেন। যাত্রী ফাহিম (১৯) ও আফরানের (২০) সঙ্গে টিকিট দেখানো নিয়ে বাগ্বিতণ্ডার সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তাঁরা হাসান আল মামুনকে স্ট্যাপলার দিয়ে মাথায় আঘাত করেন। এতে তাঁর মাথা থেকে রক্ত বের হয়। পরে তাঁকে উদ্ধার করে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়। রেলওয়ে পুলিশ আরও জানায়, ঘটনার পরপরই রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের সহায়তায় অভিযুক্ত দুজনকে আটক করে রেলওয়ে পুলিশ। বর্তমানে তাঁরা পুলিশের হেফাজতে আছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। একই সঙ্গে রেলওয়ে পুলিশ সব যাত্রীকে শৃঙ্খলা বজায় রেখে ভ্রমণের আহ্বান জানিয়েছে। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন অপরাধ থেকে আরও পড়ুন হামলাআইনশৃঙ্খলারেলওয়ে টিকেটরেলওয়ে
