কৃষক দল নেতার কাণ্ড!
Why this classification
ঘটনাটি রাজনৈতিক সহিংসতা হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়েছে কারণ অভিযুক্ত ব্যক্তি জেলা কৃষক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক (বিএনপির অঙ্গ সংগঠন) এবং তার বিরুদ্ধে আদালতের রায় অমান্য করে ভবনের প্রবেশপথ বন্ধ করার অভিযোগ রয়েছে। যদিও মূল উদ্দেশ্য জমি সংক্রান্ত বিরোধ, তবে রাজনৈতিক দলের নেতার সম্পৃক্ততা থাকায় এটি রাজনৈতিক সহিংসতা হিসেবে বিবেচিত।
Killed
0
Injured
0
Summary
বাগমারার ভবানীগঞ্জে কৃষক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মেসবাউল হক দুলু আদালতের রায় অমান্য করে একটি ভবনের গেটের সামনে ভাঙা ইট ও রশি দিয়ে প্রবেশপথ বন্ধ করে দেন। ভবনের মালিক আব্দুল হালিম থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
85% · severity 3
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 13/07/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
কৃষক দল নেতার কাণ্ড!
কৃষক দল নেতার কাণ্ড! Advertisement বাগমারা (রাজশাহী) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৭:১৯ পিএম বাগমারার ভবানীগঞ্জে কৃষক দলের এক নেতার বিরুদ্ধে একটি ভবনের গেটের সামনে ভাঙা ইট জড়ো করে এবং রশি দিয়ে ঘিরে প্রবেশপথ বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার প্রতিকার চেয়ে ভবনের মালিক ভুক্তভোগী আব্দুল হালিম বাদী হয়ে রাজশাহী জেলা কৃষক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মেসবাউল হক দুলুর বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গনিপুর ইউনিয়নের তাহির একডালা গ্রামের মৃত মোবারক হোসেনের ছেলে আব্দুল হালিম ভবানীগঞ্জ পৌরসভার মোসলেম আলীর কাছ থেকে চাঁন্দপাড়া মৌজায় আরএস ১৪৯নং খতিয়ানভুক্ত ১৯৭৪ ও ১৯৭৫নং দাগে ৫ শতক জমি ক্রয় করেন। ওই জমিতে পাঁচতলা ভবন নির্মাণ করে তিনি ভোগদখলে আছেন। সম্প্রতি জমি বিক্রেতা মোসলেম আলীর ছেলে জেলা কৃষক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মেসবাউল হক দুলু ওই বিল্ডিং ব্যবহারে বাধা দেন। এ ঘটনায় আব্দুল হালিম রাজশাহী অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা করেন। গত ৯ জুলাই আদালত বাদীর পক্ষে ওই মামলার রায় প্রদান করেন। রায়ে বলা হয়- নালিশী সম্পত্তি যেহেতু বাদীর দখলে রয়েছে এবং সেখানে বাদীর বিল্ডিং রয়েছে কাজেই বিবাদীদের প্রবেশ আদেশ দ্বারা নিষেধ করা হলো। অথচ আদালতের ওই রায় অমান্য করে মেসবাউল হক দুলু বিল্ডিংয়ে প্রবেশ গেটের সামনে ভাঙা ইট জড়ো করে রেখে এবং রশি দিয়ে ঘিরে ওই বিল্ডিংয়ে প্রবেশপথ বন্ধ করে দেন। এ বিষয়ে অভিযুক্ত মেসবাউল হক দুলু বলেন- ওই বিল্ডিংয়ের সামনে তার কিছু জমি রয়েছে। আব্দুল হালিম তার জমি কিনে না নেওয়ায় ওই বিল্ডিংয়ের প্রবেশ পথে ইট রাখা ও রশি দিয়ে ঘিরে রাখার কথা তিনি স্বীকার করেন। বাগমারা থানার ওসি জিল্লুর রহমান বলেন, অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এবং আদালতের রায় অনুযায়ী বিবাদীকে ওই বিল্ডিংয়ের গেটের সামনে থেকে জড়ো করে রাখা ইট ও বেড়া সরিয়ে নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
