আজ সবার জন্য খুলছে জুলাই জাদুঘর

AI-classifiedconfidence 90%

Why this classification

The article describes protesters breaking the locks and gates of the July Mass Uprising Memorial Museum, which constitutes political vandalism.

Reported by:SamakalSingle source
05/08/26•July Mass Uprising Memorial Museum

Killed

0

Injured

0

Summary

বুধবার জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের গেট ও তালা ভেঙে আন্দোলনকারীরা ভেতরে প্রবেশ করেন। দীর্ঘক্ষণ বৃষ্টিতে ভিজে অপেক্ষার পর উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে এই ঘটনা ঘটে।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

90% · severity 3

Perpetrator side

Locals

Victim side

Museum authorities

Other actors

Tanjim Ibn WahabZahid ur RahmanAshraful Islam

Affected infrastructure

locksgates

Tags

Rally Violence

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Museum authorities

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 05/08/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Samakal · 06/08/26open original ↗

আজ সবার জন্য খুলছে জুলাই জাদুঘর

আজ সবার জন্য খুলছে জুলাই জাদুঘর উদ্বােধনের দিন তালা ভেঙে দর্শনার্থীদের প্রবেশ সমকাল প্রতিবেদক প্রকাশ: ০৬ আগস্ট ২০২৬ | ০৮:২৭ | আপডেট: ০৬ আগস্ট ২০২৬ | ১৩:০৬ | প্রিন্ট সংস্করণ এক বছরেরও বেশি সময় ধরে আলোচনার কেন্দ্রে থাকা জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর আজ বৃহস্পতিবার থেকে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত হচ্ছে। আন্দোলনের ঘটনাপ্রবাহ, শহীদ ও আহতদের স্মৃতি, আলোকচিত্র, ভিডিও, দলিল, ব্যক্তিগত ব্যবহার্য সামগ্রী এবং বিভিন্ন ডিজিটাল প্রদর্শনী জায়গা পেয়েছে এই জাদুঘরে। জনসাধারণের জন্য আজ প্রথম দিনের ৯০০টি টিকিট গতকাল বুধবার বিকেল ৪টার মধ্যেই বিক্রি হয়েছে। এর আগে গতকাল সকালে জুলাই জাদুঘর উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। কখন কখন ঢোকা যাবে জাদুঘরে দর্শনার্থীদের জন্য জাদুঘরে প্রবেশের সময়কে কয়েকটি স্লটে ফেলা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৯০০  দর্শনার্থী জাদুঘরের মূল ভবনে প্রবেশের সুযোগ পাবেন। জাদুঘর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অনলাইন বুকিং ব্যবস্থার পাশাপাশি জাদুঘরের কাউন্টার থেকেও টিকিট সংগ্রহ করা যাবে।  জাদুঘরের মূল ভবনে যেতে প্রতিদিন তিনটি সময়সীমা রাখা হয়েছে। প্রতিটি স্লটে সর্বোচ্চ ৩০০ জন করে দর্শনার্থী প্রবেশ করতে পারবেন। এর মধ্যে মর্নিং স্লটে বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা, মিড ডে স্লটে দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৩টা এবং ইভিনিং স্লটে বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ঘুরে দেখা যাবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, টিকিটের গায়ে উল্লিখিত সময়ের মধ্যেই কেবল মূল ভবনে প্রবেশ করা যাবে। টিকিটের মূল্য যত প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য টিকিটের মূল্য ৫০ টাকা এবং শিশুদের জন্য ২৫ টাকা রাখা হয়েছে। নির্দিষ্ট তারিখ ও সময়ের জন্য আগে থেকেই টিকিট বুকিং করতে হবে। কাঙ্ক্ষিত দিনের সব স্লট পূর্ণ হয়ে গেলে আবেদনকারীকে পরবর্তী দিনের কোনো ফাঁকা স্লট বেছে নিতে হবে। কেন এই সীমিত প্রবেশ জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের মহাপরিচালক তানজিম ইবনে ওয়াহাব গতকাল সমকালকে বলেন, ‘শুরুতেই বিপুল সংখ্যক দর্শনার্থী একসঙ্গে এলে তা ব্যবস্থাপনার জন্য চ্যালেঞ্জ হতে পারে। সে কারণেই প্রাথমিকভাবে সীমিত সংখ্যক দর্শনার্থীর জন্য সময়ভিত্তিক প্রবেশ ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।’  তালা ভেঙে জুলাই জাদুঘরে এর আগে গত মঙ্গলবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান জানান, জাদুঘর উদ্বোধনের প্রথম দিন শুধু জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। কিন্তু গতকাল উদ্বোধনের দিন টানা বৃষ্টির মধ্যেই অসংখ্য মানুষ মূল ফটকের সামনে অবস্থান নেন। দীর্ঘক্ষণ ভিজে অপেক্ষা করার পরও গেট বন্ধ থাকায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এক পর্যায়ে বিক্ষুব্ধ জুলাইযোদ্ধা, আহত আন্দোলনকারী ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা গেটে ধাক্কা দিতে শুরু করেন। পরে তারা তালা ও গেট ভেঙে জাদুঘরের ভেতরে প্রবেশ করেন। তাদের সঙ্গে বাইরে অপেক্ষমাণ আরও দর্শনার্থীরাও জাদুঘর প্রাঙ্গণে চলে আসেন। সে সময় অনেকে শেখ হাসিনার ফাঁসির দাবিতে স্লোগান দেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত দর্শনার্থী আশরাফুল ইসলাম জানালেন, তারা দীর্ঘসময় বৃষ্টিতে ভিজে অপেক্ষা করেছেন। তাঁর অভিযোগ, ‘নির্ধারিত সময়ে গেট খুলে দেওয়া হলে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না। দায়িত্বপ্রাপ্তদের বিলম্বের কারণেই উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।’ পরে জাদুঘরে প্রবেশের সময় কয়েকজন আন্দোলনকারী উপস্থিত দর্শনার্থীদের শান্ত থাকার আহ্বান জানান। তারা বলেন, ‘কোনো ভাঙচুর করবেন না। কোনো সম্পদের ক্ষতি করবেন না। আমরা ইতিহাস দেখতে এসেছি, দেখে চলে যাব।’ - বিষয় : - জুলাই আন্দোলন - গণভবন