মিরপুরে পোশাক কারখানায় চাঁদা না পেয়ে গুলি
Why this classification
This is a specific, recent incident in Mirpur, Dhaka, in which armed men forced their way into a garment factory, demanded one crore taka, and fired two shots at the owner when he refused. The gunmen also removed CCTV cameras and threatened to kill him, so it qualifies as a shooting attack. No one was reported injured.
Killed
0
Injured
0
Summary
শনিবার (১৮ এপ্রিল ২০২৬) বিকাল সাড়ে ৬টার দিকে মিরপুর ১৩ নম্বরের পশ্চিম বাইশটেকি এলাকার এ কে এম অ্যাপারেলস পোশাক কারখানায় এক কোটি টাকা চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় মালিক কামরুল ইসলামকে লক্ষ্য করে ২ রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়। ঘটনার পর অফিসের সিসিটিভি ক্যামেরা খুলে নেওয়া হয় এবং তিন দিনের মধ্যে টাকা না দিলে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
90% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 18/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
মিরপুরে পোশাক কারখানায় চাঁদা না পেয়ে গুলি
মিরপুরে পোশাক কারখানায় চাঁদা না পেয়ে গুলি Advertisement মিরপুর (ঢাকা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২০ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ রাজধানীর মিরপুরে এক গার্মেন্ট ব্যবসায়ীর কাছে এক কোটি টাকা চাঁদা না পেয়ে তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়েছে সন্ত্রাসীরা। শুধু তাই নয় গুলির ঘটনার প্রমাণ না রাখতে অফিসে সংরক্ষিত সিসিটিভি ক্যামেরা খুলে নিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা। শনিবার বিকাল সাড়ে ৬টার দিকে মিরপুর ১৩ নম্বরের পশ্চিম বাইশটেকি এলাকার এ কে এম অ্যাপারেলস নামক একটি পোশাক কারখানায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় রোববার রাজধানীর কাফরুল থানায় একটি মামলা করেন গার্মেন্ট মালিক কামরুল ইসলাম। মামলায় অজ্ঞাতনামা ১২/১৩ জনকে আসামি করা হয়েছে। জানা গেছে, শনিবার সকালে কামরুল ইসলাম তার পোশাক কারখানার অফিসে ছিলেন। এক পর্যায়ে বিকালের দিকে অজ্ঞাতনামা ১২-১৩ জন লোক তার পোশাক কারখানায় জোর করে প্রবেশ করে এক কোটি টাকা চাঁদা দাবি করেন। তিনি চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে মামলার আসামিরা পকেট থেকে পিস্তল বের করে তাকে লক্ষ্য করে ২ রাউন্ড গুলি ছোড়ে। এর মধ্যে একটি গুলি কামরুলের বাম কান বরাবর পেছনে থাকা ফাইল কেবিনেটের গ্লাসে লাগলে গ্লাস ভেঙে যায়। আরেকটি গুলি তার পেছনের দেওয়ালে লাগে। ঘটনার একপর্যায়ে তার চিৎকারে অফিস ও আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে সন্ত্রাসীরা আগামী ৩ দিনের মধ্যে এক কোটি টাকা চাঁদা না দিলে তাকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। কামরুল ইসলাম বলেন, আসামিরা যাওয়ার সময় এক কোটি টাকা চাঁদা দাবি করে তিন দিনের সময় বেঁধে দেন। তিনি বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে গুলির খোসা ও বুলেট উদ্ধার করেছে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কাফরুল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজ্জাদ হোসেন বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। সন্ত্রাসীদের ধরতে অভিযান চলছে।
