রংপুরে ‘রিকশা ছিনিয়ে নিতে’ চালককে গলা কেটে হত্যা
Why this classification
This incident was classified as criminal violence in Rangpur. It involved Unknown against Unknown. Reported casualties: 1 killed and 0 injured. Reported by 1 source.
Killed
1
Injured
0
Summary
রংপুরের গঙ্গাচড়ায় রিকশা ছিনিয়ে নিতে এক রিকশাচালককে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। শুক্রবার রাতে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
95% · severity 7
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 28/08/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (3 sources)
রংপুরের পীরগঞ্জে মানসিক ভারসাম্যহীন নারীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ
রংপুরের পীরগঞ্জে মানসিক ভারসাম্যহীন এক নারীকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পাঁচজনকে আসামি করে আজ ভুক্তভোগীর ভাই পীরগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।থানায় দায়ের করা অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১ জুলাই রাত ১০টার দিকে ওই নারী বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। রাতে প্রবল বৃষ্টির কারণে তিনি একটি দুর্গামন্দিরের বারান্দায় আশ্রয় নেন। এরপর ২ জুলাই (বৃহস্পতিবার) রাত আনুমানিক ২টার দিকে পাঁচ অভিযুক্ত তাঁকে সেখান থেকে জোর করে তুলে একটি মুদি দোকানে নিয়ে যান। পরে দোকান বন্ধ করে তাঁকে ধর্ষণ করেন। এরপর ভুক্তভোগীর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে তাঁকে দোকান থেকে বের করে দিয়ে পালিয়ে যান।অভিযোগে পার্বতীপুর গ্রামের ও আর্জেটিনা সর্মথক বিদ্যুৎ সরকার, রতন মিয়া, হবিবর রহমান ও মিথুল এবং পীরগঞ্জ ইউনিয়নের বারাইপাড়া গ্রামের হাফিজার রহমানকে আসামি করা হয়েছে।এ বিষয়ে পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজমুল হকের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘আমি অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত করে ব্যবস্থা নেব।’
রংপুরে ‘রিকশা ছিনিয়ে নিতে’ চালককে গলা কেটে হত্যা
রংপুরের গঙ্গাচড়ায় ব্যাটারিচালিত এক রিকশাচালকের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। নিহতের নাম মোখলেছুর রহমান (৫৫), তিনি ওই উপজেলার নবনীদাস পাড়ার মৃত হামিদুর রহমানের ছেলে। শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে গঙ্গাচড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সবুর এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে উপজেলার গজঘণ্টা ইউনিয়নের শান্তিপাড়া কাউয়াফান্দা এলাকা থেকে শুক্রবার রাত পৌনে ১২টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশের ধারণা, রিকশা ছিনিয়ে নিতে তাকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাতের অন্ধকারে এলাকার বট গাছের নিচে একজনের মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখে তারা পুলিশে খবর দেন। ওসি আব্দুস সবুর জানান, মোখলেছুর রহমান শুক্রবার বিকেলে রিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন। সংঘবদ্ধ দুর্বৃত্তরা রিকশাটি ছিনিয়ে নিতে রাত ৮টা থেকে ১০টার মধ্যে তাকে হত্যা করে রিকশা নিয়ে যায়। পুলিশের এই কর্মকর্তা জানান, স্থানীয় বাসিন্দারা মরদেহ দেখতে পেয়ে থানায় জানালে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে। আমরা তদন্ত শুরু করেছি। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ রংপুর মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে। ওসি জানান, হত্যার কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে এবং জড়িতদের শনাক্তে পুলিশ কাজ করছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। ফরহাদুজ্জামান ফারুক/এএমকে
‘দেখেশুনে চলাফেরা করিও, অনেক শত্রু আছে’ বলার ৫ দিন পর রংপুরে চালকের লাশ পাওয়া যায়
রংপুরের গঙ্গাচড়ায় প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে এক মিশুকচালককে হত্যার অভিযোগ করার পর নিরাপত্তাহীনতার কথা জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যেরা। গতকাল নবনীদাস গ্রামেছবি: প্রথম আলো ‘দেখেশুনে চলাফেরা করিও, আমাদের ডানে-বাঁয়ে অনেক শত্রু আছে।’