অর্পিত সম্পত্তির লিজ বাতিল, দোকান বেদখল
Why this classification
The event took place on 2026-07-04 within the 14-day window and involves breaking a lock and forcibly seizing a shop, which is a destructive/criminal act. Although the victim identifies as a minority, the primary motive is land-related, not political violence.
Killed
0
Injured
0
Summary
নবাবগঞ্জের বাগমারা বাজারে অর্পিত সম্পত্তির এক শতাংশ জমির দোকান থেকে সুভাষ চন্দ্র পালের বরাদ্দ বাতিল করে আরিফ খানকে নতুন বরাদ্দ দেওয়া হয়। পরে আরিফ খান তালা ভেঙে জবরদস্তি করে দোকানটি দখল করে নেন।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
90% · severity 3
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 04/07/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
অর্পিত সম্পত্তির লিজ বাতিল, দোকানও বেদখল
অর্পিত সম্পত্তির লিজ বাতিল, দোকানও বেদখল সমকাল প্রতিবেদক প্রকাশ: ০৫ জুলাই ২০২৬ | ০৮:২২ | প্রিন্ট সংস্করণ ঢাকার নবাবগঞ্জের বাগমারা বাজারের জমজম মার্কেটসংলগ্ন অর্পিত সম্পক্তির (ভিপি) ১ শতাংশ জমির ওপর স্থাপিত একটি টিনশেড দোকান বংশপরম্পরায় পরিচালনা করে আসছিলেন স্থানীয় সুভাষ চন্দ্র পাল ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা। ওই জমি স্থানীয় আরিফ খানের নামে সাব-লিজ দেওয়ার কথা উল্লেখ করে সম্প্রতি সুভাষ চন্দ্র পালের বরাদ্দ বাতিল করেন নবাবগঞ্জ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি)। এ পদক্ষেপের আগে সুভাষ চন্দ্র পালকে কোনো নোটিশও দেওয়া হয়নি। অভিযোগ উঠেছে, স্থানীয় কয়েক ব্যক্তি ও নতুন বরাদ্দ পাওয়া আরিফ খানের সঙ্গে আঁতাতের মাধ্যমেই ঘটনাটি ঘটেছে। সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র ও জমি বরাদ্দের নথিপত্র ঘেঁটে এসব তথ্য জানা গেছে। বাগমারা বাজার ঘুরে স্থানীয় একাধিক ব্যক্তির কাছ থেকে জানা গেছে, আরিফ খান এলাকার কয়েক ব্যক্তির সহায়তায় মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে এসিল্যান্ড অফিসকে ম্যানেজ করে সুভাষ চন্দ্রের বরাদ্দ বাতিল করিয়ে নিজের নামে বরাদ্দ নিয়েছেন। তারা জানান, সুভাষ চন্দ্র পাল সংখ্যালঘু হওয়ায় তাঁর কোনো আবেদন-নিবেদন আমলে নেওয়া হয়নি। এ বিষয়ে সুভাষ চন্দ্র পাল বলেন, এসিল্যান্ড আমার প্রতি অবিচার করে দোকানের জমির বরাদ্দ বাতিল করেছেন। এ ক্ষেত্রে মোটা অংকের অর্থের লেনদেন হয়েছে। আমরা সংখ্যালঘু হিসেবে অর্থ আর ক্ষমতার কাছে অসহায়। আমাদের পক্ষে দাঁড়ানোর কেউ নেই। তিনি বলেন, আরিফ খান গতকাল শনিবার দিনে দুপুরে তালা ভেঙ্গে ঢুকে বেআইনিভাবে জবরদস্তি করে দোকানটি দখলে নিয়েছেন। নবাবগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আসিফ রহমান বলেন, সুভাষ চন্দ্র পাল দোকানটি আরিফ খানের কাছে ভাড়া দেওয়ায় লিজের শর্ত ভঙ্গ হয়েছে। তাঁকে সতর্ক করে কোনো নোটিশ দেওয়া হয়েছিল কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, তাঁকে কোনো নোটিশ দেওয়া হয়নি। গত ৬০ থেকে ৭০ বছর ধরে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী লিজ মানি পরিশোধ করে দোকানের ওই এক শতাংশ জমি ভোজ করে আসছিলেন সুভাষ চন্দ্র পাল ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা। লিজ বাতিলের ক্ষেত্রে বিষয়টি বিবেচনা করা হয়েছিল কিনা, এই প্রশ্নের সদুত্তর দিতে পারেননি এসিল্যান্ড। দোকান দখলে নেওয়া আরিফ খান জানান, দোকানটি সুভাষ চন্দ্র পালের নামেই লিজ নেওয়া ছিল। তিনি (আরিফ খান) ভাড়াটিয়া হিসেবে ব্যবসা করতেন। এই অবস্থায় তিনি গোপনে লিজ মানি পরিশোধ করে দোকানটি নিজের দখলে নেওয়ার জন্য এসিল্যান্ড অফিসে যান। পরে এসিল্যান্ড তাঁর কাছ থেকে লিজ মানি গ্রহণ করে ডিসিআর কেটে দেন। জানা গেছে, সুভাষ চন্দ্র পালের কাছ থেকে সর্বশেষ ২০২৪ সালের ২৩ মে ১৯ হাজার ১১৮ টাকা লিজ মানি গ্রহণ করা হলেও আরিফ খানের কাছ থেকে একই জমির লিজ মানি হিসেবে ৬ হাজার ৭৯৯ টাকা নেওয়া হয়। লিজ বাতিলের বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানিয়ে সুভাষ চন্দ্র পালের স্বাক্ষর করা একটি আবেদন গত ৩০ জুন ঢাকার জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কাছে পেশ করা হয়। - বিষয় : - সম্পত্তি
