মহাসড়কের পাশে তরুণের রক্তাক্ত লাশ, ফুটবল খেলা নিয়ে বিরোধে হত্যার অভিযোগ

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

প্রবন্ধে ফুটবল ম্যাচের বিরোধে ১৯‑বছরী আব্বাস সিকদারকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে, যা শারীরিক আক্রমণ ও মৃত্যুর ফলস্বরূপ; তাই এটি হিংসাত্মক ঘটনা এবং বাংলাদেশে ঘটেছে।

Reported by:Prothom AloJugantorCorroborated · 2 sources
09/10/26•ইপিজেড প্রকল্পের মহাসড়ক পাশে

Killed

1

Injured

0

Summary

পটুয়াখালী সদর উপজেলায় ফুটবল ম্যাচের বিরোধে ১৯ বছর বয়সী আব্বাস সিকদারকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়; তার দেহ রক্তাক্ত অবস্থায় মহাসড়কের পাশে পাওয়া যায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে তদন্ত চালিয়ে জড়িতদের শনাক্ত করবে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

95% · severity 8

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

আব্বাস সিকদাররফিকুল ইসলামসাব্বির হোসেনমো. মনিরুজ্জামান

Tags

Murder

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 09/10/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Jugantor · 11/10/26open original ↗

পটুয়াখালীতে নির্বাচনি দ্বন্দ্বে যুবককে হত্যা

পটুয়াখালীতে নির্বাচনি দ্বন্দ্বে যুবককে হত্যা Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন, পটুয়াখালী প্রকাশ: ১১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ পটুয়াখালীর নির্মাণাধীন রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের (ইপিজেড) প্রধান ফটকের সামনে মহাসড়কের পাশ থেকে আব্বাস সিকদার নামে এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার রাতে উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নে নির্মাণাধীন ইপিজেডের সামনে থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়দের ধারণা, মারধরের শিকার হয়ে তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। এ ঘটনায় পরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ তুলেছেন নিহতের বাবা। জানা যায়, এলাকায় একটি মারামারির ঘটনার পর দুই দিন ধরে বাড়িতে ছিলেন না আব্বাস। শুক্রবার রাতে এক অটোরিকশাচালক তার চাচা শাহজালালকে ফোন করে জানান, ইপিজেডের সামনে আব্বাস অসুস্থ অবস্থায় পড়ে আছেন। খবর পেয়ে স্বজনরা গিয়ে তাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। নিহত আব্বাস সিকদার পটুয়াখালী সদরের আউলিয়াপুর ইউনিয়নের পচাকোড়ালিয়া গ্রামের রফিক সিকদারের ছেলে। আব্বাসের বাবা রফিক সিকদার বলেন, তিনি এলাকায় ইউপি সদস্য পদে নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এজন্য ফেসবুকে প্রচারণামূলক পোস্টার দেওয়ার পর স্থানীয় একটি পক্ষের সঙ্গে বিরোধ বেড়ে যায় বলে তার দাবি। ওই পক্ষের সঙ্গে তার ছেলেরও দ্বন্দ্ব ছিল। এ ঘটনাকে পরিকল্পিত হত্যা দাবি করে জড়িতদের শনাক্ত ও বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন রফিক সিকদার। ওসি মনিরুজ্জামান বলেন, স্থানীয় দ্বন্দ্বের কারণে হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Source 2: Prothom Alo · 10/10/26open original ↗

মহাসড়কের পাশে তরুণের রক্তাক্ত লাশ, ফুটবল খেলা নিয়ে বিরোধে হত্যার অভিযোগ

আব্বাস সিকদারছবি: সংগৃহীত পটুয়াখালীতে মহাসড়কের পাশ থেকে আব্বাস সিকদার (১৯) নামের এক তরুণের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে সদর উপজেলায় নির্মাণাধীন রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ প্রকল্প (ইপিজেড)–সংলগ্ন মহাসড়কের পাশ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পরিবারের অভিযোগ, ফুটবল খেলা নিয়ে বিরোধের জেরে তাঁকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। আব্বাস সিকদার সদর উপজেলায় নির্মাণাধীন ইপিজেড–সংলগ্ন ৩ নম্বর ওয়ার্ডের রফিকুল ইসলাম সিকদারের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার বিকেলে ইপিজেড এলাকার বালুর মাঠে স্থানীয়দের উদ্যোগে একটি ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করা হয়। খেলা শেষে আব্বাসের সঙ্গে তাঁর প্রতিপক্ষ দলের সদস্যদের বাগ্‌বিতণ্ডা ও সংঘর্ষ হয়। পরে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত বৃহস্পতিবার আব্বাসের সঙ্গে প্রতিপক্ষের মধ্যে আবারও সংঘর্ষ হয়। আব্বাসের বাবা রফিকুল ইসলাম বলেন, ফুটবল খেলা নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় বিরোধী পক্ষের লোকজন তাঁর ভাগনে সাব্বির হোসেনের কাছে অভিযোগ করেন। পরে বাড়ি থেকে মোটরসাইকেলে স্থানীয় বাসস্ট্যান্ড এলাকায় গেলে আব্বাসের সঙ্গে সাব্বিরের হাতাহাতি হয়। একপর্যায়ে সাব্বির ও তাঁর লোকজন আব্বাসকে মারধর করেন এবং তাঁর মোটরসাইকেল ভাঙচুর করেন। আব্বাসের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মেডিক্যাল প্রতিবেদন ও তদন্তের মাধ্যমে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ঘটনায় আব্বাসের বাবা বাদী হয়ে মামলা করবেন। মো. মনিরুজ্জামান, পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, পরে তাঁর ছেলে বিরোধী পক্ষের লোকজনের ওপর হামলা করতে বাড়ি থেকে বের হলে তিনি বাধা দেন। এরপর ছেলেকে গ্রামের বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। পরদিন বৃহস্পতিবার বন্ধু রুবেলের সঙ্গে পাশের মরিচবুনিয়া ইউনিয়নের বাজারঘোনা গ্রামে যান আব্বাস। সেখানে একটি বাড়িতে তাঁরা রাত কাটান। বিরোধী পক্ষের লোকজন তাঁদের অবস্থানের খবর পেয়ে ওই বাড়িতে হামলা চালান। পরে খবর পেয়ে তিনি ছেলেকে খুঁজতে থাকেন। একপর্যায়ে গতকাল রাত সাড়ে ১১টার দিকে ইপিজেড প্রকল্প এলাকার মহাসড়কের পাশে ছেলেকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। ঘটনার পর থেকে সাব্বির হোসেন এলাকা ছেড়েছেন। মরদেহের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন দেখে হত্যাকাণ্ড বলে মনে হয়েছে বলে জানান পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, আব্বাসের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মেডিক্যাল প্রতিবেদন ও তদন্তের মাধ্যমে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ঘটনায় আব্বাসের বাবা বাদী হয়ে মামলা করবেন। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন মরদেহ উদ্ধারপটুয়াখালীবরিশাল বিভাগপটুয়াখালী সদরহত্যা