—ছেলেকে কথাগুলো বলেছিলেন রংপুরের গঙ্গাচড়ার মিশুকচালক মোখলেছার রহমান (৫৮)। এর পাঁচ দিন পর রাতে রাস্তার পাশে তাঁর গলাকাটা লাশ পাওয়া যায়। ছেলে মিজানুর রহমান এমনটাই জানালেন। হত্যাকাণ্ডের ছয় দিন পেরিয়ে গেলেও পুলিশ মোখলেছারের মিশুকটি উদ্ধার করতে পারেনি। হত্যার কোনো ক্লুও পাওয়া যায়নি। গত ২৮ আগস্ট দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে গঙ্গাচড়ার শান্তিপাড়া এলাকার পাকা সড়কের পাশে মোখলেছারের রক্তাক্ত লাশ পড়ে থাকতে দেখেন পথচারীরা। খবর পেয়ে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে। পরদিন ২৯ আগস্ট মোখলেছারের ছেলে মিজানুর রহমান গঙ্গাচড়া মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় কোনো আসামির নাম উল্লেখ করা হয়নি। মোখলেছারের বাড়ি গঙ্গাচড়ার নবনীদাস গ্রামে। তিনি মিশুক চালিয়ে সংসার চালাতেন। পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষরা পরিকল্পিতভাবে তাঁকে হত্যা করেছে। নিহত মোখলেছার রহমানছবি: সংগৃহীত হুমকির দুই সপ্তাহ পরই হত্যা মোখলেছারের ছোট ভাই শাহিনুর ইসলামের অভিযোগ, ২৬ শতাংশ বসতভিটা নিয়ে প্রতিবেশী জাদু মিয়া, সেকেন্দার, মারজান ও সাদেকুল ইসলামের সঙ্গে তাঁর ভাইয়ের দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। এ নিয়ে আদালতে একাধিক মামলাও আছে। সম্প্রতি একটি মামলায় মোখলেছারের পক্ষে রায় হওয়ায় প্রতিপক্ষের লোকজন ক্ষুব্ধ ছিল। শাহিনুরের অভিযোগ, ১৩ আগস্ট রংপুর আদালত চত্বরে জাদু মিয়া, সেকেন্দার, মারজান ও সাদেকুল ইসলাম তাঁর ভাইকে প্রাণনাশের হুমকি দেন। এর দুই সপ্তাহের মধ্যেই তিনি হত্যার শিকার হন। একটি মিশুকের জন্য তাঁর ভাইকে এভাবে কুপিয়ে হত্যা করার কারণ নেই। পূর্বশত্রুতার জেরেই তাঁকে হত্যা করা হয়েছে। বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না। ১৩ আগস্ট রংপুর আদালত চত্বরে জাদু মিয়া, সেকেন্দার, মারজান ও সাদেকুল ইসলাম তাঁর ভাইকে প্রাণনাশের হুমকি দেন। এর দুই সপ্তাহের মধ্যেই তিনি হত্যার শিকার হন। একটি মিশুকের জন্য তাঁর ভাইকে এভাবে কুপিয়ে হত্যা করার কারণ নেই। শাহিনুর ইসলাম, মোখলেছারের ছোট ভাই প্রতিপক্ষের নাম উল্লেখ করে মামলা করতে চাইলেও পুলিশ তা নেয়নি বলে দাবি করেছেন বাদী মিজানুর রহমান। তিনি বলেন, তাঁর বাবা সব সময় ভয় পেতেন। প্রতিপক্ষের লোকজন তাঁকে মেরে ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করতেন। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন প্রতিপক্ষের জাদু মিয়া। তিনি গঙ্গাচড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ওয়ার্ডবয়। জাদু মিয়া বলেন, ঘটনার দিন রাত ৯টা পর্যন্ত তিনি হাসপাতালে দায়িত্ব পালন করেন। বাড়ি ফিরে রাত ১২টার পর মোখলেছার হত্যার খবর পান। মোখলেছারের সঙ্গে জমি নিয়ে বিরোধের কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তিনি জড়িত নন। তিনিও জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তার চান।সেকেন্দার আলী, মারজান ও সাদেকুল ইসলামও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। গঙ্গাচড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুস ছবুর বলেন, ‘পরিবারের অভিযোগ সঠিক নয়। মামলার বাদী যে অভিযোগ লিখে নিয়ে এসেছেন, সেটিই মামলা হিসেবে নেওয়া হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনে পুলিশ কাজ করছে। পরিবারের প্রতিটি অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।’ নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কার কথা জানান মোখলেছারের স্ত্রী মোসলেমা বেগম। তাঁর ভাষ্য, প্রতিপক্ষের লোকজন তাঁর স্বামীকে খুন করেছেন। এখন পরিবারের অন্য কাউকে যে হত্যা করা হবে না, সেই নিশ্চয়তা কে দেবে? একমাত্র উপার্জনক্ষম মানুষটি নেই, চুলাও জ্বলছে না মোখলেছারের পরিবারে স্ত্রী, দুই ছেলে, দুই মেয়ে ও নাতি-নাতনিসহ ৯ জন সদস্য। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন তিনি। মিশুক চালিয়ে সংসারের খরচ চালানোর পাশাপাশি চারটি এনজিওর ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতেন। পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য, চারটি এনজিও থেকে মোখলেছার প্রায় তিন লাখ টাকা ঋণ নিয়েছিলেন। তাঁর মৃত্যুর পর সংসারের খরচ চালানোই কঠিন হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে ঋণের কিস্তির চাপও আছে। নিহত ব্যক্তির মেয়ে মোহসিনা বলেন, সংসারটা তাঁর বাবার কাঁধেই ছিল। এখন বাবা নেই, ঘরেও খাবার নেই। কয়েক দিন ধরে চুলা জ্বলেনি। প্রতিবেশীরা খাবার দিয়ে যাচ্ছেন। এভাবে কত দিন চলবে, তাঁরা জানেন না। তাঁর বাবার নেওয়া ঋণের টাকা একটি এনজিও মওকুফ করলেও অন্য এনজিওগুলো কিস্তির জন্য চাপ দিচ্ছে। নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কার কথা জানান মোখলেছারের স্ত্রী মোসলেমা বেগম। তাঁর ভাষ্য, প্রতিপক্ষের লোকজন তাঁর স্বামীকে খুন করেছেন। এখন পরিবারের অন্য কাউকে যে হত্যা করা হবে না, সেই নিশ্চয়তা কে দেবে? প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন রংপুরমরদেহ উদ্ধাররংপুর বিভাগঅপরাধগঙ্গাচড়াহত্যা
